বিজ্ঞাপনের জন্য আমাদের সঙ্গে যোগাযোগের মাধ্যম : amaderbharatdesk@gmail.com    “ওদেরকে শাস্তি দেওয়ার সময় এসে গেছে” কংগ্রেসকে তোপ যোগগুরু রামদেব বাবার।    রাত পোহালেই রাজ্যে দ্বিতীয় দফায় নির্বাচন।     দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি ও রায়গঞ্জ লোকসভা কেন্দ্রে হবে ভোটগ্রহণ।    “টাকার থলি নিয়ে রাস্তায় রাস্তায় ঘুরছে আরএসএসের দালালরা” অভিযোগ মমতার।    সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেলে ছয় মাসের মধ্যেই বিধানসভা ভোট করাব বললেন আলুয়ালিয়া।    ঝাঁটা হাতে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে এলাকা ছাড়া করার নিদান রাজ্যের মন্ত্রীর।    কান্দিতে অধীর গড়ে দাঁড়িয়ে কংগ্রেস ও বিজেপিকে তোপ মমতার।    নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য “ইউনিক কালার কোডিং” ব্যবস্থা।    আরও কড়া হল কমিশন, দুবের মাথায় বসল নতুন পর্যবেক্ষক।    অমিত, যোগীর জোড়া ফলায় মমতাকে ঘায়েলের চেষ্টা বিজেপির।    জয়ের প্রচারে আমতায় রাজনাথ সিং।    ঘাটালে একা কুম্ভ ভারতী।    আজ আপনার কেমন যাবে জেনে নিন।    ভোটের দিনগুলোয় কেন্দ্রীয় নেতাদের এনে কিস্তিমাত করতে কৌশল বিজেপির।


মহানগরীতে মন ছুঁয়ে গেল ‘ব্যঞ্জনা’-র বসন্তসন্ধ্যা

আমাদের ভারত, কলকাতা, ১২ এপ্রিল: নির্বাচনের পারদ চড়ছে ক্রমশঃ, অন্যদিকে চড়া রোদে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে গরম। তাতে কি আসে যায়। সৃজনশীলতায় ভরা এই বাংলায় ঋতুরাজকে নিয়ে উন্মাদনার বিরাম নেই যে। তাই সম্প্রতি মহানগরী কলকাতায় পাটুলির মিউজিক ক্যাফেতে ‘ব্যঞ্জনা’ আয়োজিত বসন্ত সন্ধ্যা জমে উঠল সুরে-ছন্দে-কলতানে আর আন্তরিকতায়। আবিরের রঙে রাঙানো থেকে ফুলের রাখি পরিয়ে বন্ধুত্বের সুতোয় বেঁধে মিষ্টি মুখ সবকিছুই ছিল আন্তরিকতায় ভরা। ‘হৃদি জাগে মিলি ফাগে’ শিরোনামে এই বসন্ত সন্ধ্যা আগাগোড়া হয়ে উঠেছিল শ্রোতা-দর্শক-শিল্পীদের আন্তরিকতার ছোঁয়ায় প্রাণবন্ত।

ব্যঞ্জনার কর্ণধার শর্মিষ্ঠা দত্ত রায় জানান ‘ব্যঞ্জনা’ একটি সামাজিক সাংস্কৃতিক বন্ধন। রং-বেরঙের ফাগধারায় ভাবনার সাথে সাযুজ্য রেখেই ‘হৃদি জাগে মিলি ফাগে’ শীর্ষক অনুষ্ঠানের আয়োজন। এক দশকের বেশি সময় ধরে ‘ব্যঞ্জনা’ মহানগরীর বুকে সংস্কৃতির ভিন্ন ভিন্ন ধারা নিয়ে কাজ করে চলেছে। এই অনুষ্ঠানটিও ভিন্ন আঙ্গিকে সাজানো একটি অনুষ্ঠান। নাচ, গান, আবৃত্তি, কবিতা কোলাজ, কথা নাটক, আড্ডা গল্প সব মিলে এক অন্য মাত্রা পায় অনুষ্ঠানটি। ইন্দ্রাণী রায়ের কণ্ঠে ঠুংরি, দাদরা ও ঝুমুর গানের ছন্দে মোহিত হন শ্রোতা-দর্শকরা। জনপ্রিয় অভিনেতা বিশ্বনাথ বসু এই অনুষ্ঠানে হাজির থেকে অভিভূত হয়ে আগামী দিনে ব্যঞ্জনার অনুষ্ঠানে হাজির থাকার অঙ্গীকার করেন। বিশ্বনাথ বসু আরও জানান যে তাঁর পৈতৃক ভিটেতে তিনি এই ধরণের প্রাণোচ্ছল সুস্থ রুচির অনুষ্ঠানের আয়োজন করবেন। সেখানে থাকার জন্য আগাম আমন্ত্রণও জানান ব্যঞ্জনাকে। জমজমাট কয়েকঘন্টার এই অনুষ্ঠানটিকে কথার মালায় গেঁথে আকর্ষণীয় করে তোলেন প্রথিতযশা বাচিকশিল্পী তথা আয়োজক সংস্থার কর্ণধার শর্মিষ্ঠা দত্ত রায়।

Leave a Reply

avatar
  Subscribe  
Notify of