কুমারস্বামী রাজনীতির মিলিন্দ সুমন।    পাকসেনার গুলিতে সাতদিনে নিহত ৪২ ভারতীয়।    বিশ্বভারতীর সমাবর্তন অনুষ্ঠানে মোদী হাসিনার দ্বিপাক্ষিক বৈঠকই গুরুত্বপূর্ণ।    কর্নাটকে আবার আস্থা ভোট বৃহস্পতিবার, টিকবে তো জোট সরকার।    প্রয়োজন মিটে গেলে ছুড়ে ফেলে দেন মমতা : মুকুল রায়।    বিরাটির খোলা রাস্তায় তৃণমূল পুরপ্রধান-উপ পুরপ্রধানের লড়াই, থামাতে গিয়ে রীতিমতো হেনস্থা সাংসদ সৌগত রায়ের।    হৃদযন্ত্র প্রতিস্থাপনের পর ভালোই আছেন দিলচাঁদ, খুশি চিকিৎসকরা।    তারাপীঠে পুজো দিতে এসে হাতাহাতিতে জড়ালেন ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রীর উপদেষ্টা।    শাসক দলের অত্যাচারে ভিটেমাটি ছাড়লেন রাজগঞ্জের কয়েকটি পরিবার।    শতাব্দী এক্সপ্রেসের খাবার খেয়ে অসুস্থ ২০ জন যাত্রী।    আরামবাগে বিভিন্ন হোটেলে মধুচক্রের রমরমা, আটক বাংলাদেশি তরুণী।    আপনার এ সপ্তাহ কেমন যাবে জেনে নিন আমাদের সাপ্তাহিক রাশিফল থেকে।
BREAKING NEWS:
  • রাজ্য জয়েন্ট এনট্রান্সের ফল প্রকাশ।
  • জয়েন্টে প্রথম অভিনন্দন বোস।
{"effect":"slide-h","fontstyle":"normal","autoplay":"true","timer":4000}


ফের খুলছে মংপুর রবীন্দ্র সংগ্রহশালা

সম্রাট গুপ্ত, ৭ মে: “পঁচিশে বৈশাখের দুতিন দিন আগে একটা রবিবার (২২ বৈশাখ) এখানে উৎসবের বন্দোবস্ত হোল। সকালবেলা দশটার সময় স্নান করে কালোজামা কালো রং-এর জুতা পরে বাইরে এসে বসলেন (গুরুদেব)। কাঠের বুদ্ধমূর্তির সামনে বসে একজন বৌদ্ধ স্তোত্র পাঠ করলেন। কবি ঈশোপনিষদ থেকে অনেকটা পড়লেন। সেইদিন দুপুরবেলা জন্মদিন বলে তিনটে কবিতা লিখেছিলেন, তার মধ্যে বৌদ্ধবৃদ্ধের কথা ছিল। বিকেলবেলা দলে দলে সবাই আসতে লাগল- আমাদের পাহাড়ী দরিদ্র প্রতিবেশী, সানাই বাজতে লাগল, গেরুয়া রং-এর জামার উপর মাল্য-চন্দন ভূষিত আশ্চর্য স্বর্গীয় সেই সৌন্দর্য সবাই স্তব্ধ হয়ে দেখতে লাগল।”

এ ভাবেই ‘মংপুতে রবীন্দ্রনাথ’ গ্রন্থে বিবরণ দিয়েছেন মৈত্রেয়ী দেবী। মংপুর সেই ঐতিহ্যের বাংলোয় থাকার সময়ে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নাকি অন্তত ১২টি কবিতা লিখেছিলেন। কবির মৃত্যুর তিন বছর পর সিঙ্কোনা বাগানের ভিতরে থাকা এই বাংলোয় ‘রবীন্দ্র সংগ্রহশালা’ তৈরি হয়েছিল। বাংলোর নাম হয় ’রবীন্দ্রভবন’। বেশ কিছুদিন বন্ধ থাকার পর ফের খুলছে এটি। চলছে শেষ মুহুর্তের প্রস্তুতি। দেখে এসেছি ওই বাংলো।

