air ambulance India air ambulance aviation train ambulance rail ambulance air ambulance Mumbai air ambulance Delhi air ambulance Hyderabad air ambulance Chennai air ambulance Kolkata air ambulance Bangalore Medanta air ambulance air ambulance in Guwahati air ambulance Apollo air ambulance Patna Indian air ambulance Stall designer in Kolkata Stall designer in delhi Best exhibition stall designer in Kolkata Best exhibition stall designer in delhi Stall Fabricators in Kolkata Stall Fabricators in Delhi Pavilion Designer in Kolkata Pavilion Designer in delhi best modular kitchen kolkata interior decorator in Kolkata asas interior designer in Kolkata false ceiling contractors in Kolkata false flooring suppliers gypsum false ceiling Kolkata air ambulance air ambulance services air ambulance cost helicopter ambulance air ambulance charges international air ambulance Bengali News, Bengali News Channel, channel Hindustan, channelHindustan, Bangla News, Bengali News Live, Breaking News Bengali, Latest Bengali News, Bengali News Live, Bengali News Portal in Kolkata Bengali Matrimony, Gujrati Matrimony, Hindi Matrimony, Kannada Matrimony, Malayalee Matrimony, Marathi Matrimony, Oriya Matrimony, Punjabi Matrimony, Tamil Matrimony, Telugu Matrimony, Urdu Matrimony, Assamese Matrimony, Parsi Matrimony, Sindhi Matrimony যিশুর পাপের তলায় চাপা পড়ে যাচ্ছে ভারতের শাশ্বত মর্মবানী | amaderbharat.com
সারা রাজ্য জুড়ে আজ বাগদেবীর আরাধনা।     সারদা কান্ডের তদন্তকারী সিবিআই দলে বড় রকমের রদবদল।     দমদমের গোরাবাজার ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে ১৫০ দোকান পুড়ে ছাই। আগুনে মৃত ২জন।     বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ অসুস্থ। কোমরের ব্যাথার কারনে ভর্তি কলকাতার নার্সিংহোমে।     মৈত্রী এক্সপ্রেসে শ্লীলতাহানি বাংলাদেশি মহিলার, অভিযোগ বিএসএফ জওয়ানের বিরুদ্ধে।    শুক্রবার থেকে কলকাতায় শুরু হচ্ছে সপ্তম আন্তর্জাতিক শিশু চলচ্চিত্র উৎসব।


যিশুর পাপের তলায় চাপা পড়ে যাচ্ছে ভারতের শাশ্বত মর্মবানী

ছবি : দীনবন্ধু ঘরামি

—————————————————————ক‍্যানিং, ২৭ ডিসেম্বর :
পৃথিবীতে ভারতবর্ষ একটি প্রাচীনতম রাষ্ট্র। সুদীর্ঘকাল ইতিহাসের নির্মম আঘাত সহ্য করতে করতে একটি যৌথ সংস্কৃতিতে আবদ্ধ থেকে সুদীর্ঘ সময় ধরে সমাজকে একত্রিত করে জীবন-যাপন করে চলেছে। এই গৌরবপূর্ণ সুদীর্ঘ ইতিহাসে বহু সম্প্রদায়কে এই সংস্কৃতি আদর্শগত আধার প্রদান করেছে এবং নতুন নতুন সম্প্রদায়ও ভারতবর্ষে উদয় হয়েছে। এর মধ্যে একটা বিরাট অংশ “বেদ” কে নিজেদের উপাসনার আধার বলে মানে তাঁদের হিন্দু বলা হয়। আবার দেশের একটা বড় জনসংখ্যা “বেদ” এর প্রামান্য স্বীকার করে না কিন্তু তাঁরাও হিন্দু। অনেকে মূর্তি পূজক তারাও নিজেদের হিন্দু বলে মনে করে। কিছু লোক আছে অজ্ঞেয়বাদী ঈশ্বরের সত্ত্বায় নিশ্চিত নন।  তারাও হিন্দু। প্রাচীনকালে চার্বাক নামে এক মনীষী ছিলেন ।বিশুদ্ধভাবে বস্তুবাদী। ভগবানের অস্তিত্বে ওনার বিশ্বাস ছিল না। তারাও সকলে হিন্দু ছিলেন। তাহলে ছোট করে বলা যায়, হিন্দু কোন বিশেষ পূজাপালন কারীদের নাম নয় বরং হিন্দু হল একটা রাষ্ট্রবাচক শব্দ । যা অনেক সম্প্রদায়ের সমূচয়বোধক একটি সংঞ্জা। একটি সঙ্গমস্থল,একটি সংসদও বটে। ভারত ভারতের ইতিহাস এবং তার যৌথ সংস্কৃতিক বিশ্বাসকে সকল হিন্দু ভালোবাসেন।আমাদের পূর্বপূরুষরা এখানে বিভিন্ন মতাবলম্বীদের প্রবেশ করিয়েছেন কিন্তু কখনও চিন্তা করেননি ঐসব মত পথ ভারতের ঐক্য অখন্ডতা ও প্রশান্তির ক্ষেত্রে বিপজ্জনক হতে পারে। হিন্দুরা যতই মনে করুন না কেন খ্রীষ্ট ভগবান,আল্লা ভগবান,জৈন ভগবান,বৌদ্ধ ভগবান,নানক ভগবান ইত্যদি ইত্যাদি।

