১৩ শিশুর মৃত্যুর কারণ মোবাইল ফোন।    কাশ্মীরের মুখ‍্যমন্ত্রীকে জেহাদি বললেন কাঠুয়াকান্ডে অভিযুক্তদের আইনজীবী।    ১৪ মে বাংলায় পঞ্চায়েত নির্বাচন, ১৭ মে গণনা! অবশেষে দিন ঘোষণা নির্বাচন কমিশনের।    টিকিট দেয়নি দল, তৃণমূল ছেড়ে কংগ্রেসে যোগ দুবারের বিজয়ী লড়াকু প্রার্থীর।    ‘গণতন্ত্রকে বলি দিয়ে, সংবিধানকে কচু কাটা করে কী প্রয়োজন এই ভোটের?’ প্রশ্ন তুললেন প্রাক্তন বিচারপতি অশোক গঙ্গোপাধ্যায়।    পঞ্চায়েত ভোটে ‘বিজেপির জয়ের কলঙ্ক’ থেকে পশ্চিমবঙ্গকে মুক্ত রাখার ডাক বুদ্ধের।    চার্জ দেওয়া অবস্থায় মোবাইল ফোনে কথা বলতে গিয়ে মৃত্যু কিশোরের।     পঞ্চায়েত নির্বাচনের দিন ঘোষনা হওয়ার খুশি মুখ্যমন্ত্রী।    একদফা ভোট নিয়ে বিজেপির কোনও আপত্তি নেই।    অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের দাবিতে অবস্থানে বসবে বামেরা : বিমান বসু।    নারকেলডাঙার রাজাবাজারে মিলল ২০ হাজার কেজি ভাগাড়ের মাংস, শহর জুড়ে তল্লাশি।    আপনার এ সপ্তাহ কেমন যাবে জেনে নিন আমাদের সাপ্তাহিক রাশিফল থেকে।
BREAKING NEWS:
  • ভোটের দিন ঘোষনা হল।
  • সারা রাজ্যে 14 মে একদফায় ভোট।
  • ভোটে নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন বিরোধীদের।
  • পঞ্চায়েত ভোট গননা 17 মে।
{"effect":"slide-h","fontstyle":"normal","autoplay":"true","timer":4000}


বাংলাদেশে ওরা বারবার আক্রান্ত, ওদের কথা শোনার কেউ নেই

২৫ নভেম্বর, দিল্লি:

দিবাকর কুন্ডু:

বারেবারে আক্রান্ত হচ্ছে বাংলাদেশের হিন্দুরা। জনসংখ্যার নিরিখে দেখলে ১৯৭১- এ হিন্দু জনসংখ্যা ছিল ২৩.৫ শতাংশ, সেখানে আজ ২০১৭ তে নেমে প্রায় ৮ শতাংশ হয়েছে। কারণ খুঁজে দেখতে গেলে তার তালিকা বেশ লম্বা। জোরপূর্বক সম্পত্তি দখল থেকে শুরু করে ভয় দেখানো, ধর্মীয় পরিবর্তন, ধর্ষণ, মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো, হিন্দু ভাবাবেগে আঘাত আরও অনেক কিছুই আছে তালিকায়। বারেবারে আক্রান্ত হচ্ছে সে দেশের সংখ্যালঘুরা। ওরা  বিচারের অপেক্ষায় দিন গুনে চলেছে।

২০১৩ সালে পাবনার সাঁথিয়া উপজেলার বনগ্রাম বাজারের ধর্মীয় অবমাননার মিথ্যা অপপ্রচার করে ৫০-৬০ টি হিন্দু পরিবারের বাড়িতে অগ্নিসংযোগ এবং মন্দির ভাঙচুর, সম্পত্তি লুটপাটের ঘটনা ঘটেছিল। গত বছরের ব্রাহ্মণবেড়িয়ার ঘটনা এখনও সবার মনে আছে। যেখানে তিন শতাধিক হিন্দু ঘরবাড়ি জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছিল। এমন অনেক ঘটনা ক্রমাগত ঘটে চলেছে কিন্তু কোনও পরিবর্তন হয়নি।

পুনরায় গত ১০ নভেম্বর ঘটে গেল সেই একই ঘটনা। ফেসবুকের একটা মিথ্যা অপপ্রচার ঘিরে হঠাৎ আক্রান্ত হল রংপুরের পাগলাপীর গ্রামের হিন্দু পরিবার সমূহ। লুটপাট এবং আগুনে জ্বালিয়ে হল হিন্দুদের সম্পত্তি। ক্ষতিগ্রস্তদের কেউ কেউ বলছেন এদেশে হিন্দুদের জায়গা নেই, দেশটাকে হিন্দুশূন্য করার চক্রান্ত চলছে। এই অভিযোগ কোনও ভাবেই মিথ্যা নয়। তথ্য বলছে, যেভাবে হিন্দুদের সংখ্যা কমে আসছে তাতে প্রতিদিন গড়ে ৬০০-৬৫০ হিন্দু পরিবার কমে চলেছে। এভাবে চলতে থাকলে ভবিষ্যতে হয়ত এটাই অনিবার্য হবে।

ওরা সত্যিই অসহায়। ওদের ওপরে আক্রমণের জন্য প্রতিবাদ বা আন্দোলন করার কেউ নেই। তাই ওরা বিচারের আশায় বসে থাকে কিন্তু পায় না। ওদের সম্পত্তি লুট হলেও বা প্রতিমা বা মন্দির ভেঙে দেওয়া হলেও ওদের নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করতে হয়। বছরের পর বছর ধরে হিন্দু নির্যাতনের ঘটনা বেড়েই চলেছে। আজ রোহিঙ্গাদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য সবার প্রাণ কাঁদে কিন্তু এই অসহায়, পীড়িত হিন্দুদের জন্য সবাই নীরব। ধর্মের দোহাই দিয়ে আমাদের মানবিকতার বোধটুকু হারিয়ে যাচ্ছে না তো? প্রশ্নটা রয়ে গেল!

loading...

Leave a Reply

Be the First to Comment!

avatar
  Subscribe  
Notify of