যেকোন খবরের জন্য আমাদের সঙ্গে যোগাযোগের মাধ্যম : amaderbharatnews@gmail.com    এই বছরই দ্বিতীয় বার লালকেল্লায় জাতীয় পতাকা উত্তোলন করতে চলেছেন মোদী, জানেন কি কেন।    আদিবাসী শিশুদের নতুন জামাকাপড় দিল হিন্দু সংহতি।    ধুনুচি নাচ থেকে পেটপুরে ভুরিভোজ, পুজোয় মেতে উঠেছে আট থেকে আশি।    “লোকসভা নির্বাচনের আগে চালু হবে ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রো”: বাবুল সুপ্রিয়।    পুজো স্পেশাল শপিং অফার চালু করল স্টেট ব্যাংক অফ ইন্ডিয়া।    পুজোর মধ্যেও রাজনৈতিক সংঘর্ষ, গুড়াপে আক্রান্ত বিজেপি, বাড়ি ভাঙ্গচুর, আগুন।    ট্যাংরার গুদামে ভয়াবহ অাগুন, ঘটনাস্থলে দমকলের ৫টি ইঞ্জিন।    কল্যাণী হাইওয়েতে বেপরোয়া গতির বলি বাইক আরোহী।    ট্রেনে এবার ঝাঁকুনি ফ্রি সফর।    মেদিনীপুরে শিল্পের উন্নত পরিকাঠামো গড়তে মুখ্যমন্ত্রীর উদ্যোগ।    র‍্যাফটিং করতে গিয়ে তিস্তার জলে তলিয়ে মৃত্যু ভিন রাজ্যের মহিলার।    ভাড়াটিয়ার পরকীয়ায় বাধা দিয়ে সোনারপুরে খুন বাড়ির মালিক।    আজ আপনার কেমন যাবে জেনে নিন।    পুজোর মরসুমে বালুরঘাটে জমে উঠেছে রমরমা জুয়ার আসর।
BREAKING NEWS:
  • আজ বিজয়া দশমী।
  • বিষাদের সুর আকাশে বাতাসে।
  • নদীর ঘাটে বিসর্জনের প্রস্তুতি।
{"effect":"slide-h","fontstyle":"normal","autoplay":"true","timer":4000}


আর্থিক অনটন আটকাতে পারল না মেধাকে, পুরুলিয়ার একই পরিবারের দুই মেয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিকে ভালো ফল

আমাদের ভারত,  পুরুলিয়া, ১০ জুন: অনেকটা যেন ভাঙা ঘরে চাঁদের আলোর মতো। মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিকে দুই মেয়ের দারুণ সাফল্যের পর পুরুলিয়ার শিবডি গ্রামের হত দরিদ্র তেওয়াড়ি পরিবারে এখন সেই রকমটাই মনে করছেন গ্রামবাসীরা। আর্থিক অনটন দুই মেয়ের মেধাকে দমিয়ে রাখতে চেয়েছে। নিজেদের প্রতিষ্ঠিত হওয়ার লড়াই আরও কঠিন জেনেও পিছপা হতে চায়নি গোটা পরিবার।

অভাব ও প্রতিকূলতার মধ্যেই জেদ আর দৃঢ় সংকল্প নিয়ে এবার মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় বসেছিল পুরুলিয়া-১ ব্লকের ডিমডিহা গ্রামপঞ্চায়েতের অন্তর্গত শিবডি গ্রামের সঙ্গীতা তেওয়ারি ও পূজা তেওয়ারি। পূজা উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় ৩৫৯ নম্বর অর্থাৎ ৭১ শতাংশ নম্বর পেয়ে পাশ করেছে। সরকারি প্রতিষ্ঠানে নার্স হয়ে জীবনে প্রতিষ্ঠিত হতে চায় সে।সঙ্গিতা মাধ্যমিকে ৬৩৩ নম্বর অর্থাৎ ৮৯ শতাংশ নম্বর পেয়ে বিজ্ঞান বিষয়ে পড়তে চায়। গণিতের শিক্ষিকা হওয়ার ইচ্ছে রয়েছে তার। দুই বোনের এমন স্বপ্নের পথে এখন প্রধান বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে  চরম দারিদ্রতা। অভাবের সংসারে কোনও রকম টিউশনি না নিয়েও এমন রেজাল্ট করবে তা কখনও স্বপ্নেও ভেবেছিল না গোটা গ্রাম। কাঠের দরজা, মাটির ঘরে টালির চালায় দুটি ছোট কক্ষ। সারা বছর ওই মাটির ঘরেই মা, বাবাও চার ভাই বোন বসবাস করে। বাবা জয়শংকর তেওয়ারি রাঁধুনির কাজ করেন। মা মঞ্জু দেবী ওই ভাবেই কোনো রকমে টেনেটুনে সংসার চালান। তবুও ছেলে-মেয়ের পড়াশোনায় অভাবকে উপেক্ষা করেই হাসিখুশি থেকে জীবনের পথে এগিয়ে চলেছেন সকলেই।

Leave a Reply

avatar
  Subscribe  
Notify of