বিজ্ঞাপনের জন্য আমাদের সঙ্গে যোগাযোগের মাধ্যম : amaderbharatdesk@gmail.com    ১৯শেই সাফ তৃণমূল : মোদী।    চিটফান্ড কেলেঙ্কারিতে জেলে যাবেন পার্থ : কৈলাশ বিজয়বর্গীয়    আমি বিজেপির ভয়ানক বিরোধী, কিন্তু এটা উকিলের চোখে ধরা পড়ছে মূর্তি টিএমসিপি ভেঙেছে : অরুণাভ ঘোষ।    মুখ্যমন্ত্রীর প্ররোচনায় নরসংহার শুরু করতে পারে তৃণমূল, রাজ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের দাবি বিজেপির।    তৃণমূল বিদ্যাসাগরের মূর্তি যে ভেঙ্গেছে সেখানে পঞ্চ ধাতুর মূর্তি বানিয়ে দেব : ঘোষণা মোদীর।    সারদা নরদা নিয়ে বড় বড় কথা আর চিটফান্ডের মালিকের মাঠে সভা করছে প্রধানমন্ত্রী : মমতা।    কমিশনের নির্দেশ অমান্য ! স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকে গরহাজির রাজীব কুমার।    এবার লালবাজারে ডাকা হতে পারেন অমিত শাহকে!    ক্ষুব্ধ ঝাড়গ্রামের নীরব অপেক্ষা ফলাফলের জন্য।    “নারী শিক্ষার দিশারীকে ভূ-লুন্ঠিত হতে হল বাঙালীদের হাতে, এর থেকে লজ্জা কি আছে?”: ক্ষোভ বীরসিংহবাসীর।    রানাঘাটের মত নিশ্চিত আসনেও সিঁদুরে মেঘ দেখছে তৃণমূল।    মহামিছিল করে ভাটপাড়ায় প্রচার শেষ করতে চান মদন।    আজ আপনার কেমন যাবে জেনে নিন।    নির্বাচনের আগে ভোট পরিস্থিতি খতিয়ে দেখলেন বিশেষ পুলিশ পর্যবেক্ষক বিবেক দুবে।


ফের বড়বাজারে কোটিরও বেশি কালো টাকা উদ্ধার গোয়েন্দাদের

চিন্ময় ভট্টাচার্য

আমাদের ভারত, ১৫ মে: ফের বড়বাজার থেকে বিপুল পরিমাণ কালো টাকা উদ্ধার করল কলকাতা পুলিশ। উদ্ধার হয়েছে নগদ এক কোটি ৫০ হাজার টাকা। ঘটনায় মোট তিন জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ধৃতদের নাম কুণাল কুমার, রাহুল কুমার ও মোহন আগরওয়াল।


(ধৃত মোহন আগরওয়াল)

সূত্র মারফত লালবাজারের গোয়েন্দা বিভাগ খবর পেয়েছিল, কলকাতার বড়বাজার থানা এলাকায় হাতবদল হতে চলেছে বিপুল পরিমাণ নগদ কালো টাকা। এর পরই তৎপরতা বাড়িয়ে দেন, নজরদারি বিভাগ ও গুন্ডাদমন শাখার অফিসাররা। তাঁরা সাদা পোশাকে কড়া নজরদারি শুরু করেন বড়বাজার থানা এলাকায়।


(অন্যতম ধৃত রাহুল কুমার)

এর মধ্যেই নজরদারি বিভাগের আধিকারিকরা, কুণাল কুমার ও রাহুল কুমার নামে দুই সন্দেহভাজনকে মির বাহার ঘাট রোড ও স্ট্র্যান্ড রোড ক্রসিংয়ে আটক করেন। তল্লাশি চালিয়ে তাঁদের থেকে উদ্ধার হয় মোট নগদ ৬৫ লক্ষ টাকা। পাশাপাশি, গুন্ডাদমন শাখার আধিকারিকরা ৪৬নং স্ট্র্যান্ড রোড এলাকায় মোহন আগরওয়াল নামে এক ব্যক্তির থেকে উদ্ধার করেন নগদ ৩৫ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা।


(অভিযুক্ত কুণাল কুমার)

কীভাবে তাঁদের কাছে এই বিপুল পরিমাণ টাকা এল, তার কোনও সদুত্তর দিতে পারেনি এই তিন অভিযুক্ত। বিষয়টি নির্বাচনী বিধি মেনে আয়কর দপ্তরকেও জানানো হয়েছে। মাত্র কিছুদিন আগেই বড়বাজার এবং সংলগ্ন এলাকায় তল্লাশি চালিয়ে এককোটিরও বেশি কালো টাকা উদ্ধার করেছিলেন কলকাতা পুলিশের গোয়েন্দারা। তার পর আসানসোলে দিলীপ ঘোষের প্রাক্তন আপ্ত সহায়কের কাছে উদ্ধার হয়েছে কোটি টাকারও বেশি নগদ। নির্বাচনের সময় এই বিপুল পরিমাণ অর্থ আসলে ভোটারদের প্রভাবিত করার কথা মাথায় রেখে আমদানি করা হচ্ছে বলেই গোয়েন্দারা মনে করছেন।

Leave a Reply

avatar
  Subscribe  
Notify of