বিজ্ঞাপনের জন্য আমাদের সঙ্গে যোগাযোগের মাধ্যম : amaderbharatdesk@gmail.com    “ওদেরকে শাস্তি দেওয়ার সময় এসে গেছে” কংগ্রেসকে তোপ যোগগুরু রামদেব বাবার।    রাত পোহালেই রাজ্যে দ্বিতীয় দফায় নির্বাচন।     দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি ও রায়গঞ্জ লোকসভা কেন্দ্রে হবে ভোটগ্রহণ।    “টাকার থলি নিয়ে রাস্তায় রাস্তায় ঘুরছে আরএসএসের দালালরা” অভিযোগ মমতার।    সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেলে ছয় মাসের মধ্যেই বিধানসভা ভোট করাব বললেন আলুয়ালিয়া।    ঝাঁটা হাতে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে এলাকা ছাড়া করার নিদান রাজ্যের মন্ত্রীর।    কান্দিতে অধীর গড়ে দাঁড়িয়ে কংগ্রেস ও বিজেপিকে তোপ মমতার।    নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য “ইউনিক কালার কোডিং” ব্যবস্থা।    আরও কড়া হল কমিশন, দুবের মাথায় বসল নতুন পর্যবেক্ষক।    অমিত, যোগীর জোড়া ফলায় মমতাকে ঘায়েলের চেষ্টা বিজেপির।    জয়ের প্রচারে আমতায় রাজনাথ সিং।    ঘাটালে একা কুম্ভ ভারতী।    আজ আপনার কেমন যাবে জেনে নিন।    ভোটের দিনগুলোয় কেন্দ্রীয় নেতাদের এনে কিস্তিমাত করতে কৌশল বিজেপির।


পূর্ব বর্ধমানে শতায়ু ভোটার ১১৭, দুর্গাপুরে শতায়ুদের সম্বর্ধনা দিল কমিশন

আমাদের ভারত, দুর্গাপুর, ৯ এপ্রিল: সেঞ্চুরীতেও ‘নট আউট’। ভোট দেবেন এবারও। ভোটদানে উৎসাহ দিতে এরকম ভোটারদের সম্বর্ধনা দিল দুর্গাপুর মহকুমা প্রশাসন। মঙ্গলবার মহকুমার তিন শতায়ু ভোটারের বাড়িতে গিয়ে সম্বর্ধনার পাশাপাশি ইভিএমে ভোটদানের পদ্ধতিও বুঝিয়ে দেন দুর্গাপুরের রিটার্নিং অফিসার তথা মহকুমাশাসক অনির্বাণ কোলে।

দুর্গাপুরের পুরসভার ২১ নম্বর ওয়ার্ডের নেতাজী নগর কলোনির বাসিন্দা শেফালি সমাদ্দার। বয়স ১০৪ বছর। আজ তাঁর বাড়িতেই প্রথমে যান দুর্গাপুর মহকুমার নির্বাচন কমিশনের রিটার্নিং অফিসার তথা দুর্গাপুর মহকুমা শাসক অনির্বাণ কোলে। প্রবীন ওই ভোটারের হাতে পুষ্পস্তবক তুলে দেন। ১০৪ বছর বয়সী শেফালী সমাদ্দার প্রায় ৬৫ বছর ধরে বসবাস করছেন দুর্গাপুর নেতাজী নগর কলোনীতে। স্বাধীনতার পর প্রথম গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে যে নির্বাচন শুরু হয়, সেই নির্বাচন থেকে আজ পর্যন্ত তিনি সবকটি নির্বাচনে নিজের ভোট নিজে দিয়েছেন।

কাঁকসার স্বরসতীগঞ্জের বাসিন্দা হারাধন সাহা। বয়স ১০৮ বছর। এখন নিজেই পায়ে হেঁটে জমির চাষবাস দেখেন। এমনকি স্বয়ং ভোটও দিতে যান। তবে এবারে তাঁর মন ভারাক্রান্ত। হারাধনবাবুর ছেলে শিবনারায়ণ সাহা ২০০২ সালে বিজেপির হয়ে লোকসভায় প্রতিদ্বন্দ্বীতা করেছিলেন। মাস কয়েক আগেই দেহ রেখেছেন। তবুও এবার তিনি জানান, “১৯১১ সালে প্রথম ভোট দিয়েছি। ২২ বার ভোট দিয়েছি। এবারও দেব।” তাঁর নাতি নিতাই সাহা জানান, “প্রবীন ভোটার হওয়ায়, এখন গ্রামে দাদুকে দিয়ে ভোটদানের উদ্বোধন হয়।”

আর এক শতায়ু কাঁকসার গোপালপুরের বাসিন্দা নফর রায়। বয়স ১০৫ বছর। আজ তাঁর বাড়িতেও যান দুর্গাপুরের নির্বাচনী আধিকারিকরা। মহকুমা শাসক তথা দুর্গাপুর মহকুমার নির্বাচনের রিটার্নিং অফিসার অনির্বাণ কোলে জানান, “আমরা অত্যন্ত খুশি শতায়ু ভোটার মহকুমায় রয়েছে। ভোটদানে উৎসাহ দিতেই শতায়ু ভোটারদের সম্বর্ধনা। ভোটের দিন ওনাদের জন্য গাড়ির ব্যবস্থা থাকবে। এবং লাইনে যাতে না দাঁড়াতে হয়, তার ব্যবস্থা করা হবে।”

জানা গেছে, পূর্ব বর্ধমান জেলায় শতায়ু ভোটার মোট ১১৭ জন, যারা এই লোকসভা ভোটে ভোট দেবেন। খন্ডঘোষ বিধানসভায় এলাকায় ১০০ বছরের উর্দ্ধের ভোটার রয়েছেন ৫ জন। বর্ধমান দক্ষিণে ৩ জন, রায়নায় ৫ জন, জামালপুরে ১০ জন, মন্তেশ্বরে ২ জন, কালনায় ১৪ জন, মেমারিতে ২ জন, বর্ধমান উত্তরে ৮ জন, ভাতাড়ে ৪ জন,পূর্বস্থলী দক্ষিণে ২০ জন, পূর্বস্থলী উত্তরে ১০ জন, কাটোয়ায় ১২ জন, কেতুগ্রামে ৩ জন, মঙ্গলকোটে ৫ জন, আউশগ্রামে ৭ জন ও গলসিতে মোট ৭ জন। এছাড়াও পশ্চিম বর্ধমান জেলায় ১৯ জন ১০০ বছরের উর্দ্ধের ভোটার আছেন।

Leave a Reply

avatar
  Subscribe  
Notify of