বিজ্ঞাপনের জন্য আমাদের সঙ্গে যোগাযোগের মাধ্যম : amaderbharatdesk@gmail.com    ১৯শেই সাফ তৃণমূল : মোদী।    চিটফান্ড কেলেঙ্কারিতে জেলে যাবেন পার্থ : কৈলাশ বিজয়বর্গীয়    আমি বিজেপির ভয়ানক বিরোধী, কিন্তু এটা উকিলের চোখে ধরা পড়ছে মূর্তি টিএমসিপি ভেঙেছে : অরুণাভ ঘোষ।    মুখ্যমন্ত্রীর প্ররোচনায় নরসংহার শুরু করতে পারে তৃণমূল, রাজ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের দাবি বিজেপির।    তৃণমূল বিদ্যাসাগরের মূর্তি যে ভেঙ্গেছে সেখানে পঞ্চ ধাতুর মূর্তি বানিয়ে দেব : ঘোষণা মোদীর।    সারদা নরদা নিয়ে বড় বড় কথা আর চিটফান্ডের মালিকের মাঠে সভা করছে প্রধানমন্ত্রী : মমতা।    কমিশনের নির্দেশ অমান্য ! স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকে গরহাজির রাজীব কুমার।    এবার লালবাজারে ডাকা হতে পারেন অমিত শাহকে!    ক্ষুব্ধ ঝাড়গ্রামের নীরব অপেক্ষা ফলাফলের জন্য।    “নারী শিক্ষার দিশারীকে ভূ-লুন্ঠিত হতে হল বাঙালীদের হাতে, এর থেকে লজ্জা কি আছে?”: ক্ষোভ বীরসিংহবাসীর।    রানাঘাটের মত নিশ্চিত আসনেও সিঁদুরে মেঘ দেখছে তৃণমূল।    মহামিছিল করে ভাটপাড়ায় প্রচার শেষ করতে চান মদন।    আজ আপনার কেমন যাবে জেনে নিন।    নির্বাচনের আগে ভোট পরিস্থিতি খতিয়ে দেখলেন বিশেষ পুলিশ পর্যবেক্ষক বিবেক দুবে।


বড়সড় জঙ্গি হানার আশঙ্কায় সন্দেহজনক ২৬ জন মুসলিম ধর্মগুরুর উপর নজরদারি গোয়েন্দাদের

আমাদের ভারত ডেস্ক, ১১ মে: কেরালা তামিলনাড়ুর প্রায় ২৬ জন সন্দেহভাজন মুসলিম ধর্ম গুরুর উপর নজরদারি শুরু করল প্রশাসন। শ্রীলঙ্কায় আইএস হানার পরই দুই রাজ্যকে সতর্ক করে গোয়েন্দারা। জানা গেছে, শ্রীলঙ্কায় ধারাবাহিক বিস্ফোরণের মাস্টার মাইন্ডের সাথে এই ধর্মগুদের ভালো যোগাযোগ রয়েছে। এটা জানার পরই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে ওই দুই রাজ্যের প্রশাসন।

সন্দেহভাজন ২৬ জন মুসলিম ধর্মগুরুর গতিবিধির ওপর ইতিমধ্যেই নজর রাখতে শুরু করেছে গোয়েন্দারা। এরা কখন, কোথায়, কার সঙ্গে যাচ্ছেন, কথা বলছেন ইত্যাদি প্রতিটি বিষয়ের সমস্ত মুহূর্তের খবর রাখছেন গোয়েন্দারা।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, গোয়েন্দাদের নজরদারিতে থাকা দুই রাজ্যের ২৬ জন মুসলিম ধর্ম গুরুর বিরুদ্ধে বেশ কয়েকবার উত্তেজক ভাষণ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। উস্কানিমূলক বার্তার মাধ্যমে সমাজে বিরূপ বার্তা ছড়ানোর অভিযোগ রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে। গোয়েন্দা সূত্রে খবর, এদের টার্গেট যুব সমাজ। তাদের মগজ ধোলাই করছে এরা। যুব সমাজের কাছে জিহাদকে ধর্মযুদ্ধের আখ্যা দিয়ে এই ধর্মগুরুরা জঙ্গিগোষ্ঠীগুলোর সাথে যুক্ত হতে উৎসাহিত করছে।

জানা গেছে, ইতিমধ্যে কেরলে তামিলনাড়ুতে একাধিক মাদ্রাসা ও ইসলামিক শিক্ষাকেন্দ্র গড়ে তুলেছে ধর্মগুরুরা। আর সেখানেই চলছে মগজ ধোলাইয়ের কাজ। সেখান থেকে আল কায়েদা ও আইএস জঙ্গি সংগঠনে যোগ দেওয়ার জন্য যুবকদের পাঠানো হচ্ছে ইরাক, ইরান ও আফগানিস্তানে। গোয়েন্দাদের কাছে খবর, শ্রীলঙ্কা বিস্ফোরণের আগে থেকেই দক্ষিণ ভারতে তাদের জাল বিস্তার শুরু করেছে জঙ্গিরা। দক্ষিণ ভারতের বহু যুবককে আইএসে যোগ দেওয়ার খবর মিলেছে। এছাড়া উত্তর ভারতের কাশ্মীর সহ উত্তর প্রদেশ, দিল্লিতে অভিযান চালিয়ে বহু আইএস জঙ্গি ও সন্দেহভাজনকে গ্রেপ্তার করেছে এনআইএ।

শ্রীলংকার বিস্ফোরণের পর পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশে হামলার হুঁশিয়ারি দিয়েছে। আইএসআইএস প্রধান বাগদাদীকেও একেবারে ক্যামেরার সামনে বসে স্বমহিমায় হুঁশিয়ারি দিতে দেখা গেছে।

গোয়েন্দারা জানিয়েছে, শ্রীলঙ্কা বিস্ফোরণের মাস্টার মাইন্ড আইএস জঙ্গি তথা মৌলবি বহুবার ভারতে এসেছে। কেরালা ও তামিলনাড়ুর ঐ সন্দেহভাজন মুসলিম ধর্মগুরুদের সঙ্গে তার ভাল রকম আলাপ ছিল। আর সেই কারণেই ওই ২৬ জন সন্দেহভাজন ধর্মগুরুকে নজরদারিতে রাখতে চেয়েছেন গোয়েন্দারা। তাদের অনুমান ভারতবর্ষে বড় কোনো নাশকতার পরিকল্পনা করছে এরা।

Leave a Reply

avatar
  Subscribe  
Notify of