খারিজ অনাস্থা, জয়ের হাসি মোদির ঠোঁটে।    ২১-র সভা থেকে মমতার অঙ্গীকার ১৯-এ ভারত দখল।    ২১ জুলাইয়ে সংখ্যালঘু উন্নয়ন নিয়ে নিশ্চুপ মমতা, ক্ষোভ মুসলিম মহলে।    মমতার প্রশ্নের উত্তরে মমতাকেই বিঁধলেন মুকুল।    “কৃষক বন্ধু প্রধানমন্ত্রী, অথচ বন্যায় কৃষকরাই মরছে”: মানস ভুঁইয়া।    মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি দেওয়া দলীয় ঝাণ্ডার উপর তৃণমূল নেতার পা দেওয়া ছবি ভাইরাল পুরুলিয়ায়।    জেল থেকে বেরিয়ে আন্দোলন নিয়ে ফের বৈঠক অলীকের।    পর পর ১৯টি গুলি খেয়েও ভারতের পতাকা কার্গিলের পাহাড়ে উড়িয়েছিলেন ব্রিগেডিয়ার যোগেন্দ্র সিং যাদব।    আপনার দিনটি কেমন যাবে জেনে নিন আমাদের দৈনিক রাশিফল থেকে।    ২০ বছরে কাইলি বিশ্বের কমবয়সী ধনী মহিলা, কে এই যুবতী?    খোলামেলা পোশাকে উর্বশী রাউতেলা, সোশ্যাল মিডিয়ায় আলোড়ন।    প্রফুল্ল কন্যার বিবাহ-সঙ্গীত অনুষ্ঠানে উপস্থিত প্রাক্তন ভারত অধিনায়ক ধোনি সহ পরিবার।     এশিয়া জুনিয়র ব্যাডমিন্টন চ্যাম্পিয়নশিপে ৫৩ বছর পর সোনা ভারতের।
BREAKING NEWS:
  • ২৩ আগস্ট ব্রিগেডে বিজেপির সভা।
  • ১৯ আগস্ট তৃণমূল ব্রিগেড সভা করবে
{"effect":"slide-h","fontstyle":"normal","autoplay":"true","timer":4000}


উপার্জিত অর্থ থেকে কম্বল ক্রয় করে অসহায় পথবাসীদের তা জড়িয়ে পরিতৃপ্ত হলেন মানবাজারের প্রবীণ প্রাক্তন শিক্ষক

আমাদের ভারত ডেস্ক,পুরুলিয়া,১৬ জানুয়ারি: অবসরের পরেও সমাজ তৈরির কারিগরের ভূমিকা পালন করে চলেছেন মানবাজারের চাঁদড়া গ্রামের অবসর প্রাপ্ত প্রবীণ শিক্ষক অনাদিচরণনায়ক। মানবাজার-১ ব্লকের মুকুন্দ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকতা করতেন। ২০০৪ সালে প্রধান শিক্ষকের দায়িত্বে থেকে অবসর নেন। শিক্ষকতা করার সময় নিজের গ্রাম চাঁদড়া এবং পার্শ্ববর্তী গ্রাম ছোট সাগেন, বড় সাগেন, শ্যামনগর, দাতারডি, পায়রাচালি প্রভৃতি গ্রামের অসহায়, স্কুল ছাত্র-ছাত্রীদের প্রকৃত শিক্ষার আলো দেখাতে নিজের মতো করে পাশে রাখতেন। সেই ধারা অব্যহত রয়েছে। সমাজ সেবায় নিজেকে নিয়জ্জিত করার পাশাপাশি উপার্জনের অর্থ দিয়ে গ্রামের রাস্তা, পুকুরের ঘাট নির্মাণ করেছেন। অসুস্থ, দুস্থ ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িছেন নিজের সাধ্যের মধ্যে থেকে। সোমবার গভীর রাত্রে সেই ধারা বজায় রাখলেন তিনি। পুরুলিয়ার পথবাসী এবং অসহায় দুস্থ মানুষের কাছে গিয়ে শীতের হাত থেকে রক্ষা পেতে কম্বল নিজের হাতে জড়িয়ে দেন। পুরুলিয়া জেলা সদর বাস স্ট্যান্ড, হাসপাতাল, স্টেশনে রাত্রে গিয়ে সাধ্যমতো প্রায় ৫০ জন মানুষের গায়ে কম্বল জড়িয়ে দিয়ে তাঁদের কাছ থেকে খুশির বার্তা নিয়ে পরিতৃপ্ত হলেন এই প্রাক্তন শিক্ষক। এর আগে সরকারিভাবে পুরুলিয়ায় কম্বল বিতরণ করা হলেও প্রকৃত প্রাপকদের কাছে পৌঁছায়নি সেই সাহায্য। এদিন সেই আক্ষেপ জানিয়ে প্রবীণ শিক্ষককে ধন্যবাদ দিলেন পথবাসীরা।
তাঁর পরামর্শ এবং বক্তব্য শুনতে নারাজ বর্তমান সমাজের একাংশ। এই নিয়ে বৃদ্ধ শিক্ষকের আক্ষেপ নেই, শুধু ইচ্ছে পূরণ আর স্বপ্ন বাস্তবে করার লক্ষ্যে এগিয়ে চলেছেন মনের জোরকে সম্বল করে। দুই ছেলে প্রতিষ্ঠিত। এই অবস্থায় থেকে নিজের উপার্জিত এবং পেনশন ইচ্ছে পূরণে মশগুল অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক অনাদি।

Leave a Reply

Be the First to Comment!

avatar
  Subscribe  
Notify of