যেকোন খবরের জন্য আমাদের সঙ্গে যোগাযোগের মাধ্যম : amaderbharatnews@gmail.com    এই বছরই দ্বিতীয় বার লালকেল্লায় জাতীয় পতাকা উত্তোলন করতে চলেছেন মোদী, জানেন কি কেন।    আদিবাসী শিশুদের নতুন জামাকাপড় দিল হিন্দু সংহতি।    ধুনুচি নাচ থেকে পেটপুরে ভুরিভোজ, পুজোয় মেতে উঠেছে আট থেকে আশি।    “লোকসভা নির্বাচনের আগে চালু হবে ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রো”: বাবুল সুপ্রিয়।    পুজো স্পেশাল শপিং অফার চালু করল স্টেট ব্যাংক অফ ইন্ডিয়া।    পুজোর মধ্যেও রাজনৈতিক সংঘর্ষ, গুড়াপে আক্রান্ত বিজেপি, বাড়ি ভাঙ্গচুর, আগুন।    ট্যাংরার গুদামে ভয়াবহ অাগুন, ঘটনাস্থলে দমকলের ৫টি ইঞ্জিন।    কল্যাণী হাইওয়েতে বেপরোয়া গতির বলি বাইক আরোহী।    ট্রেনে এবার ঝাঁকুনি ফ্রি সফর।    মেদিনীপুরে শিল্পের উন্নত পরিকাঠামো গড়তে মুখ্যমন্ত্রীর উদ্যোগ।    র‍্যাফটিং করতে গিয়ে তিস্তার জলে তলিয়ে মৃত্যু ভিন রাজ্যের মহিলার।    ভাড়াটিয়ার পরকীয়ায় বাধা দিয়ে সোনারপুরে খুন বাড়ির মালিক।    আজ আপনার কেমন যাবে জেনে নিন।    পুজোর মরসুমে বালুরঘাটে জমে উঠেছে রমরমা জুয়ার আসর।
BREAKING NEWS:
  • আজ মহানবমী।
  • সকাল থেকেই মন্ডপে মন্ডপে ভীড়।
{"effect":"slide-h","fontstyle":"normal","autoplay":"true","timer":4000}


মুখ্যমন্ত্রীর ৫০ হাজার টাকার সাহায্যের আশ্বাসে ভিন রাজ্যের কাজ ছেড়ে ৪৫০ জন শ্রমজীবি জেলা প্রশাসনের কাছে আবেদন জমা দিলেন

আমাদের ভারত ডেস্ক, ১২ জানুয়ারি: মুখ্যমন্ত্রীর আশ্বাস পেয়ে ভিন রাজ্যে শ্রমিকের কাজে যুক্ত ৪৫০ গ্রামবাসী বাড়ি ফিরে ৫০ হাজার টাকা পাওয়ার আশায় জেলা শাসকের কাছে নাম নথিভুক্ত করলেন। এত বিপুল সংখ্যক শ্রমজীবি মানুষের আবেদন দেখে একদিকে যেমন তাজ্জব হয়ে যান জেলা শাসক তেমনই ফাঁপড়ে পড়ে যায় জেলা প্রশাসন। অপ্রত্যাশিত এই সংখ্যা দেখে নাম নথিভুক্তদের তালিকা উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠাবার উদ্যোগ নিচ্ছেন জেলা শাসক অলকেশ প্রসাদ রায়। তিনি বলেন, ‘মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ মতো জেলা প্রশাসন আবেদনকারীদের কাছ থেকে তথ্য সম্বলিত আবেদন পত্র গ্রহণ করা হচ্ছে। এর জন্য একটি বিশেষ সেল খোলা হয়। গত কয়েক দিন ধরে জেলার বিভিন্ন প্রান্তের বাসিন্দা ভিন রাজ্য থেকে এসে আবেদন পত্র জমা দিচ্ছেন। শীঘ্রই সেগুলি নবান্নে পাঠিয়ে দেওয়া হবে।’

প্রসঙ্গত, পুরুলিয়া জেলা সফরে এসে গত ১২ ডিসেম্বর কোটশিলা থানার বাটরি আমবাগানে আয়োজিত সরকারি সভায় গুজরাটে মালদার যুবক খুনের ঘটনার প্রসঙ্গ ধরে আশ্বাস দিয়ে বলেন, ‘এর আগে এক লক্ষ মানুষ ফিরে এসেছিলেন। আমরা খেতে না পাই মোটা কাপড় মোট খাবারের জন্য সবাইকে ৫০ হাজার টাকা করে দিয়েছিলাম। যাতে তাঁরা একটা চায়ের দোকান অন্তত করতে পারেন। যদি কেউ ফিরে আসেন জেলা শাসকের কাছে নাম লিখাবেন। আমরা তাঁকে ৫০ হাজার টাকা করে সাহায্য করতে পারি। এসে সেই টাকা দিয়ে অন্তত একটা চায়ের দোকান করুন। মনে রাখতে হবে আগামী দিনে একটা চায়ের দোকান থেকে তিনি অনেক বড় হতে পারেন। আমি চাই না আমাদের ভাই বোনেরা বাইরে গিয়ে বিপদে পড়ুন। আমরা সাহায্য করব এখানে ফিরে আসুন। আমাদের এখানে কাজের অভাব নেই।’

মুখ্যমন্ত্রীর এই ঘোষণা এবং আশ্বাস পেয়ে দেশের বিভিন্ন রাজ্যে কাজ করা শ্রমজীবি মানুষ বাড়ি তথা এই রাজ্যে ফিরে আসবার জন্য ব্যাকুল হয়ে উঠেন। তাঁরা বলেন, ‘পরিবার পরিজনের কাছ থেকে এই খবর পেয়ে বাড়ি ফিরে আসার তোড়জোড় করি। অমানবিক পরিশ্রম, কটুক্তি, কাজ ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে বাড়তি কাজ করানো হত আমাদের। মুখ্যমন্ত্রীর এই আশ্বাস পেয়ে বাড়ি ফিরে আসি। আর্থিক সাহায্য পেলে স্বনির্ভর হয়ে উঠতে পারবো।’

জেলা শাসক এদিন জানান, ‘এই সংখ্যা আবেদন পত্র যাচাই করা হবে। শ্রম দফতরের কাছে সেই রিপোর্ট পাঠিয়ে উত্তর বা নির্দেশের উপর নির্ভর করছে কারা কিভাবে সাহায্য পেতে পারেন। তবে, এই সংখ্যার মধ্যে কিছু যোগ্য মানুষ থাকতেই পারেন।’

Leave a Reply

avatar
  Subscribe  
Notify of