বিজ্ঞাপনের জন্য আমাদের সঙ্গে যোগাযোগের মাধ্যম : amaderbharatdesk@gmail.com    ১৯শেই সাফ তৃণমূল : মোদী।    চিটফান্ড কেলেঙ্কারিতে জেলে যাবেন পার্থ : কৈলাশ বিজয়বর্গীয়    আমি বিজেপির ভয়ানক বিরোধী, কিন্তু এটা উকিলের চোখে ধরা পড়ছে মূর্তি টিএমসিপি ভেঙেছে : অরুণাভ ঘোষ।    মুখ্যমন্ত্রীর প্ররোচনায় নরসংহার শুরু করতে পারে তৃণমূল, রাজ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের দাবি বিজেপির।    তৃণমূল বিদ্যাসাগরের মূর্তি যে ভেঙ্গেছে সেখানে পঞ্চ ধাতুর মূর্তি বানিয়ে দেব : ঘোষণা মোদীর।    সারদা নরদা নিয়ে বড় বড় কথা আর চিটফান্ডের মালিকের মাঠে সভা করছে প্রধানমন্ত্রী : মমতা।    কমিশনের নির্দেশ অমান্য ! স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকে গরহাজির রাজীব কুমার।    এবার লালবাজারে ডাকা হতে পারেন অমিত শাহকে!    ক্ষুব্ধ ঝাড়গ্রামের নীরব অপেক্ষা ফলাফলের জন্য।    “নারী শিক্ষার দিশারীকে ভূ-লুন্ঠিত হতে হল বাঙালীদের হাতে, এর থেকে লজ্জা কি আছে?”: ক্ষোভ বীরসিংহবাসীর।    রানাঘাটের মত নিশ্চিত আসনেও সিঁদুরে মেঘ দেখছে তৃণমূল।    মহামিছিল করে ভাটপাড়ায় প্রচার শেষ করতে চান মদন।    আজ আপনার কেমন যাবে জেনে নিন।    নির্বাচনের আগে ভোট পরিস্থিতি খতিয়ে দেখলেন বিশেষ পুলিশ পর্যবেক্ষক বিবেক দুবে।


তৃণমলের কেউ আর শালাঠালা বলে না, জয় শ্রীরাম বলে: অরুনাভ ঘোষ

আমাদের ভারত, কলকাতা, ৯ মে: তৃণমলের কেউ আর শালাঠালা বলে না। ওরা এখন নতুন শব্দ খুঁজে পেয়েছে। কাউকে গালাগাল দিতে হলে এখন জয় শ্রীরাম বলে। এভাবেই মুখ্যমন্ত্রীর সমালোচনা করলেন,আইনজীবী তথা কংগ্রেস নেতা অরুনাভ ঘোষ।
অরুনাভ ঘোষ বলেন, আমাদের মুখ্যমন্ত্রী জয় শ্রীরাম শুনে রেগে যান এবং তেড়েও যান। জয় শ্রীরাম বলাটা যে গালাগাল সেটা এই তৃণমূল কংগ্রেসের কাছ থেকে জানাগেল। তাঁরা এখন আর শালঠালা বলে না, জয় শ্রীরাম বলে। তইনি বলেন, মুখ্যমন্ত্রীর এতে রাগ করা উচিৎ হয়নি কারণ মানুষ মুর্দাবা ও বলতে পারে, গো ব্যাক বলতেও পারে। এইগুলো বুদ্ধদেববাবুর বেলাতেও ঘটেছে।

তিনি বলেন, ’রাজনীতিটা এখন খুব নিচুস্তরে নামিয়ে আনা হয়েছে। এতটাই নিচে নেমে গেছে যে, যাঁরা সেদিন ঘটনার সময় ছিল না সেই রকম তিনজনকে গ্রেফতার করেছে। আর মুখ্যমন্ত্রীকে দেখে পালানটাও একটা ভয়ের বাপার। মানুষ যেমন হিংস্র প্রাণী দেখে পালায় এখন আমাদের রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে দেখে পালাছে সাধারণ মানুষ। মমতা ব্যানার্জি এখন নিরাপত্তা হীনতায় ভুগছেন। মানুষ যখন নিজের ওপর ভরসা হারায় তখন গালাগাল দেয়। উনি নিজের ওপর আস্থা হারিয়ে ফেলেছেন। যদি এতো উন্নয়ন হয় বাংলায় তবে, ছাপ্পা মারার বা মারামারি করার দরকার কেন? এখন রাজনীতিটা ব্যক্তিগত আক্রমণে নেমে গেছে। আগে ডাকাতরা কালীপুজো করে ডাকাতি করতে যেত। এখন তারাপীঠে পূজো দিয়ে ভোট চাইতে যায়। আমাদের মুখ্যমন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রী জানেন কাল পদ না থাকলে আজকের এই প্রতাপ থাকবে না। এদের কাছে তাই ক্ষমতাই শেষ কথা। ক্ষমতা ধরে রাখার জন্য সব রাজনৈতিক দল ধর্মকে ব্যবহার করছে। ধর্মকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক দলগুলো মিথ্যে বলে দলে টানার চেষ্টা করছে।

Leave a Reply

avatar
  Subscribe  
Notify of