বিজ্ঞাপনের জন্য আমাদের সঙ্গে যোগাযোগের মাধ্যম : amaderbharatdesk@gmail.com    “ওদেরকে শাস্তি দেওয়ার সময় এসে গেছে” কংগ্রেসকে তোপ যোগগুরু রামদেব বাবার।    রাত পোহালেই রাজ্যে দ্বিতীয় দফায় নির্বাচন।     দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি ও রায়গঞ্জ লোকসভা কেন্দ্রে হবে ভোটগ্রহণ।    “টাকার থলি নিয়ে রাস্তায় রাস্তায় ঘুরছে আরএসএসের দালালরা” অভিযোগ মমতার।    সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেলে ছয় মাসের মধ্যেই বিধানসভা ভোট করাব বললেন আলুয়ালিয়া।    ঝাঁটা হাতে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে এলাকা ছাড়া করার নিদান রাজ্যের মন্ত্রীর।    কান্দিতে অধীর গড়ে দাঁড়িয়ে কংগ্রেস ও বিজেপিকে তোপ মমতার।    নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য “ইউনিক কালার কোডিং” ব্যবস্থা।    আরও কড়া হল কমিশন, দুবের মাথায় বসল নতুন পর্যবেক্ষক।    অমিত, যোগীর জোড়া ফলায় মমতাকে ঘায়েলের চেষ্টা বিজেপির।    জয়ের প্রচারে আমতায় রাজনাথ সিং।    ঘাটালে একা কুম্ভ ভারতী।    আজ আপনার কেমন যাবে জেনে নিন।    ভোটের দিনগুলোয় কেন্দ্রীয় নেতাদের এনে কিস্তিমাত করতে কৌশল বিজেপির।


স্বাধীনতার পরও জীবনভর দেশ গড়ার লড়াই, পদ্মশ্রী পাচ্ছেন স্বাধীনতা সংগ্রামী সুধাংশু বিশ্বাস

আমাদের ভারত, কলকাতা, ২৬ জানুয়ারি: শতায়ু হতে বাকি আর মাত্র কয়েক কদম। এরই মধ্যে ৯৯ বছর বয়সে ভারত সরকারের তরফ থেকে বিশেষ সম্মানে সম্মানিত হতে চলেছেন তিনি। এ বছর পদ্মশ্রী প্রাপকদের তালিকায় নির্বাচিত হয়েছে তাঁর নাম।
তাঁর নাম সুধাংশু বিশ্বাস। একসময় দেশের স্বাধীনতার জন্যে ইংরেজদের বিরুদ্ধে লড়াই করেছিলেন। কিন্তু স্বাধীনতার পর বুঝেছিলেন, দেশের মানুষের পেটে ভাত নেই, শিক্ষা নেই। তাই স্বাধীনতার পর নিজের পুরো জীবনটাই দেশের গঠনে দিয়ে দিলেন। জীবনে এই অনবদ্য অবদানের জন্য ২০১৮ সালের পদ্মশ্রী প্রাপক হিসেবে বিশিষ্ট সমাজসেবী সুধাংশু বাবুর নাম ঘোষণা হয়েছে।
১৯১৮ সালে কলকাতা থেকে ৩৫ কিমি দূরে বর্তমান দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার রামকৃষ্ণপুরে জন্মগ্রহণ করেছিলেন সুধাংশু বিশ্বাস। তাঁর জন্মের অনেক আগে থেকে রামকৃষ্ণ মিশনের সঙ্গে গভীরভাবে জড়িয়ে ছিল বিশ্বাস পরিবার।
অল্প বয়সেই লেখাপড়ার জন্য তাঁকে চলে আসতে হয় কলকাতায়। সেই সময় ব্রিটিশ বিরোধী বিক্ষোভে উত্তাল হয়ে রয়েছে সমগ্র দেশ। সেই সময় খুব সহজেই দেশের স্বাধীনতা আন্দোলনের সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন ছাত্র সুধাংশু বিশ্বাস। জেলেও যেতে হয়েছিল তাঁকে। দেশ স্বাধীন হলেও শুরু হল স্বাধীনতা সংগ্রামী সুধাংশু বিশ্বাসের নতুন লড়াই।
একে একে প্রতিষ্ঠা করতে শুরু করলেন নিজের খরচে গরিব বাচ্চাদের জন্যে স্কুল, অনাথ আশ্রম, স্বাস্থ্যকেন্দ্র। সুন্দরবন এলাকা থেকে শুরু করে রাজ্যের বহু প্রান্তেই নিজের লড়াই ছড়িয়ে দিয়েছেন। সুন্দরবন থেকে রাজ্যের বহু প্রত্যন্ত এলাকাতেই স্থাপন করেছেন রামকৃষ্ণ মিশন। বাংলার এই মহান ব্যক্তিকেই পদ্মশ্রী সম্মানের জন্য নির্বাচিত করেছেন ভারত সরকার।

Leave a Reply

avatar
  Subscribe  
Notify of