যেকোন রকম বিজ্ঞাপনের জন্য আমাদের সঙ্গে যোগাযোগের মাধ্যম : amaderbharatdesk@gmail.com    তেলেঙ্গানায় ক্ষমতায় আসতে চন্দ্রশেখরকে সমর্থনের প্রস্তাব বিজেপির, শর্ত একটাই ত্যাগ করতে হবে ওয়াইসিকে।    অধ্যাদেশ জারি করে রাম মন্দির নির্মাণের দাবিতে গেরুয়া স্রোত রাজধানীতে।    “সংখ্যালঘু ভোটের জন্য হিন্দু বিদ্বেষী বাংলাদেশি ধর্মগুরুকে সভা করার অনুমতি দিয়েছে রাজ্য”: দিলীপ।    প্রাক্তন কেএলও লিঙ্কম্যানদের তৃণমূলে যোগদান।    কেন চোলাই নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না? মন্ত্রিসভার বৈঠকে ক্ষুব্ধ মমতা।    লোকসভার আগে রাজ্যে ৭ হাজার নতুন শিক্ষক পদে নিয়োগ সরকারের।    “বিজেপির রাজ্য গুজরাট, বিহারে মদ নিষিদ্ধ তবে এই বাংলায় কেন তা হচ্ছে না “: মুকুল।    ভুয়ো কল সেন্টার খুলে বিদেশে কোটি টাকার প্রতারণা, পাকড়াও ৪ যুবক।    “শাসক দলের রক্তক্ষয়ী রাজনীতি”: নদিয়ায় বিজেপির রক্তদান শিবির।    আইনজীবী খুনের ঘটনাতেও উঠে আসছে পরকীয়া তত্ত্ব, আটক স্ত্রী।    রোগীমৃত্যুর জেরে বাঙুর হাসপাতালে ভাঙচুর, মারধর চিকিৎসকদের, আটক ৮।    বাড়ি থেকে সংগ্রহশালা, পরিবর্তন হতে চলেছে রাজ কাপুরের জন্মভিটে।    আজ আপনার কেমন যাবে জেনে নিন।    বিয়ের পর প্রথম দীপিকা প্রসঙ্গে মুখ খুললেল রণবীর।


চিকিৎসকদের উচ্চশিক্ষায় ছাড়, ট্রাইবুনালের রায়কেই মান্যতা দিল কলকাতা হাইকোর্ট

আমাদের ভারত, কলকাতা, ১০ আগস্ট: উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে রাজ্যের কর্মরত চিকিৎসকদের স্পনসরশিপ সংক্রান্ত মামলায় স্যাটের রায়কেই মান্যতা দিল কলকাতা হাইকোর্ট।
শুক্রবার বিচারপতি দেবাশিস করগুপ্ত ও বিচারপতি শম্পা সরকারের ডিভিশন বেঞ্চ স্পষ্ট জানিয়ে দিল, ‘রাজ্যের কর্মরত চিকিৎসকদের উচ্চশিক্ষায় ক্ষেত্রে মামলাকারী চিকিৎসকদের সরকারি অনুদান দিয়ে উচ্চশিক্ষায় ছাড় দিতে হবে রাজ্যকে।’ পাশাপাশি আদালতের এই নির্দেশ দু সপ্তাহের মধ্যে রাজ্যকে কার্যকর করার নির্দেশ দিয়েছে ডিভিশন বেঞ্চ।
আদালতের পর্যবেক্ষণে ডিভিশন বেঞ্চ জানায়, রাজ্যের চিকিৎসকদের উচ্চশিক্ষার যদি নাই পাঠানো হয় তাহলে তাহলে সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল হবে কিভাবে!’

উল্লেখ্য, রাজ্যের বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালে প্রতিবছর কর্মরত চিকিৎসকদের ১০ শতাংশকে উচ্চশিক্ষার জন্য ছাড়ার নিয়ম রয়েছে রাজ্যের। তাদের দেওয়া হয় রাজ্যের অনুদানও। কিন্তু অভিযোগ, ‘চলতি বছরের প্রায় ৬০০ জনকে প্রবেশিকা পরীক্ষায় বসার জন্য রাজ্য সরকার অনুমতি দিলেও পাশ করার পরে শতাধিক চিকিৎসককে স্পন্সরশিপ দিচ্ছে না রাজ্য। ১৯৬ জনকে স্পন্সরশিপ দিলেও বাকি চিকিৎসকরা স্পন্সরশিপ পাচ্ছেন না।’

তাই প্রবেশিকা পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ১০৫ জন চিকিৎসক স্পনসরশিপ অর্থাৎ অনুদানের আবেদনে স্যাট অর্থাৎ স্টেট অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ ট্রাইব্যুনালের দ্বারস্থ হন। তাদের আবেদনকে মান্যতাও দেয় স্যাট।
কিন্তু স্যাটের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয় রাজ্য। বিচারপতি দেবাশিস করগুপ্তের ডিভিশন বেঞ্চে মামলার শুনানিতে রাজ্যের তরফে কৌঁসুলি অমিতেষ বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, ‘এত চিকিৎসক এক সঙ্গে ছাড়লে রাজ্যের হাসপাতালগুলো চালানো মুসকিল হয়ে যাবে। এমনিতেই রাজ্যের রাজ্যের চিকিৎসা ব্যবস্থা অনুন্নত।’ পাল্টা চিকিৎসকদের তরফেও দাবি করা হয়, ‘নিয়ম সত্ত্বেও চিকিৎসকদের উচ্চশিক্ষা থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে। স্বাস্থ্য দফতর তাদের প্রবেশিকা পরীক্ষার অনুমতি দিলেও তাদের স্পনসরশিপ দেওয়া হচ্ছে না।

Leave a Reply

avatar
  Subscribe  
Notify of