বিজ্ঞাপনের জন্য আমাদের সঙ্গে যোগাযোগের মাধ্যম : amaderbharatdesk@gmail.com    “ওদেরকে শাস্তি দেওয়ার সময় এসে গেছে” কংগ্রেসকে তোপ যোগগুরু রামদেব বাবার।    রাত পোহালেই রাজ্যে দ্বিতীয় দফায় নির্বাচন।     দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি ও রায়গঞ্জ লোকসভা কেন্দ্রে হবে ভোটগ্রহণ।    “টাকার থলি নিয়ে রাস্তায় রাস্তায় ঘুরছে আরএসএসের দালালরা” অভিযোগ মমতার।    সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেলে ছয় মাসের মধ্যেই বিধানসভা ভোট করাব বললেন আলুয়ালিয়া।    ঝাঁটা হাতে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে এলাকা ছাড়া করার নিদান রাজ্যের মন্ত্রীর।    কান্দিতে অধীর গড়ে দাঁড়িয়ে কংগ্রেস ও বিজেপিকে তোপ মমতার।    নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য “ইউনিক কালার কোডিং” ব্যবস্থা।    আরও কড়া হল কমিশন, দুবের মাথায় বসল নতুন পর্যবেক্ষক।    অমিত, যোগীর জোড়া ফলায় মমতাকে ঘায়েলের চেষ্টা বিজেপির।    জয়ের প্রচারে আমতায় রাজনাথ সিং।    ঘাটালে একা কুম্ভ ভারতী।    আজ আপনার কেমন যাবে জেনে নিন।    ভোটের দিনগুলোয় কেন্দ্রীয় নেতাদের এনে কিস্তিমাত করতে কৌশল বিজেপির।


বিধায়ক সত্যজিৎ খুনে পঞ্চুর খোঁজে সিআইডি

চিন্ময় ভট্টাচার্য

আমাদের ভারত, ১১ ফেব্রুয়ারি: একটা ২১ বছরের কলেজ ছাত্র। কিন্তু, তাকে নিয়েই এখন যাবতীয় মাথাব্যথা কৃষ্ণগঞ্জের নিহত বিধায়ক সত্যজিৎ বিশ্বাসের খুনের তদন্তকারীদের। কারণ, যে কায়দায় এই খুন হয়েছে, তা কোনও সুপারি কিলারের কাজ বলেই তদন্তকারীদের প্রাথমিক ধারণা। প্রত্যক্ষদর্শীরা ঘটনার পরই ছুটে পালাতে দেখেছিলেন অভিজিৎ পুন্ডারি ওরফে পঞ্চুকে। লোডশেডিং থাকায় দেখা যায়নি কে গুলি চালিয়েছে। কিন্তু, পালাতে দেখা গিয়েছে অভিজিৎকে। শুধু তখনই নয়, তার পর থেকেই পঞ্চুকে এলাকায় দেখা যায়নি বলে স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি।
প্রত্যক্ষদর্শীদের অভিযোগের ভিত্তিতে নিহত বিধায়কের আপ্তসহায়ক মিলন সাহাও অভিজিতের বিরুদ্ধেই হাঁসখালি থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। শনিবার রাতেই উত্তেজিত জনতা অভিজিতের বাড়ি ভাঙচুর করেছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, সপ্তাহখানেক আগে
স্থানীয় কলেজের টিএমসিপি নেতা তথা ওই কলেজের সাধারণ সম্পাদক এই পঞ্চুকেই নাকি সত্যজিৎ বিশ্বাস পরিস্থিতি সামলাতে একদিন চড় মেরেছিলেন। স্থানীয় তৃণমূল নেতাদের দাবি, তার পরই পঞ্চু রাগের চোটে বিজেপিতে যোগ দিয়েছিল। একই সুরে প্রয়াত বিধায়কের স্ত্রী রূপালি বিশ্বাস জানিয়েছেন, সত্যজিৎবাবুই তাঁকে বলেছিলেন যে তাঁর কয়েকজন অনুগামী সম্প্রতি বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন। সেই নিয়ে তিনি চিন্তিত। এর মধ্যে এই খুনের ঘটনায় ধৃত সুজিত ও কার্তিক ওরফে মিঠুন মণ্ডলকে আদালতে পেশ করা হলে, বিচারক ধৃতদের ১৪ দিন পুলিশ হেপাজতের নির্দেশ দিয়েছেন।

ময়নাতদন্তের রিপোর্ট বলছে, একটিমাত্র গুলিই সত্যজিৎ বিশ্বাসকে লক্ষ্য করে ছোড়া হয়েছিল। যা তার মাথা ফুঁড়ে বেরিয়ে গিয়েছিল। ইতিমধ্যে সিআইডি, ফরেনসিক দল এবং হাঁসখালি থানার পুলিশ সরেজমিনে তদন্ত সেরেছেন। স্নিফার ডগ নিয়েও তল্লাশি চালানো হয়েছে। কিন্তু, তদন্তকারীরা এখনও নিশ্চিত নন, উদ্ধার হওয়া আগ্নেয়াস্ত্র থেকেই সত্যজিৎ বিশ্বাসকে গুলি করা হয়েছিল কি না। কারণ, এই খুনে ব্যবহৃত গুলিটি তদন্তকারীরা এখনও উদ্ধার করতে পারেননি। তার ওপর আবার রবিবার নিহত বিধায়কের মরদেহ শক্তিনগর জেলা হাসপাতাল থেকে কৃষ্ণনগর জেলা পার্টি অফিস ঘুরিয়ে হাঁসখালির ফুলবাড়ি ও মাজদিয়া এলাকার ওই মঞ্চে আনা হয়েছিল। যে মঞ্চে তিনি খুন হন, সেই সরস্বতী পুজোর মঞ্চেই প্রয়াত বিধায়কের দেহে মাল্যদান করেন তৃণমূলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়, নদিয়ায় তৃণমূলের পর্যবেক্ষক অনুব্রত মণ্ডলরা। বহু তৃণমূল নেতা ও কর্মী এই অনুষ্ঠানে যোগদান করেছিলেন। তার ফলেও বেশ কিছু প্রমাণ নষ্টের আশঙ্কা তদন্তকারীরা করছেন।

পার্থ চট্টোপাধ্যায় অবশ্য নিহত বিধায়কের পরিবারকে আশ্বাস দিয়েছেন যে দোষীদের কোনওমতেই রেয়াত করা হবে না। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে ফোন করে নিহত বিধায়কের স্ত্রীকে পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন। এই পরিস্থিতিতে ১২ ফেব্রুয়ারি বিধায়ক খুনের প্রতিবাদে ধিক্কার মিছিলের ডাক দিয়েছে তৃণমূল। ২৪ ফেব্রুয়ারি প্রতিবাদ সভা ডাকা হয়েছে।

Leave a Reply

avatar
  Subscribe  
Notify of