কুমারস্বামী রাজনীতির মিলিন্দ সুমন।    পাকসেনার গুলিতে সাতদিনে নিহত ৪২ ভারতীয়।    বিশ্বভারতীর সমাবর্তন অনুষ্ঠানে মোদী হাসিনার দ্বিপাক্ষিক বৈঠকই গুরুত্বপূর্ণ।    কর্নাটকে আবার আস্থা ভোট বৃহস্পতিবার, টিকবে তো জোট সরকার।    প্রয়োজন মিটে গেলে ছুড়ে ফেলে দেন মমতা : মুকুল রায়।    বিরাটির খোলা রাস্তায় তৃণমূল পুরপ্রধান-উপ পুরপ্রধানের লড়াই, থামাতে গিয়ে রীতিমতো হেনস্থা সাংসদ সৌগত রায়ের।    হৃদযন্ত্র প্রতিস্থাপনের পর ভালোই আছেন দিলচাঁদ, খুশি চিকিৎসকরা।    তারাপীঠে পুজো দিতে এসে হাতাহাতিতে জড়ালেন ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রীর উপদেষ্টা।    শাসক দলের অত্যাচারে ভিটেমাটি ছাড়লেন রাজগঞ্জের কয়েকটি পরিবার।    শতাব্দী এক্সপ্রেসের খাবার খেয়ে অসুস্থ ২০ জন যাত্রী।    আরামবাগে বিভিন্ন হোটেলে মধুচক্রের রমরমা, আটক বাংলাদেশি তরুণী।    আপনার এ সপ্তাহ কেমন যাবে জেনে নিন আমাদের সাপ্তাহিক রাশিফল থেকে।
BREAKING NEWS:
  • রাজ্য জয়েন্ট এনট্রান্সের ফল প্রকাশ।
  • জয়েন্টে প্রথম অভিনন্দন বোস।
{"effect":"slide-h","fontstyle":"normal","autoplay":"true","timer":4000}


সেক্স পলিটিক্স!

শান্তনু সিংহ, আইনজীবী

………………………………………………………………….

কলকাতা, ৮ মে: “মেট্রোতে দেবতনু ভট্টাচার্য্যের হাতে যুগল নিগৃহীত হয়েছে “- নিখুঁত ভাবে সাজানো এই গল্পটা আমাদের হাল্কা ভাবে নেওয়া উচিত নয়, এটা একটা গভীর ষড়যন্ত্র যা তৈরি করেছে কমিউনিস্ট-ইসলামিক শক্তি জোট, যেখানে উদ্দেশ্য হচ্ছে বাংলার যুবকদের জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের বিরুদ্ধে প্ররোচিত করা।
প্রথম চারদিনে দেবতনু ভট্টাচার্য্য কমিউনিস্টদের কাছ থেকে পেয়েছেন তিরিশ হাজার পোস্ট এবং কমেন্ট, বিভিন্ন ফেক এবং রিয়েল আই ডি থেকে। যার সবটাই ছিল নোংরা এবং অকথ্য ভাষায় গালিগালাজে ভর্তি। ওই ঘটনার পর,যুগল যেভাবে শীতঘুমে চলে গিয়েছে, তাতে সন্দেহের মাত্রা আরো বাড়ছে।
ওই বিশেষ দিনে, আমি নিজে, সঙ্গে তপন ঘোষ, দেবতনু ভট্টাচার্য্য এবং বাংলাদেশের একজন আইনজীবী একসাথে একটা মিটিংয়ে ছিলাম। বিকাল চারটে থেকে রাত্রি আটটা অবধি। তারপর একসাথে ডিনার করলাম। দেবতনু ভট্টাচার্য্য বেড়িয়ে গেলেন তাঁর নিজের বাড়ির উদ্দেশ্যে, সংগঠনের গাড়িতে।
২০০৫ অবধি কমিউনিস্টরা তাদের আদর্শের কথা বলতো, যদিও সেটা ছিল ভাববাদী, যা যুবকদের আকর্ষণ করতো । কিন্তু ২০০৫ থেকে কমিউনিস্টরা আদর্শের জন্য হারিয়েছেন তাঁদের সমস্ত রকমের অর্ন্তদৃষ্টি। তাই যুবকদের আকর্ষণের জন্য তারা এখন উদ্ভাবিত করেছে “সেক্স-পলিটিক্স”- যুবকদের বিপথে চালিত করার জন্য।
আমরা জানি, কানু সান্যাল, জঙ্গল সাঁওতাল, অসীম চ্যাটার্জিদের। থাকতে পারে আমাদের তাদের সাথে আদর্শগত বিরোধ। কিন্তু তাদের প্রতি কারো অশ্রদ্ধা ভাব নেই। আমরা কখনো তাদের কাছ থেকে সংজ্ঞা – শুনিনি ন্যাপকিন আন্দোলনের , ব্রা প্রদর্শনের বা হোক চুম্বন অথবা হোক আলিঙ্গনের।তাঁরা সর্বদাই জোর দিতেন আদর্শের উপর, যদিও তা অনেকের কাছে পছন্দ হয়নি তবুও সেটা যুবদের সেক্স-পলিটিক্সের দিকেও মিসলিড করেনি।
কমিউনিস্টদের সাথে আমার আদর্শগত বিরোধ সত্ত্বেও আমি আশাবাদী,তারা জোর দেবেন শুধুমাত্র আদর্শগত আন্দোলনের,কিন্তু কখনই সেক্স-পলিটিক্সের নয়। সেক্স-পলিটিক্স সমাজকে নিয়ে যাবে খাদের কিনারায়,যেখানে কুকর্মকারীরা নিজেই থাকবে একটা অংশ হিসেবে।

loading...

Leave a Reply

Be the First to Comment!

avatar
  Subscribe  
Notify of