বিজ্ঞাপনের জন্য আমাদের সঙ্গে যোগাযোগের মাধ্যম : amaderbharatdesk@gmail.com    “ওদেরকে শাস্তি দেওয়ার সময় এসে গেছে” কংগ্রেসকে তোপ যোগগুরু রামদেব বাবার।    রাত পোহালেই রাজ্যে দ্বিতীয় দফায় নির্বাচন।     দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি ও রায়গঞ্জ লোকসভা কেন্দ্রে হবে ভোটগ্রহণ।    “টাকার থলি নিয়ে রাস্তায় রাস্তায় ঘুরছে আরএসএসের দালালরা” অভিযোগ মমতার।    সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেলে ছয় মাসের মধ্যেই বিধানসভা ভোট করাব বললেন আলুয়ালিয়া।    ঝাঁটা হাতে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে এলাকা ছাড়া করার নিদান রাজ্যের মন্ত্রীর।    কান্দিতে অধীর গড়ে দাঁড়িয়ে কংগ্রেস ও বিজেপিকে তোপ মমতার।    নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য “ইউনিক কালার কোডিং” ব্যবস্থা।    আরও কড়া হল কমিশন, দুবের মাথায় বসল নতুন পর্যবেক্ষক।    অমিত, যোগীর জোড়া ফলায় মমতাকে ঘায়েলের চেষ্টা বিজেপির।    জয়ের প্রচারে আমতায় রাজনাথ সিং।    ঘাটালে একা কুম্ভ ভারতী।    আজ আপনার কেমন যাবে জেনে নিন।    ভোটের দিনগুলোয় কেন্দ্রীয় নেতাদের এনে কিস্তিমাত করতে কৌশল বিজেপির।


বাংলার লজ্জা! নাবালিকা বিবাহে শীর্ষে পশ্চিমবঙ্গ

আমাদের ভারত ডেস্ক, ৯ ফেব্রুয়ারি: এই পরিসংখ্যান বাংলার জন্য লজ্জার। নারী ও শিশু নির্যাতনের পরিসংখ্যানে পিছিয়ে ছিল না বাংলা। এবার সেই লজ্জাজনক পরিসংখ্যানে নতুন ভাবে যুক্ত হলো আরও একটা নতুন লজ্জা। নাবালিকা বিবাহে একেবারে সামনের সারিতে উঠে এলো পশ্চিমবঙ্গ। নাবালিকা বিবাহের হার ভারতবর্ষের মধ্যে পশ্চিমবঙ্গের সবচেয়ে বেশি।

রাজস্থান, উত্তরপ্রদেশ, বিহার, ঝাড়খন্ডের মত রাজ্যগুলি কে পিছনে ফেলে নাবালিকা মেয়েদের বিয়েতে দেশের মধ্যে শীর্ষে এইরাজ্য।

১৫-১৯ বছরের মেয়েদের বিয়ের সংখ্যার বিচারে অন্য সব রাজ্যের তুলনায় অনেকটা এগিয়ে পশ্চিমবঙ্গ। এই মুহূর্তে বাংলার ১৫-১৯ বছরের মধ্যে ২৫.৬ শতাংশ মেয়ের বিয়ে হয়ে যাচ্ছে।

মূলত উত্তর ভারতের রাজ্যগুলিতে বাল্য বিবাহ প্রথার ব্যাপকভাবে চলন ছিল। বেশ কিছু উপজাতির মধ্যেও বাল্য বিবাহের প্রচলন রয়েছে। কিন্তু ঐ রাজ্যগুলিতে শিক্ষার প্রসার ও আর্থিক স্বচ্ছলতা বাল্যবিবাহের হার কমিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছে বলে রিপোর্ট।

২০০৫-২০০৬ সালে নাবালিকা বিবাহের নিরিখে দেশের শীর্ষে ছিল বিহার। দ্বিতীয় স্থানে ছিল ঝারখান্ড। তৃতীয় স্থানে ছিল রাজস্থান। ১৬-১৯বছরের মেয়েদের বিহারে বিয়ে দেওয়ার হার ছিল৪৭.৮ শতাংশ। ঝাড়খন্ডে ছিল ৪৪.৭ শতাংশ। রাজস্থানে ছিল ৪০.৪ শতাংশ। বাংলা ছিল চতুর্থ স্থানে। এই রাজ্যে এই হার ছিল প্রায় ৩৪ শতাংশ।

তবে গত ১০ বছরে সার্বিকভাবে গোটা ভারতবর্ষে নাবালিকা বিবাহের হার কমেছে উত্তর প্রদেশ ও বিহারে। অবাক করা ফল লক্ষ্য করা গেছে বিহারে। এই মুহূর্তে বিহারে মাত্র ১৯.৭ শতাংশ নাবালিকার বিয়ে হয়। উত্তরপ্রদেশে নাবালিকা বিবাহের হার ৬.৪ শতাংশ। ঝাড়খন্ডে ১৭.৮ , রাজস্থানে ১৬.২। এদের সবাইকে পিছনে ফেলে পশ্চিমবঙ্গের নাবালিকা বিবাহের হার সবচেয়ে বেশি ( ২৫.৬ শতাংশ)।

অন্য রাজ্যগুলি যে হারে উন্নতি করেছে এ বিষয়ে বাংলা সেভাবে এগোতে পারেনি। ন্যাশনাল ফ্যামিলি হেলথ সার্ভে পরিসংখ্যানে এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।

জেলাভিত্তিক ফলেও শীর্ষে রয়েছে এ রাজ্যের জেলা মুর্শিদাবাদ। ৩৯.৯ শতাংশ নাবালিকার বিয়ে হয় এই জেলায়। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে গুজরাটের গান্ধীনগর। ৩৯.৩ শতাংশ। তৃতীয় স্থানে রয়েছে রাজস্থানের ভিলওয়ারা ৩৬.৪ শতাংশ।

শহরাঞ্চলে নাবালিকা বিবাহের প্রবণতা কম। মেয়েদের তাড়াতাড়ি বিয়ে দেওয়ার পেছনে আর্থিক অসচ্ছলতা ও অশিক্ষাই বেশিরভাগ ক্ষেত্রে দায়ী।

Leave a Reply

avatar
  Subscribe  
Notify of