বিজ্ঞাপনের জন্য আমাদের সঙ্গে যোগাযোগের মাধ্যম : amaderbharatdesk@gmail.com    “ওদেরকে শাস্তি দেওয়ার সময় এসে গেছে” কংগ্রেসকে তোপ যোগগুরু রামদেব বাবার।    রাত পোহালেই রাজ্যে দ্বিতীয় দফায় নির্বাচন।     দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি ও রায়গঞ্জ লোকসভা কেন্দ্রে হবে ভোটগ্রহণ।    “টাকার থলি নিয়ে রাস্তায় রাস্তায় ঘুরছে আরএসএসের দালালরা” অভিযোগ মমতার।    সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেলে ছয় মাসের মধ্যেই বিধানসভা ভোট করাব বললেন আলুয়ালিয়া।    ঝাঁটা হাতে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে এলাকা ছাড়া করার নিদান রাজ্যের মন্ত্রীর।    কান্দিতে অধীর গড়ে দাঁড়িয়ে কংগ্রেস ও বিজেপিকে তোপ মমতার।    নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য “ইউনিক কালার কোডিং” ব্যবস্থা।    আরও কড়া হল কমিশন, দুবের মাথায় বসল নতুন পর্যবেক্ষক।    অমিত, যোগীর জোড়া ফলায় মমতাকে ঘায়েলের চেষ্টা বিজেপির।    জয়ের প্রচারে আমতায় রাজনাথ সিং।    ঘাটালে একা কুম্ভ ভারতী।    আজ আপনার কেমন যাবে জেনে নিন।    ভোটের দিনগুলোয় কেন্দ্রীয় নেতাদের এনে কিস্তিমাত করতে কৌশল বিজেপির।


তৃণমূল সরকার কমিউনিস্ট সরকারের পার্ট-২ , কটাক্ষ মোদীর

আমাদের ভারত ডেস্ক, ৮ ফেব্রুয়ারি: তৃণমূল সরকার কমিউনিস্ট সরকারের পার্ট-২। এভাবেই রাজ্যের শাসক দল ও বামেদের একসাথে কটাক্ষ করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।জলপাইগুড়ির ময়নাগুড়ির চূড়াভান্ডার এর জনসভা থেকে মূলত রাজ্যের শাসকদলের বিরুদ্ধেএকের পর এক তোপ দাগেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তিনি বলেন মা মাটি মানুষের সরকারের স্লোগান তুলে বাম আমলে দুঃশাসনের মুক্তি ঘটানোর কথা বলেছিল তৃণমূল কংগ্রেস। আর সেই তৃণমূল কংগ্রেসের সুপ্রিম আজ মানুষের টাকা যারা লুট করেছে তাদের প্রশ্রয় দিচ্ছেন।

তাঁর কথায় বাংলায় আইন শৃঙ্খলা বলে কিছু নেই। তৃণমূলের জামানায় বাংলার সংস্কৃতি সম্পূর্ণ ভাবে নষ্ট হয়েছে। বাম আমল থেকে তৃণমূলের আমল বাংলার হাল দিনের পর দিন খারাপ হয়েছে। বামেদের মতই খুনের রাজনীতি করছে তৃণমূল।

সিন্ডিকেটের রাজত্বে নাজেহাল বাংলা। বাংলার মাটির বদনাম করেছে তৃণমূল। মানুষকে একেবারে দুর্বল করে দিয়েছে তৃণমূল। ভারতবর্ষের স্বাধীনতা সংগ্রামে যে বাংলার বিপ্লবীদের গর্বের তালিকা দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর। সেই বাংলার মুখ্যমন্ত্রী দুর্নীতিবাজদের রক্ষা করতে ধর্নায় বসেছেন।

মোদী বলেন দিদি তো দিল্লি যেতে ব্যস্ত। আর সিন্ডিকেট রাজ্যে হিংসার রাজত্ব চালাচ্ছে। তিনি প্রশ্ন তোলেন চিটফান্ড তদন্তে এত উদ্বিগ্ন কেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী? প্রধানমন্ত্রী কটাক্ষের সুরে বলেন এদের সত্যি কথা প্রকাশ্যে আসার ভয় পায় এরা। তাই ধর্না সহ নানাভাবে হাঙ্গামা করে।

অভিযোগের সুরে প্রধানমন্ত্রী বলেন বিজেপির জনসভায় যেতে গিয়ে আক্রান্ত হতে হচ্ছে বিজেপি কর্মী সমর্থকদের। এ প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর হুঁশিয়ারি যতই বাধা দাও, বিজেপি ভয় পায় না। সমস্ত রকম রক্তচক্ষুকে উপেক্ষা করেই বিজেপির সভায় ভিড় উপচে পড়ছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, হিংসার রাজনীতি সত্বেও পঞ্চায়েত নির্বাচনে রাজ্যের জনগণ দেখিয়ে দিয়েছেন তারা পরিবর্তন চান। তার কথায় পঞ্চায়েত নির্বাচন ছিল ট্রেলার। আর লোকসভা নির্বাচনের আগের সভা গুলিতে ভিড় বলে দিচ্ছে যা ত্রিপুরায় হয়েছিল তাই হবে পশ্চিমবঙ্গে।

Leave a Reply

avatar
  Subscribe  
Notify of