যেকোন রকম বিজ্ঞাপনের জন্য আমাদের সঙ্গে যোগাযোগের মাধ্যম : amaderbharatdesk@gmail.com    তেলেঙ্গানায় ক্ষমতায় আসতে চন্দ্রশেখরকে সমর্থনের প্রস্তাব বিজেপির, শর্ত একটাই ত্যাগ করতে হবে ওয়াইসিকে।    অধ্যাদেশ জারি করে রাম মন্দির নির্মাণের দাবিতে গেরুয়া স্রোত রাজধানীতে।    “সংখ্যালঘু ভোটের জন্য হিন্দু বিদ্বেষী বাংলাদেশি ধর্মগুরুকে সভা করার অনুমতি দিয়েছে রাজ্য”: দিলীপ।    প্রাক্তন কেএলও লিঙ্কম্যানদের তৃণমূলে যোগদান।    কেন চোলাই নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না? মন্ত্রিসভার বৈঠকে ক্ষুব্ধ মমতা।    লোকসভার আগে রাজ্যে ৭ হাজার নতুন শিক্ষক পদে নিয়োগ সরকারের।    “বিজেপির রাজ্য গুজরাট, বিহারে মদ নিষিদ্ধ তবে এই বাংলায় কেন তা হচ্ছে না “: মুকুল।    ভুয়ো কল সেন্টার খুলে বিদেশে কোটি টাকার প্রতারণা, পাকড়াও ৪ যুবক।    “শাসক দলের রক্তক্ষয়ী রাজনীতি”: নদিয়ায় বিজেপির রক্তদান শিবির।    আইনজীবী খুনের ঘটনাতেও উঠে আসছে পরকীয়া তত্ত্ব, আটক স্ত্রী।    রোগীমৃত্যুর জেরে বাঙুর হাসপাতালে ভাঙচুর, মারধর চিকিৎসকদের, আটক ৮।    বাড়ি থেকে সংগ্রহশালা, পরিবর্তন হতে চলেছে রাজ কাপুরের জন্মভিটে।    আজ আপনার কেমন যাবে জেনে নিন।    বিয়ের পর প্রথম দীপিকা প্রসঙ্গে মুখ খুললেল রণবীর।


ভোটের লড়াইয়ে পাশে পেতে সংখ্যালঘুদের অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী

আমাদের ভারত ডেস্ক, ১৪ সেপ্টেম্বর; এর আগে প্রধানমন্ত্রীকে তেমনভাবে দেখা যায়নি সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে। কিন্তু এবার মুসলিম সম্প্রদায়ের বিশেষ অনুষ্ঠানে তিনি গেলেন মসজিদে। সামনেই মধ‍্যপ্রদেশে বিধানসভা নির্বাচন। তারপরেই লোকসভা নির্বাচন। রাজনৈতিক মহলের ধারণা ভোট ব্যাংকের খাতিরেই মোদী একেবারে জুম্মাবারে গিয়ে হাজির হলেন ইন্দোরের এক মসজিদে।

আগামী ২১ সেপ্টেম্বর মহরম। তার আগে নানা ধরনের অনুষ্ঠানের আয়োজন করা বিভিন্ন জায়গায়। তেমনি বোহরা সম্প্রদায়ের একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী।

ইসলামী বছরের শুরুর প্রথম দশদিনকে আসারা মুবারক বলা হয়। এই দশদিনের অনুষ্ঠান উৎসর্গ‌ করা হয় মহম্মদ ও তার পরিবারকে। এই সময় ইমাম হোসেন ও তার পরিবারের হত‍্যা করা হয়েছিল। কারাবালার যুদ্ধে মারা যান মহম্মদের দুই নাতি।
সেই ঘটনা স্মরণ করেই মহররম পালন করে মুসলিম সম্প্রদায়।

ইন্দোরে মসজিদে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন বোহরা সম্প্রদায়ের সঙ্গে তার দীর্ঘদিনের গাঁটছড়া। তিনি নিজেকে তাদের একজন বলেই মনে করেন। প্রধানমন্ত্রী বোহরা সম্প্রদায়ের মানুষদের বলেন তাদের জন‍্য প্রধানমন্ত্রীর দরজা সবসময় খোলা।

কিন্তু এই ঘটনা নিয়ে গুঞ্জন শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে। এতদিন পর্যন্ত কখনো প্রধানমন্ত্রীকে সংখ্যালঘুদের অনুষ্ঠানে তেমন দেখা যায় নি। কখনো কোনো ইফতার মাহফিলেও সামিল হননি তিনি। এমনকি রাষ্ট্রপতি ভবনের ইফতার পার্টিও এড়িয়ে চলেছেন মোদী।

এর আগে সংখ‍্যা লঘুদের অনুষ্ঠানে গিয়ে ধর্মীয় টুপি না পড়তে চাওয়ায় বিতর্ক হয়েছিল ওই ঘটনা নিয়ে। এতকিছুর পর তিনি নিজেই আবার এলেন মুসলিমদের বোহরা গোষ্ঠীর অনুষ্ঠানে যোগ দিতে। স্বভাবতই প্রশ্ন উঠেছে রাজনৈতিক মহলে। অনেকেই এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গিয়ে মনে করছেন সামনে ‌ক্ষমতা দখলের লড়াই। তাই সেই লড়াইয়ে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কে পাশে পেতেই প্রধানমন্ত্রী এই পদক্ষেপ নিয়েছেন।

Leave a Reply

avatar
  Subscribe  
Notify of