আর্জেন্টিনাকে দ্বিতীয় রাউন্ডে যেতে হলে যা যা করতে হবে।    ২০১৯-এ তিনশোর বেশি আসন পাবে বিজেপি!    নির্বংশ তৃণমূলে ২০১৯ এর পর বাতি দেওয়ার লোক থাকবে না : রাহুল সিনহা।    উস্কানিমূলক মন্তব্য ! সায়ন্তন বসুর বিরুদ্ধে মামলা রুজু করলো পুলিশ।    রাজ্য সরকারের নয়, কেন্দ্রের নিরাপত্তা রক্ষী নিতেই ইচ্ছুক মুকুল রায়।    আগেরবারের মত এবারেও শেষ মুহূর্তে বাতিল মুখ‍্যমন্ত্রীর চিন সফর, তবে কারণটা অদ্ভুত।     কোচবিহারে এলে দিলীপ ঘোষকে সাগরদিঘীর জলে দাঁড় করিয়ে রাখার হুঁশিয়ারি মন্ত্রী রবীন্দ্রনাথ ঘোষের।    তৃণমূল কংগ্রেস যে-ভাষা বোঝে আমরাও সেই ভাষায় বোঝাব : আবদুল মান্নান।    বধূ নির্যাতনের শিকার খোদ আলিপুরের মহিলা আইনজীবী ! গ্রেফতার স্বামী।    ২০১৯ সালে তৃণমূল দল আর বাংলায় থাকবে না : মুকুল রায়।    ঘি এর নামে কি খাচ্ছেন আপনারা ? জানতে দেখুন।     আপনার এ সপ্তাহ কেমন যাবে জেনে নিন আমাদের সাপ্তাহিক রাশিফল থেকে।
BREAKING NEWS:
  • আজকের বিশ্বকাপ ফুটবলের ফলাফল
  • ৬টার খেলায় ব্রাজিল- ২কোস্টারিকা_0
  • ৯টায় নাইজেরিয়া-২ আইসল্যান্ড-০
  • রাত ১২ টায় সার্বিয়া-১সুইজারল্যান্ড-২
{"effect":"slide-h","fontstyle":"normal","autoplay":"true","timer":4000}


আর্থিক অনটন আটকাতে পারল না মেধাকে, পুরুলিয়ার একই পরিবারের দুই মেয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিকে ভালো ফল

আমাদের ভারত,  পুরুলিয়া, ১০ জুন: অনেকটা যেন ভাঙা ঘরে চাঁদের আলোর মতো। মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিকে দুই মেয়ের দারুণ সাফল্যের পর পুরুলিয়ার শিবডি গ্রামের হত দরিদ্র তেওয়াড়ি পরিবারে এখন সেই রকমটাই মনে করছেন গ্রামবাসীরা। আর্থিক অনটন দুই মেয়ের মেধাকে দমিয়ে রাখতে চেয়েছে। নিজেদের প্রতিষ্ঠিত হওয়ার লড়াই আরও কঠিন জেনেও পিছপা হতে চায়নি গোটা পরিবার।

অভাব ও প্রতিকূলতার মধ্যেই জেদ আর দৃঢ় সংকল্প নিয়ে এবার মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় বসেছিল পুরুলিয়া-১ ব্লকের ডিমডিহা গ্রামপঞ্চায়েতের অন্তর্গত শিবডি গ্রামের সঙ্গীতা তেওয়ারি ও পূজা তেওয়ারি। পূজা উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় ৩৫৯ নম্বর অর্থাৎ ৭১ শতাংশ নম্বর পেয়ে পাশ করেছে। সরকারি প্রতিষ্ঠানে নার্স হয়ে জীবনে প্রতিষ্ঠিত হতে চায় সে।সঙ্গিতা মাধ্যমিকে ৬৩৩ নম্বর অর্থাৎ ৮৯ শতাংশ নম্বর পেয়ে বিজ্ঞান বিষয়ে পড়তে চায়। গণিতের শিক্ষিকা হওয়ার ইচ্ছে রয়েছে তার। দুই বোনের এমন স্বপ্নের পথে এখন প্রধান বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে  চরম দারিদ্রতা। অভাবের সংসারে কোনও রকম টিউশনি না নিয়েও এমন রেজাল্ট করবে তা কখনও স্বপ্নেও ভেবেছিল না গোটা গ্রাম। কাঠের দরজা, মাটির ঘরে টালির চালায় দুটি ছোট কক্ষ। সারা বছর ওই মাটির ঘরেই মা, বাবাও চার ভাই বোন বসবাস করে। বাবা জয়শংকর তেওয়ারি রাঁধুনির কাজ করেন। মা মঞ্জু দেবী ওই ভাবেই কোনো রকমে টেনেটুনে সংসার চালান। তবুও ছেলে-মেয়ের পড়াশোনায় অভাবকে উপেক্ষা করেই হাসিখুশি থেকে জীবনের পথে এগিয়ে চলেছেন সকলেই।

loading...

Leave a Reply

Be the First to Comment!

avatar
  Subscribe  
Notify of