যেকোন রকম বিজ্ঞাপনের জন্য আমাদের সঙ্গে যোগাযোগের মাধ্যম : amaderbharatdesk@gmail.com    ৩ হাজারের বেশি অ্যান্টি ট্যাংক মিসাইল কিনতে পারে ভারত ফ্রান্স থেকে।     কংগ্রেসের ইস্তেহারে রামমন্দির যুক্ত হলে আমরা তাদের সমর্থনের কথা ভাবতে পারি : ভিএইচপি।    বিজেপির বিরুদ্ধে কংগ্রেসের প্রার্থী হতে পারেন করিনা কাপুর।    মমতা নয় রাহুলকেই নেতা দেখতে চান তারা, ব্রিগেডের পরেই জানালেন তেজস্বী, স্টালিনরা।     একসময় কাগজ কুড়াতেন আজ চণ্ডীগড়ের মেয়র এই বিজেপি নেতা।    ব্রিগেডে খরচের উসুল তুলতে ব্যর্থ তৃণমূল, সোশ্যাল মিডিয়ায় মোদিকে হারিয়েই সন্তুষ্ট।    মালদায় অমিত শাহ-যোগীর সভা সফল করার জন্য বিজেপির তিন প্ল্যান।    ব্রিগেডের সভার বদলে আসানসোলে সভা করবে প্রধানমন্ত্রী, জানালেন দিলীপ ঘোষ।    জম্মু-কাশ্মীরে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাবে বিজেপি , দাবি রাম মাধবের।    জয়নগরে অমিত শাহের সভার আগেই রাস্তাঘাট তৃণমূলের দখলে।    লোকসভা নির্বাচনকে মাথায় রেখে সফরে জিটিএর প্রতি মুক্তহস্ত মমতা।    ডুয়ার্সে চিতাবাঘের চামড়া সহ আটক পাঁচ চোরাচালানকারী।    আজ আপনার কেমন যাবে জেনে নিন।    বিজেপি নেতার মাতৃবিয়োগে সমবেদনা জানাতে দুর্গাপুরে রাজ্যপাল।


বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের নির্যাতনের প্রতিবাদে ভারতের বন্ধুরা রাজপথে

আমরা কি ঘরে বসে থাকতে পারি ?

মিঠুন চৌধুরী :

গত শনিবার হাজার হাজার লোকের সমাগমে কলকাতায় বাংলাদেশ দুতাবাস ঘেরাও কর্মসুচী পালিত হয়। বিশ্ব হিন্দু পরিষদের আয়োজনে প্রত্যেক নেতৃবৃন্দের জ্বালাময়ী শ্লোগানে শ্লোগানে মুখরিত ছিল কলকাতার রাজপথ।
বাংলাদেশে দুতাবাসের কাছাকাছি যেতেই কলকাতা পুলিশ বাঁধা প্রদান করে। পুলিশ ব্যারিকেট দিয়ে প্রাচীর তৈরি করে। বিশ্ব হিন্দু পরিষদের সিনিয়র নেতৃবৃন্দের সঙ্গে পুলিশের উত্তপ্ত বাক্য বিনিময়ও হয়। পরে অসংখ্য মানুষ ও সাংবাদিকের উপস্থিতিতে বাংলাদেশে সংখ্যালঘু নির্যাতনের প্রতিবাদে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কুশ পুত্তলিকা দাহ করা হয়। সেই সঙ্গে সিনিয়র নেতৃবৃন্দের প্রতিবাদ মুখর বক্তৃতা কর্মসুচীকে আরও গতিশীল করে।

বাংলাদেশের সংখ্যালঘু ভাই বোনেরা , এদিন কলকাতায় যে জাগরণ দেখলাম, কে বলে আমাদের পক্ষে লোক নেই। ওরা আমাকে আশ্বস্ত করেছে যে ভারতের সরকার সহ সকল নাগরিক আমাদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় পাশে থাকবে।

আমি সকল অঙ্গীকার নিয়েই দেশে ফিরছি । এবার আর ঘরে বসে থাকা নয়। এবার লড়তে হবে। অধিকার প্রতিষ্ঠা করতেই হবে। বাংলাদেশের প্রত্যেক তরুণ-তরুণী তোমরা আমার ভাই -বোন। আগামীর বাংলাদেশ তোমরা কোথায় দেখতে চাও ? এখন থেকে প্রস্তুতি নাও। সংখ্যালঘুরা কি শুধুই নির্যাতিত হবে ? নাকি রাষ্ট্র ক্ষমতা পরিচালনা করবে, এ দায়িত্ব তোমাদের হাতে ছেড়ে দিলাম।

চলুন বাঁচার মত বাঁচি। বীরের মত চলি। বাংলাদেশ আমার মাতৃভূমি। আমার অধিকার আমি প্রতিষ্ঠা করবই , এ হোক সকলের অঙ্গীকার। কোনও বিভেদ নয়, বাংলাদেশে অবস্থানরত সকল সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় সংগঠনকে আহ্বান করছি – আসুন বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রীষ্টান আদিবাসী পার্টির পতাকাতলে। আসুন পরিবর্তনের জন্য এক সাথে আওয়াজ তুলি। আসুন ৪৬ বছর ধরে নির্যাতনের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক ভাবে মোকাবিলা করি। আসুন আমাদের প্রতীক পদ্মফুলকে বিজয়ী করি। সেই সাথে নতুন বাংলাদেশ জাতিকে উপহার দিই।

Leave a Reply

avatar
  Subscribe  
Notify of