বিশ্বকাপে ফুটবল মাঠে বরাবর‌ই স্বপ্রতিভ ছিলেন ক্রোট প্রসিডেন্ট।    ফরাসীদের বিশ্বকাপ জয়, আনন্দে মাতল চন্দননগর।    বিশ্বকাপের মহারণে মাঠে সাক্ষী থাকলেন মহারাজ।    সমুদ্রে মাছ ধরতে গিয়ে নিখোঁজ তিনটি ট্রলার সহ ১৯ মৎস্যজীবী।    মা মাটি মানুষের সরকার সিন্ডিকেটের ইচ্ছাতেই চলছে : মোদী।    কৃষকদের উন্নতির জন্য বিজেপির অাগে কেউ এত ভাবেনি : মোদী।    মেটিয়াবুরুজে দুর্ঘটনায় মৃত বাবা-মেয়ে, প্রতিবাদে ১০টি গাড়িতে ভাঙচুর ক্ষুব্ধ জনতার।    তৃণমূলের জুলুম থেকে আর কয়েক মাসের মধ্যেই মিলবে মুক্তি : মোদী।     হাতজোড় করে স্বাগত জানালেন মমতা! ধন্যবাদ জানালেন মোদী।    মোদীর সভায় চাঁদোয়া ভেঙ্গে অাহত ৩০।    পুলিশের বাধায় প্রধানমন্ত্রীর সভায় যেতে পারলেন না অনেকে, খড়্গপুরে বিজেপি কর্মীদের হাতে আক্রান্ত পুলিশ।    বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে কিশোরীকে ধর্ষণ, গ্রেপ্তার সিভিক ভলান্টিয়ার।    বজবজে ভাইস চেয়ারম্যান অনুগামীদের বিরুদ্ধে বিজেপি কর্মীদের মারধর,বাড়ি ভাঙ্গচুরের অভিযোগ।    আপনার দিনটি কেমন যাবে জেনে নিন আমাদের দৈনিক রাশিফল থেকে।    চিৎপুরের যাত্রাপাড়ায় বিশেষ গিমিক টেলিভিশন সিরিয়ালের জুটি।    মস্তিষ্কের পুষ্টিতে সুপ অপরিহার্য, বলছেন খাদ্য বিশেষজ্ঞরা।
BREAKING NEWS:
  • ২০১৮ বিশ্বকাপ ফুটবলে জয়ী ফ্রান্স।
  • ফাইনালে ফ্রান্স-৪ ক্রোয়েশিয়া-২
  • তৃতীয় স্থানের খেলায় বেলজিয়াম জয়ী
{"effect":"slide-h","fontstyle":"normal","autoplay":"true","timer":4000}


বাংলাদেশে ওরা বারবার আক্রান্ত, ওদের কথা শোনার কেউ নেই

২৫ নভেম্বর, দিল্লি:

দিবাকর কুন্ডু:

বারেবারে আক্রান্ত হচ্ছে বাংলাদেশের হিন্দুরা। জনসংখ্যার নিরিখে দেখলে ১৯৭১- এ হিন্দু জনসংখ্যা ছিল ২৩.৫ শতাংশ, সেখানে আজ ২০১৭ তে নেমে প্রায় ৮ শতাংশ হয়েছে। কারণ খুঁজে দেখতে গেলে তার তালিকা বেশ লম্বা। জোরপূর্বক সম্পত্তি দখল থেকে শুরু করে ভয় দেখানো, ধর্মীয় পরিবর্তন, ধর্ষণ, মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো, হিন্দু ভাবাবেগে আঘাত আরও অনেক কিছুই আছে তালিকায়। বারেবারে আক্রান্ত হচ্ছে সে দেশের সংখ্যালঘুরা। ওরা  বিচারের অপেক্ষায় দিন গুনে চলেছে।

২০১৩ সালে পাবনার সাঁথিয়া উপজেলার বনগ্রাম বাজারের ধর্মীয় অবমাননার মিথ্যা অপপ্রচার করে ৫০-৬০ টি হিন্দু পরিবারের বাড়িতে অগ্নিসংযোগ এবং মন্দির ভাঙচুর, সম্পত্তি লুটপাটের ঘটনা ঘটেছিল। গত বছরের ব্রাহ্মণবেড়িয়ার ঘটনা এখনও সবার মনে আছে। যেখানে তিন শতাধিক হিন্দু ঘরবাড়ি জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছিল। এমন অনেক ঘটনা ক্রমাগত ঘটে চলেছে কিন্তু কোনও পরিবর্তন হয়নি।

পুনরায় গত ১০ নভেম্বর ঘটে গেল সেই একই ঘটনা। ফেসবুকের একটা মিথ্যা অপপ্রচার ঘিরে হঠাৎ আক্রান্ত হল রংপুরের পাগলাপীর গ্রামের হিন্দু পরিবার সমূহ। লুটপাট এবং আগুনে জ্বালিয়ে হল হিন্দুদের সম্পত্তি। ক্ষতিগ্রস্তদের কেউ কেউ বলছেন এদেশে হিন্দুদের জায়গা নেই, দেশটাকে হিন্দুশূন্য করার চক্রান্ত চলছে। এই অভিযোগ কোনও ভাবেই মিথ্যা নয়। তথ্য বলছে, যেভাবে হিন্দুদের সংখ্যা কমে আসছে তাতে প্রতিদিন গড়ে ৬০০-৬৫০ হিন্দু পরিবার কমে চলেছে। এভাবে চলতে থাকলে ভবিষ্যতে হয়ত এটাই অনিবার্য হবে।

ওরা সত্যিই অসহায়। ওদের ওপরে আক্রমণের জন্য প্রতিবাদ বা আন্দোলন করার কেউ নেই। তাই ওরা বিচারের আশায় বসে থাকে কিন্তু পায় না। ওদের সম্পত্তি লুট হলেও বা প্রতিমা বা মন্দির ভেঙে দেওয়া হলেও ওদের নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করতে হয়। বছরের পর বছর ধরে হিন্দু নির্যাতনের ঘটনা বেড়েই চলেছে। আজ রোহিঙ্গাদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য সবার প্রাণ কাঁদে কিন্তু এই অসহায়, পীড়িত হিন্দুদের জন্য সবাই নীরব। ধর্মের দোহাই দিয়ে আমাদের মানবিকতার বোধটুকু হারিয়ে যাচ্ছে না তো? প্রশ্নটা রয়ে গেল!

loading...

Leave a Reply

Be the First to Comment!

avatar
  Subscribe  
Notify of