যেকোন খবরের জন্য আমাদের সঙ্গে যোগাযোগের মাধ্যম : amaderbharatnews@gmail.com    এই বছরই দ্বিতীয় বার লালকেল্লায় জাতীয় পতাকা উত্তোলন করতে চলেছেন মোদী, জানেন কি কেন।    আদিবাসী শিশুদের নতুন জামাকাপড় দিল হিন্দু সংহতি।    ধুনুচি নাচ থেকে পেটপুরে ভুরিভোজ, পুজোয় মেতে উঠেছে আট থেকে আশি।    “লোকসভা নির্বাচনের আগে চালু হবে ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রো”: বাবুল সুপ্রিয়।    পুজো স্পেশাল শপিং অফার চালু করল স্টেট ব্যাংক অফ ইন্ডিয়া।    পুজোর মধ্যেও রাজনৈতিক সংঘর্ষ, গুড়াপে আক্রান্ত বিজেপি, বাড়ি ভাঙ্গচুর, আগুন।    ট্যাংরার গুদামে ভয়াবহ অাগুন, ঘটনাস্থলে দমকলের ৫টি ইঞ্জিন।    কল্যাণী হাইওয়েতে বেপরোয়া গতির বলি বাইক আরোহী।    ট্রেনে এবার ঝাঁকুনি ফ্রি সফর।    মেদিনীপুরে শিল্পের উন্নত পরিকাঠামো গড়তে মুখ্যমন্ত্রীর উদ্যোগ।    র‍্যাফটিং করতে গিয়ে তিস্তার জলে তলিয়ে মৃত্যু ভিন রাজ্যের মহিলার।    ভাড়াটিয়ার পরকীয়ায় বাধা দিয়ে সোনারপুরে খুন বাড়ির মালিক।    আজ আপনার কেমন যাবে জেনে নিন।    পুজোর মরসুমে বালুরঘাটে জমে উঠেছে রমরমা জুয়ার আসর।
BREAKING NEWS:
  • আজ মহানবমী।
  • সকাল থেকেই মন্ডপে মন্ডপে ভীড়।
{"effect":"slide-h","fontstyle":"normal","autoplay":"true","timer":4000}


বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের নির্যাতনের প্রতিবাদে ভারতের বন্ধুরা রাজপথে

আমরা কি ঘরে বসে থাকতে পারি ?

মিঠুন চৌধুরী :

গত শনিবার হাজার হাজার লোকের সমাগমে কলকাতায় বাংলাদেশ দুতাবাস ঘেরাও কর্মসুচী পালিত হয়। বিশ্ব হিন্দু পরিষদের আয়োজনে প্রত্যেক নেতৃবৃন্দের জ্বালাময়ী শ্লোগানে শ্লোগানে মুখরিত ছিল কলকাতার রাজপথ।
বাংলাদেশে দুতাবাসের কাছাকাছি যেতেই কলকাতা পুলিশ বাঁধা প্রদান করে। পুলিশ ব্যারিকেট দিয়ে প্রাচীর তৈরি করে। বিশ্ব হিন্দু পরিষদের সিনিয়র নেতৃবৃন্দের সঙ্গে পুলিশের উত্তপ্ত বাক্য বিনিময়ও হয়। পরে অসংখ্য মানুষ ও সাংবাদিকের উপস্থিতিতে বাংলাদেশে সংখ্যালঘু নির্যাতনের প্রতিবাদে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কুশ পুত্তলিকা দাহ করা হয়। সেই সঙ্গে সিনিয়র নেতৃবৃন্দের প্রতিবাদ মুখর বক্তৃতা কর্মসুচীকে আরও গতিশীল করে।

বাংলাদেশের সংখ্যালঘু ভাই বোনেরা , এদিন কলকাতায় যে জাগরণ দেখলাম, কে বলে আমাদের পক্ষে লোক নেই। ওরা আমাকে আশ্বস্ত করেছে যে ভারতের সরকার সহ সকল নাগরিক আমাদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় পাশে থাকবে।

আমি সকল অঙ্গীকার নিয়েই দেশে ফিরছি । এবার আর ঘরে বসে থাকা নয়। এবার লড়তে হবে। অধিকার প্রতিষ্ঠা করতেই হবে। বাংলাদেশের প্রত্যেক তরুণ-তরুণী তোমরা আমার ভাই -বোন। আগামীর বাংলাদেশ তোমরা কোথায় দেখতে চাও ? এখন থেকে প্রস্তুতি নাও। সংখ্যালঘুরা কি শুধুই নির্যাতিত হবে ? নাকি রাষ্ট্র ক্ষমতা পরিচালনা করবে, এ দায়িত্ব তোমাদের হাতে ছেড়ে দিলাম।

চলুন বাঁচার মত বাঁচি। বীরের মত চলি। বাংলাদেশ আমার মাতৃভূমি। আমার অধিকার আমি প্রতিষ্ঠা করবই , এ হোক সকলের অঙ্গীকার। কোনও বিভেদ নয়, বাংলাদেশে অবস্থানরত সকল সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় সংগঠনকে আহ্বান করছি – আসুন বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রীষ্টান আদিবাসী পার্টির পতাকাতলে। আসুন পরিবর্তনের জন্য এক সাথে আওয়াজ তুলি। আসুন ৪৬ বছর ধরে নির্যাতনের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক ভাবে মোকাবিলা করি। আসুন আমাদের প্রতীক পদ্মফুলকে বিজয়ী করি। সেই সাথে নতুন বাংলাদেশ জাতিকে উপহার দিই।

Leave a Reply

avatar
  Subscribe  
Notify of