যেকোন রকম বিজ্ঞাপনের জন্য আমাদের সঙ্গে যোগাযোগের মাধ্যম : amaderbharatdesk@gmail.com    চলে গেলেন দক্ষিণ ভারতে বিজেপির পদ্ম ফোটানোর অন্যতম কারিগর ও সৈনিক অনন্ত।    হিন্দু শরণার্থীদের নাগরিকত্ব, অবৈধ অনুপ্রবেশকারি বিতাড়নের দাবিতে রাজ্য জুড়ে আন্দোলনের পথে হিন্দু সংহতি।    মদ ও মাংস বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হল অযোধ্যা জেলায়।    রথযাত্রার অনুমতি নিয়ে পুলিশের বিরুদ্ধে গড়িমসির অভিযোগ, আদালতে যাওয়া হুমকি দিলীপ ঘোষের।    মোদী উদ্বোধন করলেন দেশের প্রথম আন্তঃ রাজ্য জলপথ পন্য পরিবহন পরিষেবা, জলপথে যুক্ত হল উত্তর প্রদেশ -পশ্চিমবঙ্গ।    দাড়িভিট কাণ্ডে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের রিপোর্ট চায় হাইকোর্ট।    এসআরএফটিআই ক্যাম্পাসে ভিন রাজ্যের ছাত্রীর শ্লীলতাহানির অভিযোগ।    বন্দিদশা থেকে মুক্তি, দেশে ফিরলেন মালয়েশিয়ায় নিপীড়িত কলকাতার সঞ্জয় মল্লিক।    রোগী মৃত্যুকে ঘিরে গাফিলতির অভিযোগে ফের রণক্ষেত্র পিয়ারলেস, ভাঙচুর।    সহবাস করার পরে ভুয়ো ফেসবুক অ্যাকাউন্ট খুলে সেই ছবি পোষ্ট করায় গ্রেফতার যুবক।    রাজ্য সরকারি কর্মীদের জন্য এবার ছট পুজোয় দু’দিন ছুটি ঘোষণা রাজ্য সরকারের।    আইএসএলের ধাঁচে সুন্দরবন মাতল ফুটবল উৎসবে।    আজ আপনার কেমন যাবে জেনে নিন।    গ্যাসের আলো থেকে এলইডি, জগদ্ধাত্রীর শহরে আলোর বিবর্তন।
BREAKING NEWS:
  • পুরীগামী ধৌলি এক্সপ্রেস লাইনচুত্য।
  • পাঁশকুড়ার কাছে লাইনচুত্য হয় ধৌলি।
  • দূর্ঘটনায় কোন হতাহতের খবর নেই।
{"effect":"slide-h","fontstyle":"normal","autoplay":"true","timer":4000}


২০ বছর ধরে সবজি বেচে হাসপাতাল তৈরি, সেই সুভাষিণী মিস্ত্রি এবার পদ্মশ্রী প্রাপক

আমাদের ভারত, কলকাতা, ২৬ জানুয়ারি: মাত্র ২৩ বছর বিনা চিকিৎসায় মৃত্যু হয়েছিল তাঁর স্বামীর। তখনই মনে মনে পণ নিয়েছিলেন, এমন কিছু করবেন, যাতে আর কারোর এই পরিণতি না হয়। স্বামীর মৃত্যুর পরই জীবন পণ করেছিলেন জোকার হাঁসপুকুরের সুভাষিণী মিস্ত্রি। ২০ বছর ধরে সবজি বিক্রি করে জীবনের সমস্ত সঞ্চয় দিয়ে একসময় তিনি বানিয়ে ফেলেন হাসপাতাল। অশীতিপর সেই বাঙালি মহিলাই জীবনের লড়াইকেই এ বার শ্রদ্ধা জানাল ভারত সরকার। তিনি এবার পেতে চলেছেন পদ্মশ্রী।
স্বামীর মৃত্যুতে অন্ধকার নেমে এসেছিল হাঁসপুকুরের সুভাষিণী মিস্ত্রির জীবনে। অনটনের সংসারে সন্তানদের মুখে দুবেলা খাবার জুটছে না। এই অবস্থায় অদম্য জেদ সঙ্গী করে শুরু হয় সুভাষিণীর লড়াই। ধাপার মাঠ থেকে সবজি তুলে তা বিক্রি করতে শুরু করলেন। ছেলেমেয়েদের পড়াশোনা করাতে না পেরে রেখে এলেন অনাথ আশ্রমে। সেখানে পড়াশোনা করেই চিকিৎসক হন বড় ছেলে অজয় মিস্ত্রি।
২০ বছরের দীর্ঘ লড়াইয়ে, জমিয়ে রাখা টাকা দিয়ে জমি কেনেন সুভাষিণী। কিন্তু সেখানে আর পাঁচজনের মত নিজের বাড়ি করতে চাননি। ওই জমিতেই ১৯৯৩ সালে হাসপাতাল তৈরির কাজ শুরু হয়। অনুদানের টাকায় শেষমেষ তিন বছর পর গড়ে ওঠে ৫০ শয্যার হিউম্যানিটি হাসপাতাল। প্রায় বিনামূল্যে যেখানে চিকিৎসা পান কয়েকশো রোগী। হাঁসপুকুর ছাড়িয়ে সারা দেশে ছড়িয়ে পড়ে সুভাষিণীর নাম। মানবিকতার অনবদ্য নজির গড়ে সকলের অন্তরে স্থান করে নেন সুভাষিণী।

Leave a Reply

avatar
  Subscribe  
Notify of