বিশ্বকাপে ফুটবল মাঠে বরাবর‌ই স্বপ্রতিভ ছিলেন ক্রোট প্রসিডেন্ট।    ফরাসীদের বিশ্বকাপ জয়, আনন্দে মাতল চন্দননগর।    বিশ্বকাপের মহারণে মাঠে সাক্ষী থাকলেন মহারাজ।    সমুদ্রে মাছ ধরতে গিয়ে নিখোঁজ তিনটি ট্রলার সহ ১৯ মৎস্যজীবী।    মা মাটি মানুষের সরকার সিন্ডিকেটের ইচ্ছাতেই চলছে : মোদী।    কৃষকদের উন্নতির জন্য বিজেপির অাগে কেউ এত ভাবেনি : মোদী।    মেটিয়াবুরুজে দুর্ঘটনায় মৃত বাবা-মেয়ে, প্রতিবাদে ১০টি গাড়িতে ভাঙচুর ক্ষুব্ধ জনতার।    তৃণমূলের জুলুম থেকে আর কয়েক মাসের মধ্যেই মিলবে মুক্তি : মোদী।     হাতজোড় করে স্বাগত জানালেন মমতা! ধন্যবাদ জানালেন মোদী।    মোদীর সভায় চাঁদোয়া ভেঙ্গে অাহত ৩০।    পুলিশের বাধায় প্রধানমন্ত্রীর সভায় যেতে পারলেন না অনেকে, খড়্গপুরে বিজেপি কর্মীদের হাতে আক্রান্ত পুলিশ।    বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে কিশোরীকে ধর্ষণ, গ্রেপ্তার সিভিক ভলান্টিয়ার।    বজবজে ভাইস চেয়ারম্যান অনুগামীদের বিরুদ্ধে বিজেপি কর্মীদের মারধর,বাড়ি ভাঙ্গচুরের অভিযোগ।    আপনার দিনটি কেমন যাবে জেনে নিন আমাদের দৈনিক রাশিফল থেকে।    চিৎপুরের যাত্রাপাড়ায় বিশেষ গিমিক টেলিভিশন সিরিয়ালের জুটি।    মস্তিষ্কের পুষ্টিতে সুপ অপরিহার্য, বলছেন খাদ্য বিশেষজ্ঞরা।
BREAKING NEWS:
  • ২০১৮ বিশ্বকাপ ফুটবলে জয়ী ফ্রান্স।
  • ফাইনালে ফ্রান্স-৪ ক্রোয়েশিয়া-২
  • তৃতীয় স্থানের খেলায় বেলজিয়াম জয়ী
{"effect":"slide-h","fontstyle":"normal","autoplay":"true","timer":4000}


সাইবার দুনিয়ায় জেহাদি প্রচারে নয়া আতঙ্ক

আমাদের ভারত, কলকাতা, ১০ জুলাই: সাইবার দুনিয়ায় ছড়িয়েছে নয়া আতঙ্ক। জেহাদি প্রচার সহ নিজেদের মধ্যে তথ্য আদান-প্রদানে তারা সাহায্য নিচ্ছে ডার্ক ওয়েবের। এমনটাই গোয়েন্দা সূত্রের খবর। এছাড়াও বিভিন্ন অ্যাপস ও ওয়েবসাইটের মাধ্যমে ‘প্রটেক্টিভ টেক্সট’ চালাচালি করে জঙ্গিরা নিজেদের মধ্যে যোগাযোগ রক্ষা করে, যা পুলিশ বা গোয়েন্দা সংস্থাগুলির নজরদারির আওতায় সহজে আসে না।

সাইবার ক্রাইম বিশেষজ্ঞ ও আইনজীবী অচিন্ত্য মন্ডল বলেন, ‘সাইবার দুনিয়াকে দুটি ভাগে ভাগ করা হয়। একটি সারফেস ওয়েব যা সবার জন্য উন্মুক্ত অন্যটি ডার্ক ওয়েব। সাধারণ মানুষ যেটা ব্যবহার করেন তা সারফেস ওয়েব। এটি সবার জন্য উন্মুক্ত। এখান থেকে আপনি যেকোন তথ্যই খুঁজে নিতে পারেন। সারফেস ওয়েবের নিচে বা আড়ালে যা থাকে তা হচ্ছে ডিপ ওয়েব বা ডার্ক ওয়েব। যার তথ্য সাধারণ ভাবে জানা সম্ভব নয়। এই ইন্টারনেটের এই অংশে বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ব্যবহার করে। কিন্তু এটির সুযোগকে কাজে লাগিয়ে জঙ্গিরা অবাধে তথ্য আদান-প্রদান করে।’

তিনি আরও বলেন,‘যেকোন ইলেট্রনিক গ্যাজেট থেকে ডার্ক ওয়েবে ঢুকে কাজ করলে সেখানে ভারচুয়াল লোকেশন তৈরী হয়। যার ফলে কোথা থেকে এটি অপারেট হচ্ছে তা চিহ্নিত করা যায় না। ‘টোর’নামে ব্রাউজারসহ আরও কিছু ব্রাউজার আছে, যেগুলো ইনস্টল করলে ব্যবহারকারি পরিচয় গোপন হয়ে যায়। ডার্ক ওয়েবে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক জঙ্গি সংগঠনগুলোর সাইট রয়েছে। সেখানেই চলে তথ্য আদান-প্রদান ও নির্দেশ দেওয়ার কাজ। এছাড়াও জঙ্গিরা ধরা পড়লে দ্রুত যাতে তথ্য নষ্ট করে দিতে পারে তার সফটওয়ারও তাদের কাছে থাকে।’ গোয়েন্দাদের মতে, টেলিগ্রাম, থ্রিমা অ্যাপস, উইকার অ্যাপস ব্যবহার করে জঙ্গিরা। প্রটেক্টেট টেক্সট নামে একটি সাইটের মাধ্যমেও তারা যোগাযোগ করে থাকে। তবে টেলিগ্রাম তাদের কাছে জনপ্রিয় বেশি।

loading...

Leave a Reply

Be the First to Comment!

avatar
  Subscribe  
Notify of