যেকোন রকম বিজ্ঞাপনের জন্য আমাদের সঙ্গে যোগাযোগের মাধ্যম : amaderbharatdesk@gmail.com    ৩ হাজারের বেশি অ্যান্টি ট্যাংক মিসাইল কিনতে পারে ভারত ফ্রান্স থেকে।     কংগ্রেসের ইস্তেহারে রামমন্দির যুক্ত হলে আমরা তাদের সমর্থনের কথা ভাবতে পারি : ভিএইচপি।    বিজেপির বিরুদ্ধে কংগ্রেসের প্রার্থী হতে পারেন করিনা কাপুর।    মমতা নয় রাহুলকেই নেতা দেখতে চান তারা, ব্রিগেডের পরেই জানালেন তেজস্বী, স্টালিনরা।     একসময় কাগজ কুড়াতেন আজ চণ্ডীগড়ের মেয়র এই বিজেপি নেতা।    ব্রিগেডে খরচের উসুল তুলতে ব্যর্থ তৃণমূল, সোশ্যাল মিডিয়ায় মোদিকে হারিয়েই সন্তুষ্ট।    মালদায় অমিত শাহ-যোগীর সভা সফল করার জন্য বিজেপির তিন প্ল্যান।    ব্রিগেডের সভার বদলে আসানসোলে সভা করবে প্রধানমন্ত্রী, জানালেন দিলীপ ঘোষ।    জম্মু-কাশ্মীরে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাবে বিজেপি , দাবি রাম মাধবের।    জয়নগরে অমিত শাহের সভার আগেই রাস্তাঘাট তৃণমূলের দখলে।    লোকসভা নির্বাচনকে মাথায় রেখে সফরে জিটিএর প্রতি মুক্তহস্ত মমতা।    ডুয়ার্সে চিতাবাঘের চামড়া সহ আটক পাঁচ চোরাচালানকারী।    আজ আপনার কেমন যাবে জেনে নিন।    বিজেপি নেতার মাতৃবিয়োগে সমবেদনা জানাতে দুর্গাপুরে রাজ্যপাল।


বিজেপির বাইক র‍্যালি ঘিরে উত্তেজনা, আক্রান্ত আদালত নিযুক্ত স্পেশাল অফিসারও

আমাদের ভারত, কলকাতা, ১২ জানুয়ারি: বিজেপির বাইক র‍্যালি ঘিরে চরম উত্তেজনা, আক্রান্ত হলেন  আদালত নিযুক্ত স্পেশাল অফিসার রবিশঙ্কর দত্ত৷ কলাবাগানের কাছে তাঁর গাড়ি ভাঙচুর করা হয়। হামলায় তাঁর হাতে চোট লেগেছে বলে খবর। আহত হয়েছেন যুব মোর্চার বেশ কিছু কর্মী। এদের মধ্যে র‍য়েছেন যুব মোর্চার রাজ্য সভাপতি দেবজিত সরকার। গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে ইএম বাইপাসের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

বিজেপির সদর দফতর থেকেই বাইক র‍্যালি হওয়ার কথা ছিল। সেখান থেকে সিমলা স্ট্রিটে স্বামীজির বাড়ি পর্যন্ত র‍্যালিতে থাকার কথা ছিল পুলিশ এসকর্ট। অন্য জায়গা থেকে র‍্যালি হলে পুলিশ এসকর্ট দেওয়া যাবে না বলে পুলিসের পক্ষ থেকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল। বিজেপির বাইক র‍্যালির স্পেশাল অফিসার রবিশঙ্কর দত্তকে এ কথা জানিয়েছিলেন কলকাতা পুলিশের জয়েন্ট সিপি (ক্রাইম) প্রবীণ ত্রিপাঠী। এর মধ্যেই শুক্রবার সকালে পাথুরিয়াঘাটার বিনানী ভবনে বিজেপি কর্মীদের উপর হামলার অভিযোগ ওঠে। ভবনের মধ্যে আটকে পড়েন বাইক র‍্যালিতে অংশ নিতে আসা বিজেপি কর্মী, সমর্থকরা। সেখান থেকেই পুলিশ এসকর্ট দাবি করেন বিজেপি সমর্থকরা। কিন্তু প্রস্তুতি না থাকায় দাবিমতো সেখান থেকে বিজেপি অফিস পর্যন্ত পুলিশ এসকর্ট দেওয়া হবে না বলে জানিয়ে দেন প্রবীণ ত্রিপাঠী।
এর মধ্যে সকাল অাটটা নাগাদ কুলুটোলামোড়ে বিজেপি কর্মীদের উপর ফের হামলার অভিযোগ। তাতেই সকাল বেলা গোটা উত্তর কলকাতা উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।
আবার জোড়াবাগানে সকাল আটটা নাগাদ যুব মোর্চার মিছিল শুরু হলে তৃণমূল কর্মীরা হামলা চালায় বলে অভিযোগ। তাতে বিজেপির সাতজন কর্মী অাহত হন। তার মধ্যে যুবমোর্চার রাজ্য সভাপতি দেবজিৎ সরকারের অবস্থা গুরুতর। তাকে বাইপাসের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। যদিও এই হামলার ঘটনা অস্বীকার করেছে রাজ্যের শাসক দল। উল্টে বিজেপি কর্মীদের উপর হামলার অভিযোগ তুলে রাস্তায় নামে তৃণমূল কর্মীরা।
সকালেই দুপক্ষের সংঘর্ষ সামলাতে ছুটতে হয় পুলিশকে। তৃণমূল-বিজেপির সংঘর্ষ থামাতে গিয়ে দুজন পুলিশ কর্মী অাহত হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রের খবর।
উত্তর কলকাতায় সংঘর্ষ থামতেই ফের রণক্ষের চেহারা নেয় মধ্য কলকাতা। সকাল এগারোটা নাগাদ বিজেপির রাজ্য সদর দফতর থেকে বাইক মিছিলের সূচনা করেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। বিজেপির মিছিল মহত্মা গান্ধী রোডে যেতেই ফের শুরু হয় সংঘর্ষ। শুরু হয় দুপক্ষের মধ্যে ইট বৃষ্টি। তাতে দুপক্ষের বেশ কয়েকজন কর্মী অাহত হয়। বিজেপি ও তৃণমূল কর্মীদের সংঘর্ষ অাটকাতে মৃদু লাঠিচার্জ করতে হয় পুলিশকে। এর ফলে গোটা সেন্ট্রাল এভিনিউ চত্বর স্তব্ধ হয়ে যায়। পুলিশকে পুরো রাস্তা বন্ধ করে অবস্থা নিয়ন্ত্রণে অানতে হয়।
এই সব উত্তেজনার কারণেই বাইক র‍্যালি কর্মসূচি স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নেয় বিজেপি নেতৃত্ব৷


ছবি: ভাঙচুর হওয়া স্পেশাল অফিসারের গাড়ি।

Leave a Reply

avatar
  Subscribe  
Notify of