যেকোন রকম বিজ্ঞাপনের জন্য আমাদের সঙ্গে যোগাযোগের মাধ্যম : amaderbharatdesk@gmail.com    তেলেঙ্গানায় ক্ষমতায় আসতে চন্দ্রশেখরকে সমর্থনের প্রস্তাব বিজেপির, শর্ত একটাই ত্যাগ করতে হবে ওয়াইসিকে।    অধ্যাদেশ জারি করে রাম মন্দির নির্মাণের দাবিতে গেরুয়া স্রোত রাজধানীতে।    “সংখ্যালঘু ভোটের জন্য হিন্দু বিদ্বেষী বাংলাদেশি ধর্মগুরুকে সভা করার অনুমতি দিয়েছে রাজ্য”: দিলীপ।    প্রাক্তন কেএলও লিঙ্কম্যানদের তৃণমূলে যোগদান।    কেন চোলাই নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না? মন্ত্রিসভার বৈঠকে ক্ষুব্ধ মমতা।    লোকসভার আগে রাজ্যে ৭ হাজার নতুন শিক্ষক পদে নিয়োগ সরকারের।    “বিজেপির রাজ্য গুজরাট, বিহারে মদ নিষিদ্ধ তবে এই বাংলায় কেন তা হচ্ছে না “: মুকুল।    ভুয়ো কল সেন্টার খুলে বিদেশে কোটি টাকার প্রতারণা, পাকড়াও ৪ যুবক।    “শাসক দলের রক্তক্ষয়ী রাজনীতি”: নদিয়ায় বিজেপির রক্তদান শিবির।    আইনজীবী খুনের ঘটনাতেও উঠে আসছে পরকীয়া তত্ত্ব, আটক স্ত্রী।    রোগীমৃত্যুর জেরে বাঙুর হাসপাতালে ভাঙচুর, মারধর চিকিৎসকদের, আটক ৮।    বাড়ি থেকে সংগ্রহশালা, পরিবর্তন হতে চলেছে রাজ কাপুরের জন্মভিটে।    আজ আপনার কেমন যাবে জেনে নিন।    বিয়ের পর প্রথম দীপিকা প্রসঙ্গে মুখ খুললেল রণবীর।


রাজ্যের জুনিয়র ডাক্তারদের উচ্চশিক্ষায় রাজ্য মেডিকেল কাউন্সেলিংয়ে বন্ডের সিদ্ধান্ত বহাল হাইকোর্টে

আমাদের ভারত, কলকাতা ১৪ সেপ্টেম্বর: রাজ্যের জুনিয়র ডাক্তারদের উচ্চশিক্ষায় এমডিএমএস ও পিজিডিপ্লোমার ক্ষেত্রে কলকাতা হাইকোর্টের সিঙ্গল বেঞ্চের সিদ্ধান্ত খারিজ করে রাজ্য মেডিকেল কাউন্সেলিয়ের বন্ডের সিদ্ধান্তকে বহাল রাখল কলকাতা হাইকোর্ট।

শুক্রবার প্রধান বিচারপতি জ্যোতির্ময় ভট্টাচার্য ও বিচারপতি অরিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চ আদালতের পর্যবেক্ষণে জানায়, ‘রাজ্যের এবিষয়ে আদালত হস্তক্ষেপ করতে পারে না।’

উল্লেখ্য, গ্রামের হাসপাতালে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক বাড়াতে ২০১৩ সালে প্রথমবার বন্ডের কথা বলেছিল রাজ্য সরকার। রাজ্য তার বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, এমডিএমএস বা পিজি ডিপ্লমা পাশ করলে চিকিৎসকে একবছর গ্রামে সরকারি হাসপাতালে পরিষেবা দিতে হবে। অন্যথায় ১০ লাখ টাকা বন্ড দিতে হবে। এর ঠিক এক বছরের মাথায়, ২০১৪ সালে রাজ্য সরকার নতুন করে বিজ্ঞপ্তি জারি করে সময় এবং টাকার পরিমাণ বাড়িয়ে দেয় এক্ষেত্রে এমডিএমএস-এ ২ বছরে ২০ লক্ষ টাকা ও পিজিডিপ্লোমায় ৩ বছর ও ৩০ লাখ টাকা করা হয়।

রাজ্যের এই বিজ্ঞপ্তিকে চ্যালেঞ্জ করে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন জুনিয়র ডাক্তারা। এই নির্দেশিকা নিয়ে ২০১৭ সালের ৩ নভেম্বর কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি আই পি মুখার্জি রাজ্যের নয়া বিজ্ঞপ্তিকে অযৌক্তিক ও অবৈধ বলে ২০১৪-র নির্দেশিকা খারিজ করে দেন। কিন্তু বিচারপতি আই পি মুখার্জির এই নির্দেশ না মানায় পুনরায় আদালত অবমাননার অভিযোগে হাইকোর্টে আসেন জুনিয়র ডাক্তাররা। এর প্রেক্ষিতে বিচারপতি মুখার্জি ২০১৭ র নভেম্বরের পর রাজ্য সরকারের জারি করা বিজ্ঞপ্তির উপর অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ জারি করেন। এদিন সেই নির্দেশ খারিজ করে দেয় ডিভিশন বেঞ্চ।

প্রধান বিচারপতি জ্যোতির্ময় ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চে এই মামলার শুনানিতে রাজ্যের তরফে অতিরিক্ত অ্যাডভোকেট জেনারেল অভ্রতোশ মজুমদার দাবি করেন, চিকিৎসকদের শিক্ষায় রাজ্য সরকারের অনেক অবদান রয়েছে এদের পেছনে শুধু এদের বাবা মাই খরচা করেননা। রাজ্যেরও অনেক ৩০-৫০ লক্ষ টাকা খরচ হয়। তারপরেও রাজ্য থেকে পাশ করার পর তারা চলে গেলে তাতে রাজ্যের ক্ষতি। মানুষের ওপর এর প্রভাব পড়ে। যেহেতু রাজ্যে চিকিৎসক কম তাই রাজ্যের স্বার্থে ‌এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

মামলাকারী চিকিৎসকদের তরফে আইনজীবী প্রতীক ধর ও দেবলিনা লাহিড়ী জানান, এতে গণতান্ত্রিক অধিকার কেড়ে নেওয়া হচ্ছে। এক জনের উচ্চশিক্ষার সুযোগ থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে। কে কোন প্রোফেশনে কাজ করবেন তা একান্তই তার ব্যক্তিগত ব্যাপার রাজ্য এব্যাপারে নাক গলাতে পারে না। তিনি আরও জানান, ন্যাশানাল এলিজিবিলিটি কাম এন্টান্স বা অভিন্ন প্রবেশিকা পরীক্ষায় সুযোগ পেয়ে দেশের বিভিন্ন রাজ্য সুযোগ পেয়ে পড়াশোনা করে। এক্ষেত্রে রাজ্য তাদের কে আটকে রাখতে পারে না।’

Leave a Reply

avatar
  Subscribe  
Notify of