যেকোন রকম বিজ্ঞাপনের জন্য আমাদের সঙ্গে যোগাযোগের মাধ্যম : amaderbharatdesk@gmail.com    ৩ হাজারের বেশি অ্যান্টি ট্যাংক মিসাইল কিনতে পারে ভারত ফ্রান্স থেকে।     কংগ্রেসের ইস্তেহারে রামমন্দির যুক্ত হলে আমরা তাদের সমর্থনের কথা ভাবতে পারি : ভিএইচপি।    বিজেপির বিরুদ্ধে কংগ্রেসের প্রার্থী হতে পারেন করিনা কাপুর।    মমতা নয় রাহুলকেই নেতা দেখতে চান তারা, ব্রিগেডের পরেই জানালেন তেজস্বী, স্টালিনরা।     একসময় কাগজ কুড়াতেন আজ চণ্ডীগড়ের মেয়র এই বিজেপি নেতা।    ব্রিগেডে খরচের উসুল তুলতে ব্যর্থ তৃণমূল, সোশ্যাল মিডিয়ায় মোদিকে হারিয়েই সন্তুষ্ট।    মালদায় অমিত শাহ-যোগীর সভা সফল করার জন্য বিজেপির তিন প্ল্যান।    ব্রিগেডের সভার বদলে আসানসোলে সভা করবে প্রধানমন্ত্রী, জানালেন দিলীপ ঘোষ।    জম্মু-কাশ্মীরে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাবে বিজেপি , দাবি রাম মাধবের।    জয়নগরে অমিত শাহের সভার আগেই রাস্তাঘাট তৃণমূলের দখলে।    লোকসভা নির্বাচনকে মাথায় রেখে সফরে জিটিএর প্রতি মুক্তহস্ত মমতা।    ডুয়ার্সে চিতাবাঘের চামড়া সহ আটক পাঁচ চোরাচালানকারী।    আজ আপনার কেমন যাবে জেনে নিন।    বিজেপি নেতার মাতৃবিয়োগে সমবেদনা জানাতে দুর্গাপুরে রাজ্যপাল।


মুখ্যমন্ত্রীর ৫০ হাজার টাকার সাহায্যের আশ্বাসে ভিন রাজ্যের কাজ ছেড়ে ৪৫০ জন শ্রমজীবি জেলা প্রশাসনের কাছে আবেদন জমা দিলেন

আমাদের ভারত ডেস্ক, ১২ জানুয়ারি: মুখ্যমন্ত্রীর আশ্বাস পেয়ে ভিন রাজ্যে শ্রমিকের কাজে যুক্ত ৪৫০ গ্রামবাসী বাড়ি ফিরে ৫০ হাজার টাকা পাওয়ার আশায় জেলা শাসকের কাছে নাম নথিভুক্ত করলেন। এত বিপুল সংখ্যক শ্রমজীবি মানুষের আবেদন দেখে একদিকে যেমন তাজ্জব হয়ে যান জেলা শাসক তেমনই ফাঁপড়ে পড়ে যায় জেলা প্রশাসন। অপ্রত্যাশিত এই সংখ্যা দেখে নাম নথিভুক্তদের তালিকা উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠাবার উদ্যোগ নিচ্ছেন জেলা শাসক অলকেশ প্রসাদ রায়। তিনি বলেন, ‘মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ মতো জেলা প্রশাসন আবেদনকারীদের কাছ থেকে তথ্য সম্বলিত আবেদন পত্র গ্রহণ করা হচ্ছে। এর জন্য একটি বিশেষ সেল খোলা হয়। গত কয়েক দিন ধরে জেলার বিভিন্ন প্রান্তের বাসিন্দা ভিন রাজ্য থেকে এসে আবেদন পত্র জমা দিচ্ছেন। শীঘ্রই সেগুলি নবান্নে পাঠিয়ে দেওয়া হবে।’

প্রসঙ্গত, পুরুলিয়া জেলা সফরে এসে গত ১২ ডিসেম্বর কোটশিলা থানার বাটরি আমবাগানে আয়োজিত সরকারি সভায় গুজরাটে মালদার যুবক খুনের ঘটনার প্রসঙ্গ ধরে আশ্বাস দিয়ে বলেন, ‘এর আগে এক লক্ষ মানুষ ফিরে এসেছিলেন। আমরা খেতে না পাই মোটা কাপড় মোট খাবারের জন্য সবাইকে ৫০ হাজার টাকা করে দিয়েছিলাম। যাতে তাঁরা একটা চায়ের দোকান অন্তত করতে পারেন। যদি কেউ ফিরে আসেন জেলা শাসকের কাছে নাম লিখাবেন। আমরা তাঁকে ৫০ হাজার টাকা করে সাহায্য করতে পারি। এসে সেই টাকা দিয়ে অন্তত একটা চায়ের দোকান করুন। মনে রাখতে হবে আগামী দিনে একটা চায়ের দোকান থেকে তিনি অনেক বড় হতে পারেন। আমি চাই না আমাদের ভাই বোনেরা বাইরে গিয়ে বিপদে পড়ুন। আমরা সাহায্য করব এখানে ফিরে আসুন। আমাদের এখানে কাজের অভাব নেই।’

মুখ্যমন্ত্রীর এই ঘোষণা এবং আশ্বাস পেয়ে দেশের বিভিন্ন রাজ্যে কাজ করা শ্রমজীবি মানুষ বাড়ি তথা এই রাজ্যে ফিরে আসবার জন্য ব্যাকুল হয়ে উঠেন। তাঁরা বলেন, ‘পরিবার পরিজনের কাছ থেকে এই খবর পেয়ে বাড়ি ফিরে আসার তোড়জোড় করি। অমানবিক পরিশ্রম, কটুক্তি, কাজ ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে বাড়তি কাজ করানো হত আমাদের। মুখ্যমন্ত্রীর এই আশ্বাস পেয়ে বাড়ি ফিরে আসি। আর্থিক সাহায্য পেলে স্বনির্ভর হয়ে উঠতে পারবো।’

জেলা শাসক এদিন জানান, ‘এই সংখ্যা আবেদন পত্র যাচাই করা হবে। শ্রম দফতরের কাছে সেই রিপোর্ট পাঠিয়ে উত্তর বা নির্দেশের উপর নির্ভর করছে কারা কিভাবে সাহায্য পেতে পারেন। তবে, এই সংখ্যার মধ্যে কিছু যোগ্য মানুষ থাকতেই পারেন।’

Leave a Reply

avatar
  Subscribe  
Notify of