বিজ্ঞাপনের জন্য আমাদের সঙ্গে যোগাযোগের মাধ্যম : amaderbharatdesk@gmail.com    “ওদেরকে শাস্তি দেওয়ার সময় এসে গেছে” কংগ্রেসকে তোপ যোগগুরু রামদেব বাবার।    রাত পোহালেই রাজ্যে দ্বিতীয় দফায় নির্বাচন।     দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি ও রায়গঞ্জ লোকসভা কেন্দ্রে হবে ভোটগ্রহণ।    “টাকার থলি নিয়ে রাস্তায় রাস্তায় ঘুরছে আরএসএসের দালালরা” অভিযোগ মমতার।    সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেলে ছয় মাসের মধ্যেই বিধানসভা ভোট করাব বললেন আলুয়ালিয়া।    ঝাঁটা হাতে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে এলাকা ছাড়া করার নিদান রাজ্যের মন্ত্রীর।    কান্দিতে অধীর গড়ে দাঁড়িয়ে কংগ্রেস ও বিজেপিকে তোপ মমতার।    নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য “ইউনিক কালার কোডিং” ব্যবস্থা।    আরও কড়া হল কমিশন, দুবের মাথায় বসল নতুন পর্যবেক্ষক।    অমিত, যোগীর জোড়া ফলায় মমতাকে ঘায়েলের চেষ্টা বিজেপির।    জয়ের প্রচারে আমতায় রাজনাথ সিং।    ঘাটালে একা কুম্ভ ভারতী।    আজ আপনার কেমন যাবে জেনে নিন।    ভোটের দিনগুলোয় কেন্দ্রীয় নেতাদের এনে কিস্তিমাত করতে কৌশল বিজেপির।


২০ বছর ধরে সবজি বেচে হাসপাতাল তৈরি, সেই সুভাষিণী মিস্ত্রি এবার পদ্মশ্রী প্রাপক

আমাদের ভারত, কলকাতা, ২৬ জানুয়ারি: মাত্র ২৩ বছর বিনা চিকিৎসায় মৃত্যু হয়েছিল তাঁর স্বামীর। তখনই মনে মনে পণ নিয়েছিলেন, এমন কিছু করবেন, যাতে আর কারোর এই পরিণতি না হয়। স্বামীর মৃত্যুর পরই জীবন পণ করেছিলেন জোকার হাঁসপুকুরের সুভাষিণী মিস্ত্রি। ২০ বছর ধরে সবজি বিক্রি করে জীবনের সমস্ত সঞ্চয় দিয়ে একসময় তিনি বানিয়ে ফেলেন হাসপাতাল। অশীতিপর সেই বাঙালি মহিলাই জীবনের লড়াইকেই এ বার শ্রদ্ধা জানাল ভারত সরকার। তিনি এবার পেতে চলেছেন পদ্মশ্রী।
স্বামীর মৃত্যুতে অন্ধকার নেমে এসেছিল হাঁসপুকুরের সুভাষিণী মিস্ত্রির জীবনে। অনটনের সংসারে সন্তানদের মুখে দুবেলা খাবার জুটছে না। এই অবস্থায় অদম্য জেদ সঙ্গী করে শুরু হয় সুভাষিণীর লড়াই। ধাপার মাঠ থেকে সবজি তুলে তা বিক্রি করতে শুরু করলেন। ছেলেমেয়েদের পড়াশোনা করাতে না পেরে রেখে এলেন অনাথ আশ্রমে। সেখানে পড়াশোনা করেই চিকিৎসক হন বড় ছেলে অজয় মিস্ত্রি।
২০ বছরের দীর্ঘ লড়াইয়ে, জমিয়ে রাখা টাকা দিয়ে জমি কেনেন সুভাষিণী। কিন্তু সেখানে আর পাঁচজনের মত নিজের বাড়ি করতে চাননি। ওই জমিতেই ১৯৯৩ সালে হাসপাতাল তৈরির কাজ শুরু হয়। অনুদানের টাকায় শেষমেষ তিন বছর পর গড়ে ওঠে ৫০ শয্যার হিউম্যানিটি হাসপাতাল। প্রায় বিনামূল্যে যেখানে চিকিৎসা পান কয়েকশো রোগী। হাঁসপুকুর ছাড়িয়ে সারা দেশে ছড়িয়ে পড়ে সুভাষিণীর নাম। মানবিকতার অনবদ্য নজির গড়ে সকলের অন্তরে স্থান করে নেন সুভাষিণী।

Leave a Reply

avatar
  Subscribe  
Notify of