কিন্তু খ্রীষ্টান ও ইসলাম এই দুই মতবাদ এর থেকে নিজেদের পৃথক করে রেখেছে। কুশান বংশের রাজা কনিষ্ক ছিলেন মধ্য-প্রাচ্যের ইউচি প্রজাতির লোক। তিনি ভারতীয় সংস্কৃতির সাথে মিশে গিয়েছিলেন। কিন্তু ইসলাম ? খ্রীষ্টান ? কেন এরা আমাদের মতো দেখতে হয়েও চাল-চলন আচার-ব্যবহার, পোশাক পরিচ্ছদ, হওয়াবাড়ী, মরাবাড়ী, বিয়েবাড়ী লৌকিকতা সমস্তকিছুতেই আমাদের থেকে পৃথক।
হিন্দুদের বুঝতে হবে কেন মুসলিমরা বিভৎস দর্শনা তাড়কা রাক্ষসী ন্যায় রক্ত পিপাসু। কেন তারা আকাশ বাতাস কাঁপিয়ে একটা আতঙ্কের পরিবেশ তৈরী করে সমস্ত কিছুই গ্রাস করতে চাইছে(কোরাণ চর্চা করুন বুঝতে পারবেন)। ভগবান রাম-লক্ষণ বুঝেছিলেন। অস্ত্র হাতে তুলে নিয়েছিলেন। পরিণতি সবাই জানেন। আর কেনই বা খ্রীষ্টানরা ছলা-কলা পূর্ণ পুতনা রাক্ষসীর মতো । ও মা যশোদা তোর কৃষ্ণকে সেবা দিতে এসেছি। এর সেবার নামে  অন্তরে ছিল বিষ। আপনি বুঝতে পারেননি। ‘(জেগে ঘুমালে ঘুম ভাঙাবে কে?) সেদিন শিশু কৃষ্ণ। বুঝেছিলেন পুতনার পরিণতি কি হয়েছিল আপনারা সকলেই জানেন।

আজ পুতনাবেশী এই খ্রীষ্টানদের বড় দিন ২৫ ডিসেম্বর। বলুনতো আজ কি বড় দিন ?কি তার ব্যাখ্যা? বিজ্ঞান কি বলে? কয়েকদিন ধরে কত কেক,কত যীশু,কত সান্তাক্লজ আরো কতো কতো কি। মোবাইল হ্যাঙ হবে কি আমার নিজের মাথা হ্যাঙ হয়ে যাওয়ার উপক্রম হয়েছিল। ডিলিট করতে করতে হিমশিম খেতে হয়েছে। দূর্গা পুজা এলেই এক শ্রেণির আঁতেলবাজদের দেখা মেলে। তোমার দুর্গা আমার দুর্গা শিরোনামে কিছু বস্তাপচা জ্ঞান ঝাড়ে। দোলের সময় জলের অপচয় নিয়ে লেকচার মারে। দীপাবলিতে পরিবেশ প্রেমী সাজে। কালীপুজায় পশু প্রেমী সাজে। কিন্তু ইদের সময় গরুপ্রেমী সাজতে পারেনা কারণ এই সব দিব্যঞ্জান সম্পন্ন বুদ্ধিবেচীরা ভাবে যদি মোল্লারা গরুর মতো জবাই করে কুরবানী দেয়। এলেখা তাদের জন্য । ঐ হারামখোর  রান্না ঘরের মোড়লদের জন্য । যারা নিজেদের চেনে না। নিজেদের সম্পদের খবর রাখে না। নিজের ঐতিহ্য কে মূল্য দেয়না। বিদেশি কিছু দেখলে আহা উহু করে নেচে বেড়ায়। এদের ভাব ধারার আঁচ  যাদের গায়ে লাগে তাদের ২৫ ডিসেম্বরের আনন্দে আত্মহারা হয়ে যায়। সরকারি ছুটি, শীতের সকাল, পিকনিকে গিয়ে যীশুর অন্তিম নৈশভোজের স্মৃতিতে আকন্ঠ মদ-মাংস গিলে অচৈতন্য  হয়ে বাড়ী ফেরা, নতুবা পার্কষ্ট্রীটের  কোন চার্চে বা রেস্তেরায় গিয়ে ব্রিট্রিশ কায়দায়  মদ মাংস সহযোগে ক্রীসমাস ক্যারোল নয়তো বাড়ীর আশপাশে কোন গীর্জায় গিয়ে বিনা পয়সায় কেক গিলে যীশুর পথে চলার উপদেশের সঙ্গে নিজের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির অশ্রাব্য নিন্দবাদ। আর তা না হলে বাড়ীতে  কমলালেবু অার কেক তো আছেই। আর সোস্যাল মিডিয়ায় ক্রীসমাসের ছড়াছড়ি।

