বিজ্ঞাপনের জন্য আমাদের সঙ্গে যোগাযোগের মাধ্যম : amaderbharatdesk@gmail.com    “ওদেরকে শাস্তি দেওয়ার সময় এসে গেছে” কংগ্রেসকে তোপ যোগগুরু রামদেব বাবার।    রাত পোহালেই রাজ্যে দ্বিতীয় দফায় নির্বাচন।     দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি ও রায়গঞ্জ লোকসভা কেন্দ্রে হবে ভোটগ্রহণ।    “টাকার থলি নিয়ে রাস্তায় রাস্তায় ঘুরছে আরএসএসের দালালরা” অভিযোগ মমতার।    সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেলে ছয় মাসের মধ্যেই বিধানসভা ভোট করাব বললেন আলুয়ালিয়া।    ঝাঁটা হাতে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে এলাকা ছাড়া করার নিদান রাজ্যের মন্ত্রীর।    কান্দিতে অধীর গড়ে দাঁড়িয়ে কংগ্রেস ও বিজেপিকে তোপ মমতার।    নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য “ইউনিক কালার কোডিং” ব্যবস্থা।    আরও কড়া হল কমিশন, দুবের মাথায় বসল নতুন পর্যবেক্ষক।    অমিত, যোগীর জোড়া ফলায় মমতাকে ঘায়েলের চেষ্টা বিজেপির।    জয়ের প্রচারে আমতায় রাজনাথ সিং।    ঘাটালে একা কুম্ভ ভারতী।    আজ আপনার কেমন যাবে জেনে নিন।    ভোটের দিনগুলোয় কেন্দ্রীয় নেতাদের এনে কিস্তিমাত করতে কৌশল বিজেপির।


জেরায় কুণাল ঘোষই ডোবালেন নগরপালকে

চিন্ময় ভট্টাচার্য

আমাদের ভারত, ১১ ফেব্রুয়ারি: সিবিআই দপ্তরে ঢোকার আগে বেশ পরিপাটি করে সেজে এসেছিলেন। বাগদেবীর আরাধনার বিশেষ দিন। তাই একেবারে সরস্বতীর মূর্তির কাছে মাথা ঠেকিয়ে রবিবার কুণাল ঘোষ হাজির হয়েছিলেন সিবিআই দপ্তরে। বাগদেবী যেন দু’হাত তুলে আশীর্বাদ করেছিলেন তাঁর এই ভক্তকে। এমনিতেই বলতে ভালোবাসেন। তার ওপর বাগদেবীর কৃপা। তাই দ্বিতীয় রাউন্ডের জেরার সময় সিবিআই কর্তা তথাগত বর্ধনের প্রশ্নের উত্তরে সোজা বলে বসলেন, সিটের হাতে জিজ্ঞাসাবাদ শুরুর দিনই বেশ কিছু নথি তুলে দিয়েছিলেন। তার মধ্যে এমন তিনটি নথি ছিল, যার উল্লেখ পরে সিজার লিস্টে করা হয়নি। শুধু তাই নয়, সারদার পাশাপাশি, রোজভ্যালি সম্পর্কিত বেশ কিছু তথ্য তিনি সিটকে দিয়েছিলেন।

ব্যাস্, এইটুকুতেই যেন শক্তিশেল বিঁধল কলকাতার নগরপাল রাজীব কুমারের বুকে। তড়িঘড়ি সিবিআই দপ্তরে উড়িয়ে আনা হল, রোজভ্যালি মামলার তদন্তকারী অফিসার শাজম শেরপাকে। রোজভ্যালি মামলার নথি নিয়ে শেরপা শিলঙের সিবিআই দপ্তরে ঢুকেও পড়লেন। তখন সন্ধে ৬টা ২০-র কাছাকাছি। এর পর, রাজীব কুমার এবং কুণাল ঘোষকে মুখোমুখি বসিয়ে জেরা চলল রাত ১০টা ৩০ অবধি। রেকর্ড করা হল বয়ানও। জিজ্ঞাসা করা হল প্রধানমন্ত্রী ও মুখ্যমন্ত্রীকে লেখা কুণাল ঘোষের চার পাতার চিঠির ব্যাপারেও। তাতেও সন্তুষ্ট না-হওয়ায় ফের সোমবার হাজিরা দিতে বলা হয়েছে কলকাতার নগরপালকে। ডাকা হয়েছে কুণাল ঘোষকেও।

অথচ, এমনটা হওয়ার কথা ছিল না। সূত্রের খবর, রাজীব কুমার নাকি তদন্তকারীদের রীতিমতো ‘ম্যানেজ’ করে নিয়েছিলেন। শনিবার বিরতির সময় সিবিআই আধিকারিকরা বেরোতে দেননি। রবিবার ছেড়ে দিয়েছিলেন। দুপুর ১টা ৪৫-এ বেরিয়ে ত্রিপুরা কাসলে গিয়ে মধ্যাহ্নভোজও সারেন কলকাতার নগরপাল। দ্বিতীয় দফার জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ফেরেন দুপুর ৩টে ১৫-য়। নির্ধারিত সময়ের চেয়ে ১৫ মিনিট দেরিতেই। সূত্রের খবর, তার আগে পর্যন্ত ঠিক ছিল, রবিবার বয়ান রেকর্ড করা হবে না। কিন্তু, কুণাল যেন সেই সব ঠিক করাটা মুহূর্তে বদলে দিলেন।

1
Leave a Reply

avatar
1 Comment threads
0 Thread replies
0 Followers
 
Most reacted comment
Hottest comment thread
1 Comment authors
Santanu Roy Chowdhury Recent comment authors
  Subscribe  
newest oldest most voted
Notify of
Santanu Roy Chowdhury
Guest
Santanu Roy Chowdhury

Current news