যেকোন রকম বিজ্ঞাপনের জন্য আমাদের সঙ্গে যোগাযোগের মাধ্যম : amaderbharatdesk@gmail.com    ৩ হাজারের বেশি অ্যান্টি ট্যাংক মিসাইল কিনতে পারে ভারত ফ্রান্স থেকে।     কংগ্রেসের ইস্তেহারে রামমন্দির যুক্ত হলে আমরা তাদের সমর্থনের কথা ভাবতে পারি : ভিএইচপি।    বিজেপির বিরুদ্ধে কংগ্রেসের প্রার্থী হতে পারেন করিনা কাপুর।    মমতা নয় রাহুলকেই নেতা দেখতে চান তারা, ব্রিগেডের পরেই জানালেন তেজস্বী, স্টালিনরা।     একসময় কাগজ কুড়াতেন আজ চণ্ডীগড়ের মেয়র এই বিজেপি নেতা।    ব্রিগেডে খরচের উসুল তুলতে ব্যর্থ তৃণমূল, সোশ্যাল মিডিয়ায় মোদিকে হারিয়েই সন্তুষ্ট।    মালদায় অমিত শাহ-যোগীর সভা সফল করার জন্য বিজেপির তিন প্ল্যান।    ব্রিগেডের সভার বদলে আসানসোলে সভা করবে প্রধানমন্ত্রী, জানালেন দিলীপ ঘোষ।    জম্মু-কাশ্মীরে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাবে বিজেপি , দাবি রাম মাধবের।    জয়নগরে অমিত শাহের সভার আগেই রাস্তাঘাট তৃণমূলের দখলে।    লোকসভা নির্বাচনকে মাথায় রেখে সফরে জিটিএর প্রতি মুক্তহস্ত মমতা।    ডুয়ার্সে চিতাবাঘের চামড়া সহ আটক পাঁচ চোরাচালানকারী।    আজ আপনার কেমন যাবে জেনে নিন।    বিজেপি নেতার মাতৃবিয়োগে সমবেদনা জানাতে দুর্গাপুরে রাজ্যপাল।


উপার্জিত অর্থ থেকে কম্বল ক্রয় করে অসহায় পথবাসীদের তা জড়িয়ে পরিতৃপ্ত হলেন মানবাজারের প্রবীণ প্রাক্তন শিক্ষক

আমাদের ভারত ডেস্ক,পুরুলিয়া,১৬ জানুয়ারি: অবসরের পরেও সমাজ তৈরির কারিগরের ভূমিকা পালন করে চলেছেন মানবাজারের চাঁদড়া গ্রামের অবসর প্রাপ্ত প্রবীণ শিক্ষক অনাদিচরণনায়ক। মানবাজার-১ ব্লকের মুকুন্দ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকতা করতেন। ২০০৪ সালে প্রধান শিক্ষকের দায়িত্বে থেকে অবসর নেন। শিক্ষকতা করার সময় নিজের গ্রাম চাঁদড়া এবং পার্শ্ববর্তী গ্রাম ছোট সাগেন, বড় সাগেন, শ্যামনগর, দাতারডি, পায়রাচালি প্রভৃতি গ্রামের অসহায়, স্কুল ছাত্র-ছাত্রীদের প্রকৃত শিক্ষার আলো দেখাতে নিজের মতো করে পাশে রাখতেন। সেই ধারা অব্যহত রয়েছে। সমাজ সেবায় নিজেকে নিয়জ্জিত করার পাশাপাশি উপার্জনের অর্থ দিয়ে গ্রামের রাস্তা, পুকুরের ঘাট নির্মাণ করেছেন। অসুস্থ, দুস্থ ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িছেন নিজের সাধ্যের মধ্যে থেকে। সোমবার গভীর রাত্রে সেই ধারা বজায় রাখলেন তিনি। পুরুলিয়ার পথবাসী এবং অসহায় দুস্থ মানুষের কাছে গিয়ে শীতের হাত থেকে রক্ষা পেতে কম্বল নিজের হাতে জড়িয়ে দেন। পুরুলিয়া জেলা সদর বাস স্ট্যান্ড, হাসপাতাল, স্টেশনে রাত্রে গিয়ে সাধ্যমতো প্রায় ৫০ জন মানুষের গায়ে কম্বল জড়িয়ে দিয়ে তাঁদের কাছ থেকে খুশির বার্তা নিয়ে পরিতৃপ্ত হলেন এই প্রাক্তন শিক্ষক। এর আগে সরকারিভাবে পুরুলিয়ায় কম্বল বিতরণ করা হলেও প্রকৃত প্রাপকদের কাছে পৌঁছায়নি সেই সাহায্য। এদিন সেই আক্ষেপ জানিয়ে প্রবীণ শিক্ষককে ধন্যবাদ দিলেন পথবাসীরা।
তাঁর পরামর্শ এবং বক্তব্য শুনতে নারাজ বর্তমান সমাজের একাংশ। এই নিয়ে বৃদ্ধ শিক্ষকের আক্ষেপ নেই, শুধু ইচ্ছে পূরণ আর স্বপ্ন বাস্তবে করার লক্ষ্যে এগিয়ে চলেছেন মনের জোরকে সম্বল করে। দুই ছেলে প্রতিষ্ঠিত। এই অবস্থায় থেকে নিজের উপার্জিত এবং পেনশন ইচ্ছে পূরণে মশগুল অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক অনাদি।

Leave a Reply

avatar
  Subscribe  
Notify of