বিজ্ঞাপনের জন্য আমাদের সঙ্গে যোগাযোগের মাধ্যম : amaderbharatdesk@gmail.com    “ওদেরকে শাস্তি দেওয়ার সময় এসে গেছে” কংগ্রেসকে তোপ যোগগুরু রামদেব বাবার।    রাত পোহালেই রাজ্যে দ্বিতীয় দফায় নির্বাচন।     দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি ও রায়গঞ্জ লোকসভা কেন্দ্রে হবে ভোটগ্রহণ।    “টাকার থলি নিয়ে রাস্তায় রাস্তায় ঘুরছে আরএসএসের দালালরা” অভিযোগ মমতার।    সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেলে ছয় মাসের মধ্যেই বিধানসভা ভোট করাব বললেন আলুয়ালিয়া।    ঝাঁটা হাতে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে এলাকা ছাড়া করার নিদান রাজ্যের মন্ত্রীর।    কান্দিতে অধীর গড়ে দাঁড়িয়ে কংগ্রেস ও বিজেপিকে তোপ মমতার।    নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য “ইউনিক কালার কোডিং” ব্যবস্থা।    আরও কড়া হল কমিশন, দুবের মাথায় বসল নতুন পর্যবেক্ষক।    অমিত, যোগীর জোড়া ফলায় মমতাকে ঘায়েলের চেষ্টা বিজেপির।    জয়ের প্রচারে আমতায় রাজনাথ সিং।    ঘাটালে একা কুম্ভ ভারতী।    আজ আপনার কেমন যাবে জেনে নিন।    ভোটের দিনগুলোয় কেন্দ্রীয় নেতাদের এনে কিস্তিমাত করতে কৌশল বিজেপির।


ভোট এলেই মাটির মানুষ, ভোটের শেষে তাঁরাই ফানুস

আমাদের ভারত, বাঁকুড়া, ৬ এপ্রিল: ভোট আসছে। লোকসভা নির্বাচন। দেশের সবচেয়ে বড় উৎসব। আগামী পাঁচ বছর কে চালাবে দেশ তা ঠিক করবে জনতা জনার্দন। তবে, ভোট বৈতরণী পার হতে ময়দানে নেমে পড়েছে ডান-বাম-গেরুয়া সব শিবিরই। রঙ্গ ভরা বাংলায় শুরু হয়েছে প্রচারের ভোটরঙ্গ। ভোটারদের মন জয় করতে কতই না রঙ্গ দেখাচ্ছেন ভোট প্রার্থীরা। আর তা নিয়েই কতরকম ছবি, মজাদার ব্যঙ্গচিত্র ভাইরাসের মত ছড়িয়ে পড়েছে নেট দুনিয়ায়।

সারা বছর ধরে ঠাণ্ডা ঘর আর ঠাণ্ডা গাড়ি ছেড়ে যাঁরা মানুষের ভিড়েই আসেন না, চোখেও পড়ে না যাদের, ভোটের ঘন্টা বাজলেই উলট পুরাণ। হঠাৎই সেই সব ঠাণ্ডা ঘরে থাকা নেতা মন্ত্রী আর ভোট প্রার্থীদের শ্রদ্ধা ভক্তির ঢল নামে। জনদরদী হতে মন চায়। জনতা জনার্দনের প্রতি দরদ তখন অতিরিক্ত মাত্রায় জেগে ওঠে। পায়ের নীচে মাথা নামাতেও তখন দ্বিধা নেই ছোট, বড়, কচি কিম্বা পোড় খাওয়া নেতা-নেত্রীদেরও। গ্রামে- গ্রামে, পাড়ায়-পাড়ায় ভোটবাবুদের আনাগোনা বাড়ে। প্রকাশ্য রাস্তায় নতমস্তক হয়ে জনতার চরণধূলি নিতে কিম্বা ভোটদাতাদের জড়িয়ে ধরে প্রাণের মানুষ বোঝাতে ব্যস্ত তখন ভোট বাবুরা।

আহা, কত দরদ, কত আপন! কত কত গালভরা প্রতিশ্রুতি। ভোট শেষ হয়। ব্যাস, জনগণের প্রতি দরদ, শ্রদ্ধা, ভক্তি, দায়িত্ব সব উধাও। প্রতিশ্রুতি ভ্যানিশ। আর কে কাকে পায়!আবার পাঁচ বছরের বিরতি। খবর নিতেও আসে না আর কেউ। প্রয়োজনে দেখা করতে গিয়ে দিনের পর দিন অপেক্ষার পর ফিরে আসতে হয়। একদি যাঁকে জড়িয়ে ধরেছিল বা প্রণাম করেছিল তখন তাঁকে আর চিনতে পারে না। অথচ প্রচারের সময় চিনিয়ে দিতে হয় না, নিজেই বুকে টেনে নেয়।

রাজা আসে যায় নীল জামা গায়ে লাল জামা গায়ে এই রাজা আসে ওই রাজা যায়। কখনো হুড খোলা জিপে, কখনো সাইকেলে, কখনো পায়ে হেঁটে, কখনো টোটোয় চড়ে আবার কখনো বা খচ্চরকে ঘোড়া ভেবে তার পিঠে চড়ে ভোট প্রচারে জনতার কাছে পৌঁছে যাওয়া। মুখে শ্লোগান। প্রতিশ্রুতির বন্যা। একে অপর বিরোধীদলের প্রতি বিষোদগার। সব দেখে সব শুনে মুচকি হাসি জনতার। বলছেন, ভোট এলে – ” কতই রঙ্গ দেখি দুনিয়ায়…।”

Leave a Reply

avatar
  Subscribe  
Notify of