যেকোন রকম বিজ্ঞাপনের জন্য আমাদের সঙ্গে যোগাযোগের মাধ্যম : amaderbharatdesk@gmail.com    তেলেঙ্গানায় ক্ষমতায় আসতে চন্দ্রশেখরকে সমর্থনের প্রস্তাব বিজেপির, শর্ত একটাই ত্যাগ করতে হবে ওয়াইসিকে।    অধ্যাদেশ জারি করে রাম মন্দির নির্মাণের দাবিতে গেরুয়া স্রোত রাজধানীতে।    “সংখ্যালঘু ভোটের জন্য হিন্দু বিদ্বেষী বাংলাদেশি ধর্মগুরুকে সভা করার অনুমতি দিয়েছে রাজ্য”: দিলীপ।    প্রাক্তন কেএলও লিঙ্কম্যানদের তৃণমূলে যোগদান।    কেন চোলাই নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না? মন্ত্রিসভার বৈঠকে ক্ষুব্ধ মমতা।    লোকসভার আগে রাজ্যে ৭ হাজার নতুন শিক্ষক পদে নিয়োগ সরকারের।    “বিজেপির রাজ্য গুজরাট, বিহারে মদ নিষিদ্ধ তবে এই বাংলায় কেন তা হচ্ছে না “: মুকুল।    ভুয়ো কল সেন্টার খুলে বিদেশে কোটি টাকার প্রতারণা, পাকড়াও ৪ যুবক।    “শাসক দলের রক্তক্ষয়ী রাজনীতি”: নদিয়ায় বিজেপির রক্তদান শিবির।    আইনজীবী খুনের ঘটনাতেও উঠে আসছে পরকীয়া তত্ত্ব, আটক স্ত্রী।    রোগীমৃত্যুর জেরে বাঙুর হাসপাতালে ভাঙচুর, মারধর চিকিৎসকদের, আটক ৮।    বাড়ি থেকে সংগ্রহশালা, পরিবর্তন হতে চলেছে রাজ কাপুরের জন্মভিটে।    আজ আপনার কেমন যাবে জেনে নিন।    বিয়ের পর প্রথম দীপিকা প্রসঙ্গে মুখ খুললেল রণবীর।


আজাদ হিন্দ ফৌজের ৭৫ বর্ষ পূর্তিতে শ্বেতপত্র প্রকাশের দাবি 

আমাদের ভারত, রামপুরহাট, ১৩ সেপ্টেম্বর: এই বছর আজাদ হিন্দ ফৌজের ৭৫ বছর পূর্তি উৎসব। এই উপলক্ষে কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে শ্বেতপত্র প্রকাশের দাবি জানানো হবে। তারাপীঠে পুজো দিয়ে সাংবাদিক সম্মেলনে এমনই মন্তব্য করেন অল ইন্ডিয়া লিগ্যাল এইড ফোরামের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক জয়দীপ মুখোপাধ্যায়। তিনি বলেন, ১৯৪৩ সালে প্রয়াত রাসবিহারী বসু, মোহন সিং এবং নেতাজী সুভাষ চন্দ্র বসু এই তিন জনের অনুপ্ররণায় এবং তাদের উদ্যেগে আজাদহিন্দ ফৌজ তৈরি করেছিলেন। সিঙ্গাপুরে ১৯৪৩ সালে ২১ অক্টোবর  জাতীয় পতকা উত্তোলন করে নেতাজী সুভাষ চন্দ্র বসু আজাদহিন্দ ফৌজ সরকারিভাবে প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। ১৯৪৫ সালে সুভাষ চন্দ্র বসুর নেতৃত্বে আজাদহিন্দ ফৌজের আন্দোলনের ফলে ৪৭ সালে এক বছরের মধ্যে আমরা স্বাধীনতা লাভ করি। কিন্তু দুঃখের বিষয় আজাদহিন্দ ফৌজের যে আত্মত্যাগ এবং তাদের সেনাদের যে বলিদান সেটা সরকারে তরফে থেকে সাধারণ মানুষের কাছে সেভাবে পৌঁছায়নি। ১৯৪৫ সালে আজাদহিন্দ ফৌজের যে ৭২ কোটি টাকার সম্পত্তি ছিল সবই লোপাট হয়ে গেছে। কেন্দ্রীয় সরকারে অনুরোধ এই সম্পত্তি কে বা কারা লুটপাট  করল সেটা অবিলম্বে সকলের কাছে প্রকাশ করতে হবে।

১৯৪৭ সালে স্বাধীতার ফলে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী জহরলাল নেহেরু বলেছিলেন যে, আজাদহিন্দ ফৌজ নিয়ে একটি বই লেখার জন্য। ১৯৫০ সালে সেই বই প্রতুল গুপ্ত প্রধানমন্ত্রীর হাতে দিলে নেহেরু সেই বইটিকে ব্যান্ড করে দেয়। তাই আজাদহিন্দ ফৌজের ৭৫ বছর উপলক্ষে আমরা আবেদন করব কেন্দ্রীয় সরকারে কাছে যে এই আজাদহিন্দ ফৌজের সেই বই টি অবিলম্বে প্রকাশ করা হোক। এরই পরিপেক্ষিতে আগামী ৩০ নম্ভেম্বর দিল্লির কনস্টিটউশন ক্লাবের সভা কক্ষে একটি সমাবেশে আয়োজন করা হয়েছে। ২১ অক্টোবর আজাদহিন্দ ফৌজের আমরা প্রতিষ্ঠা দিবস পালন করব লালকেল্লা এবং ইন্ডিয়া গেটের সামনে।

Leave a Reply

avatar
  Subscribe  
Notify of