২৫ডিসেম্বর উপলক্ষে কাউকে যীশুর জীবনী কিংবা শৈলোপদেশ পড়তে দেখিনি কখনও। পিকনিক কিংবা পার্কষ্ট্রীটের কিছু রেস্তরাঁয় এমন কি গীর্জাতে বাবাসাহেব(ফাদার সাহেব) যা পাঠ করেন সেখানে যীশুর মুখোচ্চারিত মানবতার বানী কিছুই নেই কেবল অপরের (হিন্দুদের দেবদেবী ঐতিহ্য সংস্কৃতি)নিন্দাবাদ আর খ্রীষ্টান  হয়ে গড্ এর আশ্রয়ে আসার প্ররোচনা ছাড়া আর কিছুই নেই। অথচ ২৫ ডিসেম্বর আমাদের কাছে পবিত্র একটা দিন।
কিন্তু আত্মবিস্মৃতি ও সাংস্কৃতিক পরাধীনতায় ভুলতে বসেছে আমাদের ইতিহাস। ২৫ডিসেম্বর  জন্ম নিয়েছিলেন পৃথিবী বিখ্যাত বৈঞ্জানিক স্যার আইজ্যাক নিউটন, মহাকবি ওয়ার্ডস ওয়ার্থ। জন্ম নিয়েছিলেন ভারতবর্ষের  সর্বকালের অন্যতম সুরকার নৌশাদ আলি। সর্বপরি রাষ্ট্রীয়তাকে বৈদেশিক সাংস্কৃতিক আক্রমনের হাত থেকে রক্ষা করার জন্য নিজের অক্লান্ত পরিশ্রমে কাশী বিশ্ববিদ্যালয় তৈরী করেছিলেন । যিনি রাষ্ট্রীয় স্বাধীনতার জন্য নিজের জীবন পণ করেছিলেন সেই মদনমোহন মালব্যের জন্মদিন ২৫ ডিসেম্বর। রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব অটল বিহারী বাজপেয়ীর কথা না হয় ছেড়েই দিলাম।
কিন্তু দেখুন মহান গুরু গোবিন্দ সিংজীর ৩৫১ তম প্রকাশ দিবস। যিনি ধর্ম ও ত্যাগের সর্বশ্রেষ্ঠ  প্রতিমূর্তি  । ধর্ম রক্ষার জন্য যিনি সব কিছুই খুইয়ে ছিলেন। নিজ পিতা নিজ শিশুপুত্রের নৃশংস হত্যা দেখেও যিনি বিন্দুমাত্র বিচলিত হননি। তিনি একাধারে গুরু,সেনাপ্রধান,কবি ও দার্শনিক। তাঁর বীরগাথা ত্যাগের তুলনা সারা বিশ্বে আজও বিরল। স্বামী বিবেকানন্দ তাঁর মধ্যে হিন্দুত্বের পূর্ণাঙ্গ প্রকাশ অনুধাবন করেছিলেন। যে হিন্দু সমাজের জন্য তাঁর এই আত্ম বলিদান তাদের কাছে তিনি ও তাঁর প্রকাশ দিবস বিস্মৃত হয়েছে। তারা আজ পাশ্চত্যের তথাকথিত মত প্রচারকের জন্মদিবস নিয়ে ব্যস্ত।
ভারতবর্ষে খ্রীষ্টধর্মের দেবার কিছই নেই বরং নেওয়ার আছে।মহত্তম আদর্শ,উচ্চতম দর্শন ভারতে জন্ম নিয়েছিল। মিশনারীরা বুঝেছিল  যে খ্রীষ্টধর্ম প্রসারের জন্য ভারতীয় ধর্মজীবনে প্রবেশ করতে গেলে দারিদ্র ও ছলনার আশ্রয় ছাড়া গতি নেই। শুরু হয়েছিল ভুল বোঝানো আর মগজ ধোলাই । যার সাহায্যে তারা আজও সেবার আড়ালে ধর্মান্তকরন চালিয়ে যাচ্ছে। এই বুদ্ধিবেচী বাঙালীরা স্বামী বিবেকানন্দের বড় বড় ফটো বাঁধিয়ে দেওয়ালে ঝুলিয়ে প্রমাণ করতে চায় তারা কত  স্বামীজীর আদর্শে উদ্বুদ্ধ আর তারা কত ঞ্জানী। এরা অনেকে আবার ইদের সময় ভারতের সর্বোচ্চ  ন্যায়ালয় সুপ্রীম কোর্টের দেওয়া গোহত্যা বন্ধের আদেশ উপেক্ষা করে গোহত্যার পক্ষে  বড় বড় প্রবন্ধ লেখেন। এদের জীবনের ধিক্কার। অথচ দেখুন ১৮৯০ সালে স্বামীজি একটি দন্ড ও কৌপিন সম্বল করে