যেকোন রকম বিজ্ঞাপনের জন্য আমাদের সঙ্গে যোগাযোগের মাধ্যম : amaderbharatdesk@gmail.com    ৩ হাজারের বেশি অ্যান্টি ট্যাংক মিসাইল কিনতে পারে ভারত ফ্রান্স থেকে।     কংগ্রেসের ইস্তেহারে রামমন্দির যুক্ত হলে আমরা তাদের সমর্থনের কথা ভাবতে পারি : ভিএইচপি।    বিজেপির বিরুদ্ধে কংগ্রেসের প্রার্থী হতে পারেন করিনা কাপুর।    মমতা নয় রাহুলকেই নেতা দেখতে চান তারা, ব্রিগেডের পরেই জানালেন তেজস্বী, স্টালিনরা।     একসময় কাগজ কুড়াতেন আজ চণ্ডীগড়ের মেয়র এই বিজেপি নেতা।    ব্রিগেডে খরচের উসুল তুলতে ব্যর্থ তৃণমূল, সোশ্যাল মিডিয়ায় মোদিকে হারিয়েই সন্তুষ্ট।    মালদায় অমিত শাহ-যোগীর সভা সফল করার জন্য বিজেপির তিন প্ল্যান।    ব্রিগেডের সভার বদলে আসানসোলে সভা করবে প্রধানমন্ত্রী, জানালেন দিলীপ ঘোষ।    জম্মু-কাশ্মীরে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাবে বিজেপি , দাবি রাম মাধবের।    জয়নগরে অমিত শাহের সভার আগেই রাস্তাঘাট তৃণমূলের দখলে।    লোকসভা নির্বাচনকে মাথায় রেখে সফরে জিটিএর প্রতি মুক্তহস্ত মমতা।    ডুয়ার্সে চিতাবাঘের চামড়া সহ আটক পাঁচ চোরাচালানকারী।    আজ আপনার কেমন যাবে জেনে নিন।    বিজেপি নেতার মাতৃবিয়োগে সমবেদনা জানাতে দুর্গাপুরে রাজ্যপাল।


ট্রিয়ার, আমি আর সাংবাদিককার্ল মার্কস

সম্রাট গুপ্ত, ৫ মে: জার্মানির কোলন থেকে প্রায় ৮০০ কিলোমিটার পথ পেরিয়ে পৌঁছলাম ট্রিয়ারে। মূল লক্ষ্য কার্ল মার্কসের বাড়ী যাব। তখনও বুঝিনি এ শহরের মায়াজালে বন্দী হয়ে পড়ব! যেমন পড়েছিল প্রাচীন রোমানরাও।
মোসেল নদীর সবুজ উপত্যকায় তারা নির্মাণ করে এই শহর। জার্মানির প্রাচীনতম শহর হিসেবে ট্রিয়ারে এখনওরোমানদের ফেলে যাওয়াহরেক চিহ্ন। 
২০০ বছর আগে ১৮১৮ সালের ৫ই মে (প্রুশিয়ার রাইন অঞ্চলের) ট্রিয়ারে এই বাড়িতেই কার্লের জন্ম। বাবাছিলেন আইনজীবী, ইহুদী, ১৮২৪ সালে তিনি প্রটেস্টান্ট খ্রীষ্টান ধর্ম গ্রহণ করেন।
সময় যেন আটকে আছে ট্রিয়ারের ওই বাড়িতে। সেকালের কিছু আসবাব, ফায়ারপ্লেস,  মার্কস পরিবারেরব্যাবহার করা কিছু জিনিস।পরিবারটি স্বচ্ছল, সংস্কৃতিবানছিল, কিন্তু বিপ্লবী ছিল না।সেই সময় আমি ‘ডয়েচে ভেলে’-র বাংলা বিভাগের সম্পাদক। যা যা দেখলাম, লিখে নিলাম নোটবুকে।
রাজনীতিক মার্কসকে সবাই জানেন। এই লেখায় আমি ছোট্ট করে তুলে ধরছি সাংবাদিক মার্কসের পরিচয়।

বাম-হেগেলপন্থীদের সংস্পর্শেআসা কিছু প্রগতিবাদী বুর্জোয়া কলোন শহরে প্রতিষ্ঠিত করেন ‘রাইনিশ গ্যাজেট’ নামে সরকারবিরোধী পত্রিকা। ১৮৪২ সালের ১লা জানুয়ারী প্রথম সংখ্যা প্রকাশিত হয় । মার্কসকে এর প্রধান লেখক হওয়ার আমন্ত্রণ জানানো হয়। ১৮৪২ সালের অক্টোবরে মার্কস এর প্রধান সম্পাদক নিযুক্ত হয়ে বন থেকে কোলোন এ চলে আসেন। মার্কসের সম্পাদকীয় পরিচালনায় পত্রিকাটির বিপ্লবী-গণতান্ত্রিক প্রবণতা উত্তরোত্তর স্পষ্ট হয়ে ওঠে। সরকার পত্রিকাটির উপর প্রথমে দুই ও তিন দফা সেন্সরশিপ আরোপ করে।পরবর্তীতে ১৮৪৩ সালের ১লা জানুয়ারী পত্রিকাটি পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়া হয়।সম্পাদকীয় দায়িত্ব থেকে মার্কসকে পদত্যাগ করতে হয়, কিন্তু পত্রিকাটি রক্ষা পেল না, ১৮৪৩ সালের মার্চে প্রকাশনা বন্ধ হয়ে গেল।

একটি রাডিকাল পত্রিকা প্রকাশ করার উদ্দেশ্যে মার্কস প্যারিতে চলে আসেন। ‘দৎসে-ফ্রুঙ্কশেইয়ার বুখার’ নামের এই পত্রিকার মাত্র একটি সংখ্যাই বেড়িয়েছিল।

জার্মানী থেকে নির্বাসিত হয়ে ১৮৪৯-এর ১৬ই মে মার্কস প্রথমে গেলেন প্যারিতে। ১৮৪৯ সালের ১৩ই জুনের বিক্ষোভ শোভাযাত্রার পর সেখান থেকেও নির্বাসিত হন।তার পর চলে আসেন লন্ডনে। আমৃত্যু সেখানেই ছিলেন তিনি।

Leave a Reply

avatar
  Subscribe  
Notify of