যেকোন রকম বিজ্ঞাপনের জন্য আমাদের সঙ্গে যোগাযোগের মাধ্যম : amaderbharatdesk@gmail.com    তেলেঙ্গানায় ক্ষমতায় আসতে চন্দ্রশেখরকে সমর্থনের প্রস্তাব বিজেপির, শর্ত একটাই ত্যাগ করতে হবে ওয়াইসিকে।    অধ্যাদেশ জারি করে রাম মন্দির নির্মাণের দাবিতে গেরুয়া স্রোত রাজধানীতে।    “সংখ্যালঘু ভোটের জন্য হিন্দু বিদ্বেষী বাংলাদেশি ধর্মগুরুকে সভা করার অনুমতি দিয়েছে রাজ্য”: দিলীপ।    প্রাক্তন কেএলও লিঙ্কম্যানদের তৃণমূলে যোগদান।    কেন চোলাই নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না? মন্ত্রিসভার বৈঠকে ক্ষুব্ধ মমতা।    লোকসভার আগে রাজ্যে ৭ হাজার নতুন শিক্ষক পদে নিয়োগ সরকারের।    “বিজেপির রাজ্য গুজরাট, বিহারে মদ নিষিদ্ধ তবে এই বাংলায় কেন তা হচ্ছে না “: মুকুল।    ভুয়ো কল সেন্টার খুলে বিদেশে কোটি টাকার প্রতারণা, পাকড়াও ৪ যুবক।    “শাসক দলের রক্তক্ষয়ী রাজনীতি”: নদিয়ায় বিজেপির রক্তদান শিবির।    আইনজীবী খুনের ঘটনাতেও উঠে আসছে পরকীয়া তত্ত্ব, আটক স্ত্রী।    রোগীমৃত্যুর জেরে বাঙুর হাসপাতালে ভাঙচুর, মারধর চিকিৎসকদের, আটক ৮।    বাড়ি থেকে সংগ্রহশালা, পরিবর্তন হতে চলেছে রাজ কাপুরের জন্মভিটে।    আজ আপনার কেমন যাবে জেনে নিন।    বিয়ের পর প্রথম দীপিকা প্রসঙ্গে মুখ খুললেল রণবীর।


বাংলাদেশে ওরা বারবার আক্রান্ত, ওদের কথা শোনার কেউ নেই

২৫ নভেম্বর, দিল্লি:

দিবাকর কুন্ডু:

বারেবারে আক্রান্ত হচ্ছে বাংলাদেশের হিন্দুরা। জনসংখ্যার নিরিখে দেখলে ১৯৭১- এ হিন্দু জনসংখ্যা ছিল ২৩.৫ শতাংশ, সেখানে আজ ২০১৭ তে নেমে প্রায় ৮ শতাংশ হয়েছে। কারণ খুঁজে দেখতে গেলে তার তালিকা বেশ লম্বা। জোরপূর্বক সম্পত্তি দখল থেকে শুরু করে ভয় দেখানো, ধর্মীয় পরিবর্তন, ধর্ষণ, মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো, হিন্দু ভাবাবেগে আঘাত আরও অনেক কিছুই আছে তালিকায়। বারেবারে আক্রান্ত হচ্ছে সে দেশের সংখ্যালঘুরা। ওরা  বিচারের অপেক্ষায় দিন গুনে চলেছে।

২০১৩ সালে পাবনার সাঁথিয়া উপজেলার বনগ্রাম বাজারের ধর্মীয় অবমাননার মিথ্যা অপপ্রচার করে ৫০-৬০ টি হিন্দু পরিবারের বাড়িতে অগ্নিসংযোগ এবং মন্দির ভাঙচুর, সম্পত্তি লুটপাটের ঘটনা ঘটেছিল। গত বছরের ব্রাহ্মণবেড়িয়ার ঘটনা এখনও সবার মনে আছে। যেখানে তিন শতাধিক হিন্দু ঘরবাড়ি জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছিল। এমন অনেক ঘটনা ক্রমাগত ঘটে চলেছে কিন্তু কোনও পরিবর্তন হয়নি।

পুনরায় গত ১০ নভেম্বর ঘটে গেল সেই একই ঘটনা। ফেসবুকের একটা মিথ্যা অপপ্রচার ঘিরে হঠাৎ আক্রান্ত হল রংপুরের পাগলাপীর গ্রামের হিন্দু পরিবার সমূহ। লুটপাট এবং আগুনে জ্বালিয়ে হল হিন্দুদের সম্পত্তি। ক্ষতিগ্রস্তদের কেউ কেউ বলছেন এদেশে হিন্দুদের জায়গা নেই, দেশটাকে হিন্দুশূন্য করার চক্রান্ত চলছে। এই অভিযোগ কোনও ভাবেই মিথ্যা নয়। তথ্য বলছে, যেভাবে হিন্দুদের সংখ্যা কমে আসছে তাতে প্রতিদিন গড়ে ৬০০-৬৫০ হিন্দু পরিবার কমে চলেছে। এভাবে চলতে থাকলে ভবিষ্যতে হয়ত এটাই অনিবার্য হবে।

ওরা সত্যিই অসহায়। ওদের ওপরে আক্রমণের জন্য প্রতিবাদ বা আন্দোলন করার কেউ নেই। তাই ওরা বিচারের আশায় বসে থাকে কিন্তু পায় না। ওদের সম্পত্তি লুট হলেও বা প্রতিমা বা মন্দির ভেঙে দেওয়া হলেও ওদের নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করতে হয়। বছরের পর বছর ধরে হিন্দু নির্যাতনের ঘটনা বেড়েই চলেছে। আজ রোহিঙ্গাদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য সবার প্রাণ কাঁদে কিন্তু এই অসহায়, পীড়িত হিন্দুদের জন্য সবাই নীরব। ধর্মের দোহাই দিয়ে আমাদের মানবিকতার বোধটুকু হারিয়ে যাচ্ছে না তো? প্রশ্নটা রয়ে গেল!

Leave a Reply

avatar
  Subscribe  
Notify of