বিজ্ঞাপনের জন্য আমাদের সঙ্গে যোগাযোগের মাধ্যম : amaderbharatdesk@gmail.com    ১৯শেই সাফ তৃণমূল : মোদী।    চিটফান্ড কেলেঙ্কারিতে জেলে যাবেন পার্থ : কৈলাশ বিজয়বর্গীয়    আমি বিজেপির ভয়ানক বিরোধী, কিন্তু এটা উকিলের চোখে ধরা পড়ছে মূর্তি টিএমসিপি ভেঙেছে : অরুণাভ ঘোষ।    মুখ্যমন্ত্রীর প্ররোচনায় নরসংহার শুরু করতে পারে তৃণমূল, রাজ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের দাবি বিজেপির।    তৃণমূল বিদ্যাসাগরের মূর্তি যে ভেঙ্গেছে সেখানে পঞ্চ ধাতুর মূর্তি বানিয়ে দেব : ঘোষণা মোদীর।    সারদা নরদা নিয়ে বড় বড় কথা আর চিটফান্ডের মালিকের মাঠে সভা করছে প্রধানমন্ত্রী : মমতা।    কমিশনের নির্দেশ অমান্য ! স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকে গরহাজির রাজীব কুমার।    এবার লালবাজারে ডাকা হতে পারেন অমিত শাহকে!    ক্ষুব্ধ ঝাড়গ্রামের নীরব অপেক্ষা ফলাফলের জন্য।    “নারী শিক্ষার দিশারীকে ভূ-লুন্ঠিত হতে হল বাঙালীদের হাতে, এর থেকে লজ্জা কি আছে?”: ক্ষোভ বীরসিংহবাসীর।    রানাঘাটের মত নিশ্চিত আসনেও সিঁদুরে মেঘ দেখছে তৃণমূল।    মহামিছিল করে ভাটপাড়ায় প্রচার শেষ করতে চান মদন।    আজ আপনার কেমন যাবে জেনে নিন।    নির্বাচনের আগে ভোট পরিস্থিতি খতিয়ে দেখলেন বিশেষ পুলিশ পর্যবেক্ষক বিবেক দুবে।


অতিরিক্ত ঘামলে হতে পারে বিপদ!

আমাদের ভারত ডেস্ক, ১৩ মার্চ: অতিরিক্ত ঘাম কোনো জটিল সমস্যা নয়। তবে এতে বিপত্তিটা হয় তখন যখন অতিরিক্ত ঘামের কারনে হাতের তালু, পায়ের পাতা কিংবা বগল ঘেমে থাকে। কারো কারো শীতকালে,আবার কারো অতিরিক্ত দুশ্চিন্তার সময় হাত-পা ঘামে। এছাড়াও আরো বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়তে হয় যখন পা ঘেমে যাওয়ার কারণে সৃষ্টি হয় দুর্গন্ধ। চিকিৎসা বিজ্ঞানে এর নির্দিষ্ট কোনো চিকিৎসা নেই তবে কিছু নিয়মের মধ্যে চললে বিপত্তিকর পরিস্থিতি থেকে আপনি রক্ষা পেতে পারেন।

হাত-পা ঘামা যদিও কোনো রোগ নয়। তবে বংশগতভাবে থাকা শারীরিক কিছু সমস্যা, শরীরের ভেতরের ভারসাম্যহীনতা, মানসিক চাপ, দুশ্চিন্তা প্রভৃতি কারণে হতে পারে। হাত-পা ঘামার প্রাথমিক কারণ হিসেবে তেমন কিছু পাওয়া যায়নি। তবে অতিরিক্ত স্নায়বিক উত্তেজনার কারণেও ঘাম হয়ে থাকে।

এ ছাড়া আরও নানা কারণে হাত-পা ঘেমে থাকে। যেমন পারকিনসন্স ডিজিজ, থাইরয়েডে সমস্যা, ডায়বেটিস, জ্বর, শরীরে গ্লুকোজের স্বল্পতা, মেনোপোজেজ প্রভৃতি। অনেক সময় শরীরে ভিটামিনের অভাব থাকলে হাত-পা অতিরিক্ত ঘামতে পারে।

কিছু নিয়ম মেনে চললেই আপনার হাত-পা ঘামা রোধ করা সম্ভবঃ

১। পা সব সময় পরিষ্কার রাখুন।

২। বাইরে থেকে এসেই পা ধুয়ে ফেলুন। এক্ষেত্রে শ্যাম্পু ব্যবহার করতে পারেন। পা ধোয়ার পর শুকনো তোয়ালে দিয়ে পা মুছে ফেলুন।

৩। মোজা প্রতিদিন ধুয়ে দিন। ধোয়ার পর ভালো মতো শুকিয়ে তারপর ব্যবহার করুন।

৪। নিয়মিত জুতা পরিষ্কার রাখুন।

৫। চাইলে জুতায় মাঝে মধ্যে পাউডার দিয়ে রাখতে পারেন।

৬। মাঝে মধ্যে জুতো রোদে দিয়ে ভালোভাবে শুকিয়ে নিন।সম্ভব হলে কয়েক জোড়া জুতা এবং মোজা ব্যবহার করুন।

৭। আজকাল বানিজ্যিক ভিত্তিতে কিছু পায়ের দূর্গন্ধ নিরোধক পাউডার পাওয়া যায়, এগুলো ব্যবহার করতে পারেন।

৮। সুতি মোজা ব্যবহার করলে ভালো কারণ সুতি মোজা ঘাম শুষে নেয়।

এজন্য কোন ওষুধ খাবার দরকার হয়না।তবে যদি শীত-গ্রীষ্ম যেকোন ঋতুতে হাত-পা ঘামতে থাকে তাহলে হরমোন বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিতে হবে।

Leave a Reply

avatar
  Subscribe  
Notify of