কিছুকাল আগে দেখতে গিয়েছিলাম দার্জিলিং পাহাড়ের এই ছোট্ট গ্রামে কবির এই স্মৃতি। কবির সঙ্গে সেখানকার প্রকৃতি কী ভাবে জড়িয়ে ছিল, সে সম্পর্কে নানান তথ্য মেলে মৈত্রেয়ী দেবীর লেখা ‘মংপুতে রবীন্দ্রনাথ’ বইয়ে। মন্ত্রী গৌতম দেব জানিয়েছেন, তথ্য ও সংস্কৃতি দফতর রবীন্দ্রভবনের রক্ষণাবেক্ষনের পুরো দায়িত্ব নিয়েছে। সিঙ্কোনা প্ল্যান্টেশন কতৃর্পক্ষও দাবি করেছেন, তাঁরা চান ভবনের দায়িত্ব নিক রাজ্য সরকার। মংপুতে একটি ‘মডেল গ্রাম’ তৈরি করার কথাও জানিয়েছেন মন্ত্রী।

মংপুর বাংলোয় রবীন্দ্রনাথের ব্যবহৃত আসবাব সহ নানা সামগ্রী রয়েছে। মংপুতে থাকাকালীন রবীন্দ্রনাথের আঁকা ছবিও রয়েছে এখানে। এই বাংলোর রক্ষণাবেক্ষণ নিয়ে টানাপড়েন দীর্ঘদিনের। ২০০৯ সালের আগে রবীন্দ্রভবন শ্রম দফতরের অধীনে ছিল। তবে সংগ্রহশালাটি সিঙ্কোনা বাগানের ভিতরে থাকায়, সিঙ্কোনা কর্তৃপক্ষও রক্ষণাবেক্ষণের কিছু কাজ করে বলে জানানো হয়েছে। তথ্য সংস্কৃতি দফতরের থেকে অতীতে একাধিকবার জানানো হয়েছে, রবীন্দ্রভবন দফতরের হাতে সরকারি ভাবে তুলে দেওয়া হয়নি।

তিন দফতরের মধ্যে সমন্বয়ের অভাবের কারণেই রবীন্দ্র ভবন এবং সংগ্রহশালা বেহাল হয়ে পড়েছিল বলে অভিযোগ। কয়েক বছর আগে উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন দফতর থেকে বাংলোয় বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়া হয়। সংগ্রহশালার দায়িত্বে থাকা সিঙ্কোনা ডিরেক্টরেটের কর্মী শিশির রাহুত বলেন, ‘‘কোন দফতর দায়িত্বে রয়েছে, তা সঠিক ভাবে না জানার কারণেই নানা সমস্যা তৈরি হচ্ছিল।’’ সিঙ্কোনা কর্তৃপক্ষের অধিকর্তা স্যামুয়েল রাই বলেন, “আমরা সব রকম চেষ্টা করছি। এবার এখানে পালিত হবে রবীন্দ্র জয়ন্তী।”

সম্রাট গুপ্ত, ৭ মে: “পঁচিশে বৈশাখের দুতিন দিন আগে একটা রবিবার (২২ বৈশাখ) এখানে উৎসবের বন্দোবস্ত হোল। সকালবেলা দশটার সময় স্নান করে কালোজামা কালো রং-এর জুতা পরে বাইরে এসে বসলেন (গুরুদেব)। কাঠের বুদ্ধমূর্তির সামনে বসে একজন বৌদ্ধ স্তোত্র পাঠ করলেন। কবি ঈশোপনিষদ থেকে অনেকটা পড়লেন। সেইদিন দুপুরবেলা জন্মদিন বলে তিনটে কবিতা লিখেছিলেন, তার মধ্যে বৌদ্ধবৃদ্ধের কথা ছিল। বিকেলবেলা দলে দলে সবাই আসতে লাগল- আমাদের পাহাড়ী দরিদ্র প্রতিবেশী, সানাই বাজতে লাগল, গেরুয়া রং-এর জামার উপর মাল্য-চন্দন ভূষিত আশ্চর্য স্বর্গীয় সেই সৌন্দর্য সবাই স্তব্ধ হয়ে দেখতে লাগল।”