ভারত ভ্রমণে বেরিয়ে পড়লেন। ১৮৯২ সালে পরিক্রমা শেষ করে ২৪শে ডিসেম্বর উপস্থিত হলেন জগদম্বা কুমারিকার পবিত্র তপঃস্থলীতে। যেখান থেকে একই স্থানে দাঁড়িয়ে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত প্রত্যক্ষ  করা যায়। সাগরের উত্তাল তরঙ্গের বুকে ঝাঁপিয়ে পড়লেন স্বামীজি। সাঁতার দিতে দিতে সমুদ্রের মাঝে জেগে থাকা পাথরের কাছে পৌঁছে গেলেন। পাথরের উপর উঠে বসলেন। পৌষ মাসের প্রচন্ড শীতে সিক্ত বসনে নির্জলা অনাহারে তিনদিন ধরে ধ্যানমগ্ন হয়ে ভারত মাতার বৈভবময়ী মূর্তি দর্শন করলেন। কলকাতার ইংরেজী শিক্ষায় শিক্ষিত গ্রাজুয়েট নরেনের(বিলে) নবজন্ম হল ভারতাত্মার ঘনীভূত বিগ্রহ বিবেকানন্দ রুপে।
সেই বিবেকানন্দ কপর্দপকশূন্য অবস্থায় কেবল মাত্র ভারতবর্ষের চিরন্তন সত্য শ্বাশ্বতবাণী কে সম্বল করে জগতের কল্যানের লক্ষ্য নিয়ে আমেরিকার শিকাগোতে বিশ্ব ধর্ম সম্মেলনে গর্জে উঠলেন। পাদ্রীদের সাবধান করলেন ‘তোমরা ভারতবর্ষে খ্রীষ্টমতের প্রচার বন্ধ করো। ধর্ম ও আধ্যাত্মিকতায় তোমরা আমাদের কাছে শিশু’। স্বামীজির ভারতবর্ষের  মতের  সাথে যীশুর মতের মৌলিক পার্থক্যখানি খুবই সহজ ও সরল। ভারতবর্ষ সৃষ্টির প্রতিটি কণায় কণায় ঈশ্বরের  উপলব্ধি কথা শোনায়। ভারতবর্ষ সকলকে আহ্বান করে। বলে,তোমরা সবাই অমৃতের সন্তান।
তোমরা সবাই আমাদের কুটুম্ব অবিনাশী আত্মা স্বরুপ।
আর যীশুর মতে ‘আমরা সকলেই একটি জঘন্য পাপের ফল স্বরুপ’ । এই মৌলিক  পার্থক্যকেই আমাদের সব পাল্টে যায়। শংকরার্যের কথায় এক বাক্যে “দিজ আর টু ডিফারেন্ট এভরি থিংক্স”। দুর্ভাগ্য আমাদের ২৫শে ডিসেম্বরে ভারতাত্মা বিবেকানন্দ ও ভারতীয় ভাবধারাকে ভুলে আমরা মেতে উঠেছি পাপের আরাধনায় মদ ও মাংসে। মানব কল্যাণের ব্রত ভুলে মেতে উঠেছি নোংরা বিলাসিতার আবিলতায়। নিজেদের অমৃতস্বরুপ ভুলে নিজেদের কে পাপের সন্তান মনে করে মত্ত হয়েছি পাপের আরাধনায়। যীশুর পাপের তলায় চাপা পড়ে গেছে ভারতাত্মার অমৃত পুত্র বিবেকানন্দের মানব কল্যাণের বাণী। তবু আজও আত্মবিস্মৃতির পাপ ও মানসিক পরাধীনতার ভয়ানক গ্লানির বোঝার তলা থেকে ক্ষীণ আহ্বান শোনা যায়  ““হে ভারত ভুলিও না———————–””

দীনবন্ধু ঘরামী/ক্যানিং/দক্ষিণ২৪পরগণা। ৭৬৯৯১৯৯০৫৪

(এটা লেখকের নিজস্ব মতামত, এজন্য পোর্টাল কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।)

It's only fair to share...Share on FacebookShare on Google+Tweet about this on TwitterShare on LinkedInPin on PinterestPrint this pageShare on RedditEmail this to someoneDigg thisBuffer this page

loading...

Leave a Reply

Be the First to Comment!

Notify of
avatar
wpDiscuz