যেকোন রকম বিজ্ঞাপনের জন্য আমাদের সঙ্গে যোগাযোগের মাধ্যম : amaderbharatdesk@gmail.com    তেলেঙ্গানায় ক্ষমতায় আসতে চন্দ্রশেখরকে সমর্থনের প্রস্তাব বিজেপির, শর্ত একটাই ত্যাগ করতে হবে ওয়াইসিকে।    অধ্যাদেশ জারি করে রাম মন্দির নির্মাণের দাবিতে গেরুয়া স্রোত রাজধানীতে।    “সংখ্যালঘু ভোটের জন্য হিন্দু বিদ্বেষী বাংলাদেশি ধর্মগুরুকে সভা করার অনুমতি দিয়েছে রাজ্য”: দিলীপ।    প্রাক্তন কেএলও লিঙ্কম্যানদের তৃণমূলে যোগদান।    কেন চোলাই নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না? মন্ত্রিসভার বৈঠকে ক্ষুব্ধ মমতা।    লোকসভার আগে রাজ্যে ৭ হাজার নতুন শিক্ষক পদে নিয়োগ সরকারের।    “বিজেপির রাজ্য গুজরাট, বিহারে মদ নিষিদ্ধ তবে এই বাংলায় কেন তা হচ্ছে না “: মুকুল।    ভুয়ো কল সেন্টার খুলে বিদেশে কোটি টাকার প্রতারণা, পাকড়াও ৪ যুবক।    “শাসক দলের রক্তক্ষয়ী রাজনীতি”: নদিয়ায় বিজেপির রক্তদান শিবির।    আইনজীবী খুনের ঘটনাতেও উঠে আসছে পরকীয়া তত্ত্ব, আটক স্ত্রী।    রোগীমৃত্যুর জেরে বাঙুর হাসপাতালে ভাঙচুর, মারধর চিকিৎসকদের, আটক ৮।    বাড়ি থেকে সংগ্রহশালা, পরিবর্তন হতে চলেছে রাজ কাপুরের জন্মভিটে।    আজ আপনার কেমন যাবে জেনে নিন।    বিয়ের পর প্রথম দীপিকা প্রসঙ্গে মুখ খুললেল রণবীর।


রাজ্যে ৫০ হাজার নায্যমূল্যের ওষুধের দোকান, নজরদারিতে মাত্র ৩১ জন!

আমাদের ভারত, কলকাতা, ১৩ মার্চ: রাজ্যে আনুমানিক ৫০ হাজার নায্য মূল্যের
ওষুধের দোকান। কিন্তু সেখানে কোথাও মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ বিক্রি হচ্ছে কি না, তা দেখার মতো ইন্সপেক্টর কই? ইঞ্জেকশনের নমুনা সংগ্রহ করে গুণগত মান যাচাই করার জন্য ল্যাবরেটরিতে পাঠানোরই বা লোক কোথায়? প্রেসক্রিপশন ছাড়াই নেশা করার কাফ সিরাপ বিক্রি, খাতায় লিখে নিয়ম মেনে নির্দিষ্ট সিডিউলের ওষুধ বেচা হচ্ছে কি না, লোক কই তা দেখার! সবচেয়ে মারাত্মক হল, রাজ্যের সঙ্গে বাংলাদেশ, নেপাল, ভুটান সহ প্রতিবেশী দেশগুলির লম্বা সীমানায় ফেনসিডিল, কোরেক্সের মতো নারকোটিক ড্রাগের কয়েক হাজার কোটি টাকার বেআইনি ব্যবসার দিকে বা নজরদারি করার মতো পর্যাপ্ত লোকজনও নেই।
রাজ্য স্বাস্থ্যদপ্তরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শাখা ড্রাগ কন্ট্রোলের তাই বর্তমানে হাত-পা-কোমর ভাঙা শয্যাশায়ী অবস্থা! ড্রাগ কন্ট্রোলের ডিরেক্টর থেকে ইন্সপেক্টর সর্বত্রই যে নেই আর নেই। কত লোক দিয়ে রাজ্যের ৫০ হাজার ওষুধের দোকান পরিদর্শন করা হচ্ছে, শুনলে যে কেউ ভিরমি খাবেন! ইন্সপেক্টর পদে ৯০টি অনুমোদিত পদে কেউ নেই। ৯০টি বর্তমানে শূন্যপদ। সিনিয়র ইন্সপেক্টর পদে অনুমোদিত ৫০টি পদের মধ্যে রয়েছেন ৩১ জন। স্বাস্থ্যদপ্তরের অধীনস্থ রাজ্য সরকারি ওষুধ পরীক্ষা কেন্দ্রের অধিকর্তা তথা অতিরিক্ত অধিকর্তা ডাঃ স্বপন মণ্ডলকে বর্তমানে ড্রাগ কন্ট্রোলারের অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। ডাঃ চিন্তামণি ঘোষ চলে যাওয়ার পর থেকে আজও সে পদে স্থায়ী অধিকর্তাকে বসাতে পারেনি রাজ্য। উপ অধিকর্তা পদে অনুমোদিত পদের সংখ্যা ছ’টি। আছেন তিন জন। সহকারী অধিকর্তা পদে থাকার কথা ৩৫ জন অফিসারের। সেখানে আছেন ৩০ জন। ওষুধের দোকান, ব্লাড ব্যাঙ্ক, ফ্যাক্টরি, বড় বড় পাইকারি বাজার— ১৪০ জনের জায়গায় ৩১ জন ইন্সপেক্টর থাকায় সব জায়গাতে নজরদারি তলানিতে ঠেকেছে। ৩১ জন নজরদারি চালাচ্ছেন ৫০ হাজার ওষুধের দোকানে। মানে গড়ে একজন ইন্সপেক্টরকে নজর দিতে হচ্ছে ১৬১২ ওষুধের দোকানে!
এমন একটি পরিস্থিতিতে ড্যামেজ কন্ট্রোলে ৮৮ জন ইন্সপেক্টর নিয়োগের বিজ্ঞাপন দিয়েছিল ওয়েস্টবেঙ্গল হেলথ রিক্রুটমেন্ট বোর্ড। ২০১৭ সালে তার ইন্টারভিউ শেষে নির্বাচিত চাকুরিপ্রার্থীদের কাছে চিঠিও চলে যায়। কিন্তু, নিয়োগের সময় গণ্ডগোল হয়েছে— এই অভিযোগে আদালতে চলে যান কয়েকজন চাকরিপ্রার্থী। ফলে অবস্থা আরও খারাপ হয়েছে।
শূন্যপদের জন্য কাজ কারবার শিকেয় উঠতে চলা এই পরিস্থিতি নিয়ে ড্রাগ কন্ট্রোলের কার্যনিবাহী অধিকর্তা ডাঃ মণ্ডলকে প্রশ্ন করা হয়। বলেন, পরে কথা বলব। এখন ব্যস্ত আছি। স্বাস্থ্য দপ্তরের অন্যতম সচিব (ওষুধ, পরিবহণ ও যন্ত্রপাতি) দেবাশিস বসু বলেন, ইন্সপেক্টর নিয়োগ সম্পর্কিত একটি মামলা হয়েছে। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়ে দ্রুত সমস্যা নিরসনের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। স্বাস্থ্য অধিকর্তা ডাঃ অজয় চক্রবর্তী বলেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখছি।

Leave a Reply

avatar
  Subscribe  
Notify of