বিজ্ঞাপনের জন্য আমাদের সঙ্গে যোগাযোগের মাধ্যম : amaderbharatdesk@gmail.com    “ওদেরকে শাস্তি দেওয়ার সময় এসে গেছে” কংগ্রেসকে তোপ যোগগুরু রামদেব বাবার।    রাত পোহালেই রাজ্যে দ্বিতীয় দফায় নির্বাচন।     দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি ও রায়গঞ্জ লোকসভা কেন্দ্রে হবে ভোটগ্রহণ।    “টাকার থলি নিয়ে রাস্তায় রাস্তায় ঘুরছে আরএসএসের দালালরা” অভিযোগ মমতার।    সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেলে ছয় মাসের মধ্যেই বিধানসভা ভোট করাব বললেন আলুয়ালিয়া।    ঝাঁটা হাতে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে এলাকা ছাড়া করার নিদান রাজ্যের মন্ত্রীর।    কান্দিতে অধীর গড়ে দাঁড়িয়ে কংগ্রেস ও বিজেপিকে তোপ মমতার।    নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য “ইউনিক কালার কোডিং” ব্যবস্থা।    আরও কড়া হল কমিশন, দুবের মাথায় বসল নতুন পর্যবেক্ষক।    অমিত, যোগীর জোড়া ফলায় মমতাকে ঘায়েলের চেষ্টা বিজেপির।    জয়ের প্রচারে আমতায় রাজনাথ সিং।    ঘাটালে একা কুম্ভ ভারতী।    আজ আপনার কেমন যাবে জেনে নিন।    ভোটের দিনগুলোয় কেন্দ্রীয় নেতাদের এনে কিস্তিমাত করতে কৌশল বিজেপির।


বাড়িতে মিটিং করায় কাস্তে ও মুগুর দিয়ে বিজেপি কর্মীদের মারধর, আহত ৩

আমাদের ভারত, উত্তর ২৪ পরগনা, ১৫ এপ্রিল :
বিজেপি কর্মীরা বাড়ির ছাদে বসে মিটিং করায় ধারাল কাস্তে ও বাঁশের মুগুর নিয়ে তাড়া করে মারধর করার অভিযোগ উঠল তৃণমূল কর্মীদের বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় বিজেপির তিন কর্মী আহত হন। এদের মধ্যে একজনকে বাঁশের মুগুর দিয়ে আঘাত করে তার মাথা ফাটিয়ে দেওয়া হয়। রবিবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর ২৪ পরগণার গোপালনগর থানার বৈরামপুর এলাকায়। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে দুটি কাস্তে ও একটি বাঁশের মুগুর উদ্ধার করে। আহতরা হলেন অরুণ বিশ্বাস, মহাদেব বিশ্বাস, বিকাশ সরকার। এদের মধ্যে গুরুত্বর জখম অরুণ বিশ্বাস। বাকিদের প্রাথমিক চিকিৎসা করে ছেড়ে দেওয়া হয়।

স্থানীয় সূত্রের খবর, আহত অরুণ বিশ্বাসের বাবা সত্যচরণ বিশ্বাস দীর্ঘ দিন ধরেই বিজেপি দলের সঙ্গে যুক্ত। ভোটের দিন ঠিক হওয়ার পর থেকেই বিজেপি কর্মীসমর্থকরা তাঁর বাড়িতে যাতাযাত করে। শনিবার রাতে সত্যচরণ বিশ্বাসের বাড়ির ছাদে বিজেপি কর্মীরা মিটিং করে। এই মিটিংয়ে গ্রামের অধিকাংশ মানুষ উপস্থিত ছিল। তৃণমূল কর্মীরা এই খবর পেয়ে, রবিবার রাতে সত্যচরণবাবুর ছেলে অরুণ বিশ্বাস সহ বিজেপির বেশ কয়েক জন কর্মীকে রাস্তায় আটকায় স্থানীয় তৃণমূল নেতা অজয় সাঁতরা, নীলরতন সাঁতরা ও জয়দেব সাঁতরা। তাদের হুমকি দেয় এই এলাকায় কারও বাড়িতে ও রাস্তায় বিজেপির মিটিং মিছিল করা যাবে না। গ্রামের সবাইকে তৃণমূল করতে হবে। এর প্রতিবাদ করতেই তৃণমূলের নেতারা বিজেপি কর্মীদের উপর কাস্তে ও বাঁশের মুগুর নিয়ে চড়াও হয়। পালানোর চেষ্টা করলে তাদেরকে তাড়া করে বেধড়ক মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। বাঁশের মুগুরের আঘাতে অরুণ বিশ্বাসের মাথা ফেটে রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে পড়ে থাকে। খবর পেয়ে গ্রামবাসীরা ছুটে গেলে অভিযুক্তরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।

বিজেপি নেতা বাবলু বিশ্বাস বলেন, তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা প্রকাশ্যে আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে এলাকা জুড়ে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। পুলিশ কোন ব্যবস্থা নিচ্ছে না। অভিযোগের ১২ ঘন্টা পেরিয়ে গেলেও এখনও কাউকে গ্রেফতার করেনি গোপালনগর থানার পুলিশ। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।  
 

Leave a Reply

avatar
  Subscribe  
Notify of