এ ভাবেই ‘মংপুতে রবীন্দ্রনাথ’ গ্রন্থে বিবরণ দিয়েছেন মৈত্রেয়ী দেবী। মংপুর সেই ঐতিহ্যের বাংলোয় থাকার সময়ে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নাকি অন্তত ১২টি কবিতা লিখেছিলেন। কবির মৃত্যুর তিন বছর পর সিঙ্কোনা বাগানের ভিতরে থাকা এই বাংলোয় ‘রবীন্দ্র সংগ্রহশালা’ তৈরি হয়েছিল। বাংলোর নাম হয় ’রবীন্দ্রভবন’। বেশ কিছুদিন বন্ধ থাকার পর ফের খুলছে এটি। চলছে শেষ মুহুর্তের প্রস্তুতি। দেখে এসেছি ওই বাংলো।

কিছুকাল আগে দেখতে গিয়েছিলাম দার্জিলিং পাহাড়ের এই ছোট্ট গ্রামে কবির এই স্মৃতি। কবির সঙ্গে সেখানকার প্রকৃতি কী ভাবে জড়িয়ে ছিল, সে সম্পর্কে নানান তথ্য মেলে মৈত্রেয়ী দেবীর লেখা ‘মংপুতে রবীন্দ্রনাথ’ বইয়ে। মন্ত্রী গৌতম দেব জানিয়েছেন, তথ্য ও সংস্কৃতি দফতর রবীন্দ্রভবনের রক্ষণাবেক্ষনের পুরো দায়িত্ব নিয়েছে। সিঙ্কোনা প্ল্যান্টেশন কতৃর্পক্ষও দাবি করেছেন, তাঁরা চান ভবনের দায়িত্ব নিক রাজ্য সরকার। মংপুতে একটি ‘মডেল গ্রাম’ তৈরি করার কথাও জানিয়েছেন মন্ত্রী।

মংপুর বাংলোয় রবীন্দ্রনাথের ব্যবহৃত আসবাব সহ নানা সামগ্রী রয়েছে। মংপুতে থাকাকালীন রবীন্দ্রনাথের আঁকা ছবিও রয়েছে এখানে। এই বাংলোর রক্ষণাবেক্ষণ নিয়ে টানাপড়েন দীর্ঘদিনের। ২০০৯ সালের আগে রবীন্দ্রভবন শ্রম দফতরের অধীনে ছিল। তবে সংগ্রহশালাটি সিঙ্কোনা বাগানের ভিতরে থাকায়, সিঙ্কোনা কর্তৃপক্ষও রক্ষণাবেক্ষণের কিছু কাজ করে বলে জানানো হয়েছে। তথ্য সংস্কৃতি দফতরের থেকে অতীতে একাধিকবার জানানো হয়েছে, রবীন্দ্রভবন দফতরের হাতে সরকারি ভাবে তুলে দেওয়া হয়নি।

তিন দফতরের মধ্যে সমন্বয়ের অভাবের কারণেই রবীন্দ্র ভবন এবং সংগ্রহশালা বেহাল হয়ে পড়েছিল বলে অভিযোগ। কয়েক বছর আগে উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন দফতর থেকে বাংলোয় বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়া হয়। সংগ্রহশালার দায়িত্বে থাকা সিঙ্কোনা ডিরেক্টরেটের কর্মী শিশির রাহুত বলেন, ‘‘কোন দফতর দায়িত্বে রয়েছে, তা সঠিক ভাবে না জানার কারণেই নানা সমস্যা তৈরি হচ্ছিল।’’ সিঙ্কোনা কর্তৃপক্ষের অধিকর্তা স্যামুয়েল রাই বলেন, “আমরা সব রকম চেষ্টা করছি। এবার এখানে পালিত হবে রবীন্দ্র জয়ন্তী।”

loading...

Leave a Reply

Be the First to Comment!

avatar
  Subscribe  
Notify of