খারিজ অনাস্থা, জয়ের হাসি মোদির ঠোঁটে।    ২১-র সভা থেকে মমতার অঙ্গীকার ১৯-এ ভারত দখল।    ২১ জুলাইয়ে সংখ্যালঘু উন্নয়ন নিয়ে নিশ্চুপ মমতা, ক্ষোভ মুসলিম মহলে।    মমতার প্রশ্নের উত্তরে মমতাকেই বিঁধলেন মুকুল।    “কৃষক বন্ধু প্রধানমন্ত্রী, অথচ বন্যায় কৃষকরাই মরছে”: মানস ভুঁইয়া।    মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি দেওয়া দলীয় ঝাণ্ডার উপর তৃণমূল নেতার পা দেওয়া ছবি ভাইরাল পুরুলিয়ায়।    জেল থেকে বেরিয়ে আন্দোলন নিয়ে ফের বৈঠক অলীকের।    পর পর ১৯টি গুলি খেয়েও ভারতের পতাকা কার্গিলের পাহাড়ে উড়িয়েছিলেন ব্রিগেডিয়ার যোগেন্দ্র সিং যাদব।    আপনার দিনটি কেমন যাবে জেনে নিন আমাদের দৈনিক রাশিফল থেকে।    ২০ বছরে কাইলি বিশ্বের কমবয়সী ধনী মহিলা, কে এই যুবতী?    খোলামেলা পোশাকে উর্বশী রাউতেলা, সোশ্যাল মিডিয়ায় আলোড়ন।    প্রফুল্ল কন্যার বিবাহ-সঙ্গীত অনুষ্ঠানে উপস্থিত প্রাক্তন ভারত অধিনায়ক ধোনি সহ পরিবার।     এশিয়া জুনিয়র ব্যাডমিন্টন চ্যাম্পিয়নশিপে ৫৩ বছর পর সোনা ভারতের।
BREAKING NEWS:
  • ২৩ আগস্ট ব্রিগেডে বিজেপির সভা।
  • ১৯ আগস্ট তৃণমূল ব্রিগেড সভা করবে
{"effect":"slide-h","fontstyle":"normal","autoplay":"true","timer":4000}


বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের নির্যাতনের প্রতিবাদে ভারতের বন্ধুরা রাজপথে

আমরা কি ঘরে বসে থাকতে পারি ?

মিঠুন চৌধুরী :

গত শনিবার হাজার হাজার লোকের সমাগমে কলকাতায় বাংলাদেশ দুতাবাস ঘেরাও কর্মসুচী পালিত হয়। বিশ্ব হিন্দু পরিষদের আয়োজনে প্রত্যেক নেতৃবৃন্দের জ্বালাময়ী শ্লোগানে শ্লোগানে মুখরিত ছিল কলকাতার রাজপথ।
বাংলাদেশে দুতাবাসের কাছাকাছি যেতেই কলকাতা পুলিশ বাঁধা প্রদান করে। পুলিশ ব্যারিকেট দিয়ে প্রাচীর তৈরি করে। বিশ্ব হিন্দু পরিষদের সিনিয়র নেতৃবৃন্দের সঙ্গে পুলিশের উত্তপ্ত বাক্য বিনিময়ও হয়। পরে অসংখ্য মানুষ ও সাংবাদিকের উপস্থিতিতে বাংলাদেশে সংখ্যালঘু নির্যাতনের প্রতিবাদে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কুশ পুত্তলিকা দাহ করা হয়। সেই সঙ্গে সিনিয়র নেতৃবৃন্দের প্রতিবাদ মুখর বক্তৃতা কর্মসুচীকে আরও গতিশীল করে।

বাংলাদেশের সংখ্যালঘু ভাই বোনেরা , এদিন কলকাতায় যে জাগরণ দেখলাম, কে বলে আমাদের পক্ষে লোক নেই। ওরা আমাকে আশ্বস্ত করেছে যে ভারতের সরকার সহ সকল নাগরিক আমাদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় পাশে থাকবে।

আমি সকল অঙ্গীকার নিয়েই দেশে ফিরছি । এবার আর ঘরে বসে থাকা নয়। এবার লড়তে হবে। অধিকার প্রতিষ্ঠা করতেই হবে। বাংলাদেশের প্রত্যেক তরুণ-তরুণী তোমরা আমার ভাই -বোন। আগামীর বাংলাদেশ তোমরা কোথায় দেখতে চাও ? এখন থেকে প্রস্তুতি নাও। সংখ্যালঘুরা কি শুধুই নির্যাতিত হবে ? নাকি রাষ্ট্র ক্ষমতা পরিচালনা করবে, এ দায়িত্ব তোমাদের হাতে ছেড়ে দিলাম।

চলুন বাঁচার মত বাঁচি। বীরের মত চলি। বাংলাদেশ আমার মাতৃভূমি। আমার অধিকার আমি প্রতিষ্ঠা করবই , এ হোক সকলের অঙ্গীকার। কোনও বিভেদ নয়, বাংলাদেশে অবস্থানরত সকল সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় সংগঠনকে আহ্বান করছি – আসুন বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রীষ্টান আদিবাসী পার্টির পতাকাতলে। আসুন পরিবর্তনের জন্য এক সাথে আওয়াজ তুলি। আসুন ৪৬ বছর ধরে নির্যাতনের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক ভাবে মোকাবিলা করি। আসুন আমাদের প্রতীক পদ্মফুলকে বিজয়ী করি। সেই সাথে নতুন বাংলাদেশ জাতিকে উপহার দিই।

Leave a Reply

Be the First to Comment!

avatar
  Subscribe  
Notify of