কুমারস্বামী রাজনীতির মিলিন্দ সুমন।    পাকসেনার গুলিতে সাতদিনে নিহত ৪২ ভারতীয়।    বিশ্বভারতীর সমাবর্তন অনুষ্ঠানে মোদী হাসিনার দ্বিপাক্ষিক বৈঠকই গুরুত্বপূর্ণ।    কর্নাটকে আবার আস্থা ভোট বৃহস্পতিবার, টিকবে তো জোট সরকার।    প্রয়োজন মিটে গেলে ছুড়ে ফেলে দেন মমতা : মুকুল রায়।    বিরাটির খোলা রাস্তায় তৃণমূল পুরপ্রধান-উপ পুরপ্রধানের লড়াই, থামাতে গিয়ে রীতিমতো হেনস্থা সাংসদ সৌগত রায়ের।    হৃদযন্ত্র প্রতিস্থাপনের পর ভালোই আছেন দিলচাঁদ, খুশি চিকিৎসকরা।    তারাপীঠে পুজো দিতে এসে হাতাহাতিতে জড়ালেন ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রীর উপদেষ্টা।    শাসক দলের অত্যাচারে ভিটেমাটি ছাড়লেন রাজগঞ্জের কয়েকটি পরিবার।    শতাব্দী এক্সপ্রেসের খাবার খেয়ে অসুস্থ ২০ জন যাত্রী।    আরামবাগে বিভিন্ন হোটেলে মধুচক্রের রমরমা, আটক বাংলাদেশি তরুণী।    আপনার এ সপ্তাহ কেমন যাবে জেনে নিন আমাদের সাপ্তাহিক রাশিফল থেকে।
BREAKING NEWS:
  • রাজ্য জয়েন্ট এনট্রান্সের ফল প্রকাশ।
  • জয়েন্টে প্রথম অভিনন্দন বোস।
{"effect":"slide-h","fontstyle":"normal","autoplay":"true","timer":4000}


উপার্জিত অর্থ থেকে কম্বল ক্রয় করে অসহায় পথবাসীদের তা জড়িয়ে পরিতৃপ্ত হলেন মানবাজারের প্রবীণ প্রাক্তন শিক্ষক

আমাদের ভারত ডেস্ক,পুরুলিয়া,১৬ জানুয়ারি: অবসরের পরেও সমাজ তৈরির কারিগরের ভূমিকা পালন করে চলেছেন মানবাজারের চাঁদড়া গ্রামের অবসর প্রাপ্ত প্রবীণ শিক্ষক অনাদিচরণনায়ক। মানবাজার-১ ব্লকের মুকুন্দ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকতা করতেন। ২০০৪ সালে প্রধান শিক্ষকের দায়িত্বে থেকে অবসর নেন। শিক্ষকতা করার সময় নিজের গ্রাম চাঁদড়া এবং পার্শ্ববর্তী গ্রাম ছোট সাগেন, বড় সাগেন, শ্যামনগর, দাতারডি, পায়রাচালি প্রভৃতি গ্রামের অসহায়, স্কুল ছাত্র-ছাত্রীদের প্রকৃত শিক্ষার আলো দেখাতে নিজের মতো করে পাশে রাখতেন। সেই ধারা অব্যহত রয়েছে। সমাজ সেবায় নিজেকে নিয়জ্জিত করার পাশাপাশি উপার্জনের অর্থ দিয়ে গ্রামের রাস্তা, পুকুরের ঘাট নির্মাণ করেছেন। অসুস্থ, দুস্থ ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িছেন নিজের সাধ্যের মধ্যে থেকে। সোমবার গভীর রাত্রে সেই ধারা বজায় রাখলেন তিনি। পুরুলিয়ার পথবাসী এবং অসহায় দুস্থ মানুষের কাছে গিয়ে শীতের হাত থেকে রক্ষা পেতে কম্বল নিজের হাতে জড়িয়ে দেন। পুরুলিয়া জেলা সদর বাস স্ট্যান্ড, হাসপাতাল, স্টেশনে রাত্রে গিয়ে সাধ্যমতো প্রায় ৫০ জন মানুষের গায়ে কম্বল জড়িয়ে দিয়ে তাঁদের কাছ থেকে খুশির বার্তা নিয়ে পরিতৃপ্ত হলেন এই প্রাক্তন শিক্ষক। এর আগে সরকারিভাবে পুরুলিয়ায় কম্বল বিতরণ করা হলেও প্রকৃত প্রাপকদের কাছে পৌঁছায়নি সেই সাহায্য। এদিন সেই আক্ষেপ জানিয়ে প্রবীণ শিক্ষককে ধন্যবাদ দিলেন পথবাসীরা।
তাঁর পরামর্শ এবং বক্তব্য শুনতে নারাজ বর্তমান সমাজের একাংশ। এই নিয়ে বৃদ্ধ শিক্ষকের আক্ষেপ নেই, শুধু ইচ্ছে পূরণ আর স্বপ্ন বাস্তবে করার লক্ষ্যে এগিয়ে চলেছেন মনের জোরকে সম্বল করে। দুই ছেলে প্রতিষ্ঠিত। এই অবস্থায় থেকে নিজের উপার্জিত এবং পেনশন ইচ্ছে পূরণে মশগুল অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক অনাদি।

loading...

Leave a Reply

Be the First to Comment!

avatar
  Subscribe  
Notify of