আর্জেন্টিনাকে দ্বিতীয় রাউন্ডে যেতে হলে যা যা করতে হবে।    ২০১৯-এ তিনশোর বেশি আসন পাবে বিজেপি!    নির্বংশ তৃণমূলে ২০১৯ এর পর বাতি দেওয়ার লোক থাকবে না : রাহুল সিনহা।    উস্কানিমূলক মন্তব্য ! সায়ন্তন বসুর বিরুদ্ধে মামলা রুজু করলো পুলিশ।    রাজ্য সরকারের নয়, কেন্দ্রের নিরাপত্তা রক্ষী নিতেই ইচ্ছুক মুকুল রায়।    আগেরবারের মত এবারেও শেষ মুহূর্তে বাতিল মুখ‍্যমন্ত্রীর চিন সফর, তবে কারণটা অদ্ভুত।     কোচবিহারে এলে দিলীপ ঘোষকে সাগরদিঘীর জলে দাঁড় করিয়ে রাখার হুঁশিয়ারি মন্ত্রী রবীন্দ্রনাথ ঘোষের।    তৃণমূল কংগ্রেস যে-ভাষা বোঝে আমরাও সেই ভাষায় বোঝাব : আবদুল মান্নান।    বধূ নির্যাতনের শিকার খোদ আলিপুরের মহিলা আইনজীবী ! গ্রেফতার স্বামী।    ২০১৯ সালে তৃণমূল দল আর বাংলায় থাকবে না : মুকুল রায়।    ঘি এর নামে কি খাচ্ছেন আপনারা ? জানতে দেখুন।     আপনার এ সপ্তাহ কেমন যাবে জেনে নিন আমাদের সাপ্তাহিক রাশিফল থেকে।
BREAKING NEWS:
  • আজকের বিশ্বকাপ ফুটবলের ফলাফল
  • ৬টার খেলায় ব্রাজিল- ২কোস্টারিকা_0
  • ৯টায় নাইজেরিয়া-২ আইসল্যান্ড-০
  • রাত ১২ টায় সার্বিয়া-১সুইজারল্যান্ড-২
{"effect":"slide-h","fontstyle":"normal","autoplay":"true","timer":4000}


রাজ্যে ৫০ হাজার নায্যমূল্যের ওষুধের দোকান, নজরদারিতে মাত্র ৩১ জন!

আমাদের ভারত, কলকাতা, ১৩ মার্চ: রাজ্যে আনুমানিক ৫০ হাজার নায্য মূল্যের
ওষুধের দোকান। কিন্তু সেখানে কোথাও মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ বিক্রি হচ্ছে কি না, তা দেখার মতো ইন্সপেক্টর কই? ইঞ্জেকশনের নমুনা সংগ্রহ করে গুণগত মান যাচাই করার জন্য ল্যাবরেটরিতে পাঠানোরই বা লোক কোথায়? প্রেসক্রিপশন ছাড়াই নেশা করার কাফ সিরাপ বিক্রি, খাতায় লিখে নিয়ম মেনে নির্দিষ্ট সিডিউলের ওষুধ বেচা হচ্ছে কি না, লোক কই তা দেখার! সবচেয়ে মারাত্মক হল, রাজ্যের সঙ্গে বাংলাদেশ, নেপাল, ভুটান সহ প্রতিবেশী দেশগুলির লম্বা সীমানায় ফেনসিডিল, কোরেক্সের মতো নারকোটিক ড্রাগের কয়েক হাজার কোটি টাকার বেআইনি ব্যবসার দিকে বা নজরদারি করার মতো পর্যাপ্ত লোকজনও নেই।
রাজ্য স্বাস্থ্যদপ্তরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শাখা ড্রাগ কন্ট্রোলের তাই বর্তমানে হাত-পা-কোমর ভাঙা শয্যাশায়ী অবস্থা! ড্রাগ কন্ট্রোলের ডিরেক্টর থেকে ইন্সপেক্টর সর্বত্রই যে নেই আর নেই। কত লোক দিয়ে রাজ্যের ৫০ হাজার ওষুধের দোকান পরিদর্শন করা হচ্ছে, শুনলে যে কেউ ভিরমি খাবেন! ইন্সপেক্টর পদে ৯০টি অনুমোদিত পদে কেউ নেই। ৯০টি বর্তমানে শূন্যপদ। সিনিয়র ইন্সপেক্টর পদে অনুমোদিত ৫০টি পদের মধ্যে রয়েছেন ৩১ জন। স্বাস্থ্যদপ্তরের অধীনস্থ রাজ্য সরকারি ওষুধ পরীক্ষা কেন্দ্রের অধিকর্তা তথা অতিরিক্ত অধিকর্তা ডাঃ স্বপন মণ্ডলকে বর্তমানে ড্রাগ কন্ট্রোলারের অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। ডাঃ চিন্তামণি ঘোষ চলে যাওয়ার পর থেকে আজও সে পদে স্থায়ী অধিকর্তাকে বসাতে পারেনি রাজ্য। উপ অধিকর্তা পদে অনুমোদিত পদের সংখ্যা ছ’টি। আছেন তিন জন। সহকারী অধিকর্তা পদে থাকার কথা ৩৫ জন অফিসারের। সেখানে আছেন ৩০ জন। ওষুধের দোকান, ব্লাড ব্যাঙ্ক, ফ্যাক্টরি, বড় বড় পাইকারি বাজার— ১৪০ জনের জায়গায় ৩১ জন ইন্সপেক্টর থাকায় সব জায়গাতে নজরদারি তলানিতে ঠেকেছে। ৩১ জন নজরদারি চালাচ্ছেন ৫০ হাজার ওষুধের দোকানে। মানে গড়ে একজন ইন্সপেক্টরকে নজর দিতে হচ্ছে ১৬১২ ওষুধের দোকানে!
এমন একটি পরিস্থিতিতে ড্যামেজ কন্ট্রোলে ৮৮ জন ইন্সপেক্টর নিয়োগের বিজ্ঞাপন দিয়েছিল ওয়েস্টবেঙ্গল হেলথ রিক্রুটমেন্ট বোর্ড। ২০১৭ সালে তার ইন্টারভিউ শেষে নির্বাচিত চাকুরিপ্রার্থীদের কাছে চিঠিও চলে যায়। কিন্তু, নিয়োগের সময় গণ্ডগোল হয়েছে— এই অভিযোগে আদালতে চলে যান কয়েকজন চাকরিপ্রার্থী। ফলে অবস্থা আরও খারাপ হয়েছে।
শূন্যপদের জন্য কাজ কারবার শিকেয় উঠতে চলা এই পরিস্থিতি নিয়ে ড্রাগ কন্ট্রোলের কার্যনিবাহী অধিকর্তা ডাঃ মণ্ডলকে প্রশ্ন করা হয়। বলেন, পরে কথা বলব। এখন ব্যস্ত আছি। স্বাস্থ্য দপ্তরের অন্যতম সচিব (ওষুধ, পরিবহণ ও যন্ত্রপাতি) দেবাশিস বসু বলেন, ইন্সপেক্টর নিয়োগ সম্পর্কিত একটি মামলা হয়েছে। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়ে দ্রুত সমস্যা নিরসনের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। স্বাস্থ্য অধিকর্তা ডাঃ অজয় চক্রবর্তী বলেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখছি।

loading...

Leave a Reply

Be the First to Comment!

avatar
  Subscribe  
Notify of