বিজ্ঞাপনের জন্য আমাদের সঙ্গে যোগাযোগের মাধ্যম : amaderbharatdesk@gmail.com    পাকিস্তানকে জবাব দিতে আরব সাগরে নামানো হলো আইএনএস বিক্রমাদিত্য ও নিউক্লিয়ার সাবমেরিন।    মুম্বই স্টেশনে ফুটব্রিজ ভেঙে হত ৫, আহত ৩০।    তৃণমূলে বড় ধাক্কা, বিজেপিতে যোগ দিলেন অর্জুন সিং।    বিজেপিই রাজ্যের ভবিষ্যৎ, তাই অনেকেই বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন : দিলীপ ঘোষ।    লড়বেন কী, ঘরেই বিড়ম্বনায় বিজেপির নতুন কৃষ্ণ-অর্জুন।    অর্জুন সিং দু’লক্ষের বেশি ভোটে হারবে দীনেশ ত্রিবেদির কাছে: অভিষেক।    বাংলার মানুষ উন্নয়ন দেখে ৪২ এ ৪২ উপহার দেবে : অপরূপা পোদ্দার।    প্রয়াত বিধায়ককে শ্রদ্ধা জানিয়ে রাজনীতির আঙিনায় সত্যজিত জায়া।     মুকুলের পথ ধরেই কি বিজেপিতে এবার ছেলে শুভ্রাংশু!    সমঝোতা না হলে রাজ্যে একাই লড়বে কংগ্রেস, সাফ জানালেন সোমেন মিত্র।    লোকসভা ভোটে বিপ্লব নয়, বালুরঘাটে অর্পিতার সেনাপতি হচ্ছে বাচ্চু ও শঙ্কর।    জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের বৈঠক এড়ালেন অর্জুন ঘনিষ্ঠ ২২ জন কাউন্সিলার।    আজ আপনার কেমন যাবে জেনে নিন।    বিদেশে বর্ণবিবাদের শিকার হলেন বলিউডের এই অভিনেত্রী!


বাংলাদেশে ওরা বারবার আক্রান্ত, ওদের কথা শোনার কেউ নেই

২৫ নভেম্বর, দিল্লি:

দিবাকর কুন্ডু:

বারেবারে আক্রান্ত হচ্ছে বাংলাদেশের হিন্দুরা। জনসংখ্যার নিরিখে দেখলে ১৯৭১- এ হিন্দু জনসংখ্যা ছিল ২৩.৫ শতাংশ, সেখানে আজ ২০১৭ তে নেমে প্রায় ৮ শতাংশ হয়েছে। কারণ খুঁজে দেখতে গেলে তার তালিকা বেশ লম্বা। জোরপূর্বক সম্পত্তি দখল থেকে শুরু করে ভয় দেখানো, ধর্মীয় পরিবর্তন, ধর্ষণ, মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো, হিন্দু ভাবাবেগে আঘাত আরও অনেক কিছুই আছে তালিকায়। বারেবারে আক্রান্ত হচ্ছে সে দেশের সংখ্যালঘুরা। ওরা  বিচারের অপেক্ষায় দিন গুনে চলেছে।

২০১৩ সালে পাবনার সাঁথিয়া উপজেলার বনগ্রাম বাজারের ধর্মীয় অবমাননার মিথ্যা অপপ্রচার করে ৫০-৬০ টি হিন্দু পরিবারের বাড়িতে অগ্নিসংযোগ এবং মন্দির ভাঙচুর, সম্পত্তি লুটপাটের ঘটনা ঘটেছিল। গত বছরের ব্রাহ্মণবেড়িয়ার ঘটনা এখনও সবার মনে আছে। যেখানে তিন শতাধিক হিন্দু ঘরবাড়ি জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছিল। এমন অনেক ঘটনা ক্রমাগত ঘটে চলেছে কিন্তু কোনও পরিবর্তন হয়নি।

পুনরায় গত ১০ নভেম্বর ঘটে গেল সেই একই ঘটনা। ফেসবুকের একটা মিথ্যা অপপ্রচার ঘিরে হঠাৎ আক্রান্ত হল রংপুরের পাগলাপীর গ্রামের হিন্দু পরিবার সমূহ। লুটপাট এবং আগুনে জ্বালিয়ে হল হিন্দুদের সম্পত্তি। ক্ষতিগ্রস্তদের কেউ কেউ বলছেন এদেশে হিন্দুদের জায়গা নেই, দেশটাকে হিন্দুশূন্য করার চক্রান্ত চলছে। এই অভিযোগ কোনও ভাবেই মিথ্যা নয়। তথ্য বলছে, যেভাবে হিন্দুদের সংখ্যা কমে আসছে তাতে প্রতিদিন গড়ে ৬০০-৬৫০ হিন্দু পরিবার কমে চলেছে। এভাবে চলতে থাকলে ভবিষ্যতে হয়ত এটাই অনিবার্য হবে।

ওরা সত্যিই অসহায়। ওদের ওপরে আক্রমণের জন্য প্রতিবাদ বা আন্দোলন করার কেউ নেই। তাই ওরা বিচারের আশায় বসে থাকে কিন্তু পায় না। ওদের সম্পত্তি লুট হলেও বা প্রতিমা বা মন্দির ভেঙে দেওয়া হলেও ওদের নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করতে হয়। বছরের পর বছর ধরে হিন্দু নির্যাতনের ঘটনা বেড়েই চলেছে। আজ রোহিঙ্গাদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য সবার প্রাণ কাঁদে কিন্তু এই অসহায়, পীড়িত হিন্দুদের জন্য সবাই নীরব। ধর্মের দোহাই দিয়ে আমাদের মানবিকতার বোধটুকু হারিয়ে যাচ্ছে না তো? প্রশ্নটা রয়ে গেল!

Leave a Reply

avatar
  Subscribe  
Notify of