বিজ্ঞাপনের জন্য আমাদের সঙ্গে যোগাযোগের মাধ্যম : amaderbharatdesk@gmail.com    “ওদেরকে শাস্তি দেওয়ার সময় এসে গেছে” কংগ্রেসকে তোপ যোগগুরু রামদেব বাবার।    রাত পোহালেই রাজ্যে দ্বিতীয় দফায় নির্বাচন।     দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি ও রায়গঞ্জ লোকসভা কেন্দ্রে হবে ভোটগ্রহণ।    “টাকার থলি নিয়ে রাস্তায় রাস্তায় ঘুরছে আরএসএসের দালালরা” অভিযোগ মমতার।    সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেলে ছয় মাসের মধ্যেই বিধানসভা ভোট করাব বললেন আলুয়ালিয়া।    ঝাঁটা হাতে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে এলাকা ছাড়া করার নিদান রাজ্যের মন্ত্রীর।    কান্দিতে অধীর গড়ে দাঁড়িয়ে কংগ্রেস ও বিজেপিকে তোপ মমতার।    নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য “ইউনিক কালার কোডিং” ব্যবস্থা।    আরও কড়া হল কমিশন, দুবের মাথায় বসল নতুন পর্যবেক্ষক।    অমিত, যোগীর জোড়া ফলায় মমতাকে ঘায়েলের চেষ্টা বিজেপির।    জয়ের প্রচারে আমতায় রাজনাথ সিং।    ঘাটালে একা কুম্ভ ভারতী।    আজ আপনার কেমন যাবে জেনে নিন।    ভোটের দিনগুলোয় কেন্দ্রীয় নেতাদের এনে কিস্তিমাত করতে কৌশল বিজেপির।


বঙ্গ রাজনীতিতে কেন সংস্কৃতি নেই?

মধুকল্পিতা চৌধুরী দাস :

ভোট যতই এগিয়ে আসে ততই রাজনীতির ময়দানে প্রার্থীদের জনসভা, বিভিন্ন চ্যানেলে সাক্ষাৎকার দেওয়ার প্রবণতা বাড়তে থাকে। তবে, রাজনীতির ময়দানে দাঁড়িয়ে প্রার্থীদের এমন কিছু বলাও উচিত হবে না যাতে সাধারণ মানুষের মনে কোনও প্রশ্ন ওঠে।
কারণ রাজনীতির প্রধান উদ্দেশ্যই হচ্ছে রাষ্ট্র-সমাজ-জনগণের কল্যান করা। রাষ্ট্র-সমাজকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার বাহক যারা তাঁদের মুখের ভাষা অবশ্যই রূচি সম্মত হতে হবে। তাঁদের মুখের ভাষা অত্যন্ত সহজ সরল হওয়া উচিৎ। এমন কোনও ভাষা ব্যবহার করা উচিৎ হবে না যার অর্থ দু-রকম হয়।
এবিষয়টা আমাদের দেশের রাজনীতিবিদদের অজানা নয়। কিন্তু দুখের বিষয় এটাই যে, ভোট যতই এগিয়ে আসতে থাকে আমাদের রাজনীতিবিদদের ততই মুখের ভাষা লাগাম ছাড়া হতে থাকে। তাঁদের মুখের ভাষা এমন জায়গায় পৌঁছে যায় যে সাধারণ মানুষ তাতে আশাহত হয়ে পড়ে।
২০১৯-এর লোকসভা নির্বাচনকে কেন্দ্র করেও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা-মন্ত্রীদের মুখের ভাষা হয়ে পড়েছে লাগাম ছাড়া। কেউ বলছে ‘নকুল দানার জল তৈরি’ তো কেউ বলছেন ‘করলার জুস তৈরি’। সাধারণ মানুষের ওপর এই কথাগুলোর কতটা প্রভাব পড়তে পারে? এবিষয় নিয়ে আমরা কথা বলেছিলাম বিশিষ্ট সাংবাদিক সুজিত রায় ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক রাজ মিত্রের সঙ্গে। সাংবাদিক সুজিত রায় এবিষয়ে বলেন যে, ‘পশ্চিমবঙ্গে রাজনৈতিক সংস্কৃতি নেই। রাজনৈতিক সংস্কৃতির পরম্পরা অনেকটাই নর্দমার জলের মতো। কিন্তু এতটা লাগাম ছাড়া কখনোই দেখা যায়নি!’
রাজনৈতিক বিশ্লেষক রাজ মিত্র বলেন, ‘রাজনীতি একটা স্ক্রিপ্ট অনুযায়ী চলে। এর আগেও রাজনীতিতে অনেক কবিতার লাইন ব্যবহার করা হয়েছিল। তার মধ্যে একটা ছন্দ ছিল। এবং তার একটা সুন্দর মানেও থাকত। এখন আর সেটা নেই বললেই চলে।’

পুরো আলোচনাটি দেখতে ক্লিক করুন ভিডিওতে

Leave a Reply

avatar
  Subscribe  
Notify of