বিজ্ঞাপনের জন্য আমাদের সঙ্গে যোগাযোগের মাধ্যম : amaderbharatdesk@gmail.com    “ওদেরকে শাস্তি দেওয়ার সময় এসে গেছে” কংগ্রেসকে তোপ যোগগুরু রামদেব বাবার।    রাত পোহালেই রাজ্যে দ্বিতীয় দফায় নির্বাচন।     দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি ও রায়গঞ্জ লোকসভা কেন্দ্রে হবে ভোটগ্রহণ।    “টাকার থলি নিয়ে রাস্তায় রাস্তায় ঘুরছে আরএসএসের দালালরা” অভিযোগ মমতার।    সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেলে ছয় মাসের মধ্যেই বিধানসভা ভোট করাব বললেন আলুয়ালিয়া।    ঝাঁটা হাতে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে এলাকা ছাড়া করার নিদান রাজ্যের মন্ত্রীর।    কান্দিতে অধীর গড়ে দাঁড়িয়ে কংগ্রেস ও বিজেপিকে তোপ মমতার।    নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য “ইউনিক কালার কোডিং” ব্যবস্থা।    আরও কড়া হল কমিশন, দুবের মাথায় বসল নতুন পর্যবেক্ষক।    অমিত, যোগীর জোড়া ফলায় মমতাকে ঘায়েলের চেষ্টা বিজেপির।    জয়ের প্রচারে আমতায় রাজনাথ সিং।    ঘাটালে একা কুম্ভ ভারতী।    আজ আপনার কেমন যাবে জেনে নিন।    ভোটের দিনগুলোয় কেন্দ্রীয় নেতাদের এনে কিস্তিমাত করতে কৌশল বিজেপির।


উপার্জিত অর্থ থেকে কম্বল ক্রয় করে অসহায় পথবাসীদের তা জড়িয়ে পরিতৃপ্ত হলেন মানবাজারের প্রবীণ প্রাক্তন শিক্ষক

আমাদের ভারত ডেস্ক,পুরুলিয়া,১৬ জানুয়ারি: অবসরের পরেও সমাজ তৈরির কারিগরের ভূমিকা পালন করে চলেছেন মানবাজারের চাঁদড়া গ্রামের অবসর প্রাপ্ত প্রবীণ শিক্ষক অনাদিচরণনায়ক। মানবাজার-১ ব্লকের মুকুন্দ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকতা করতেন। ২০০৪ সালে প্রধান শিক্ষকের দায়িত্বে থেকে অবসর নেন। শিক্ষকতা করার সময় নিজের গ্রাম চাঁদড়া এবং পার্শ্ববর্তী গ্রাম ছোট সাগেন, বড় সাগেন, শ্যামনগর, দাতারডি, পায়রাচালি প্রভৃতি গ্রামের অসহায়, স্কুল ছাত্র-ছাত্রীদের প্রকৃত শিক্ষার আলো দেখাতে নিজের মতো করে পাশে রাখতেন। সেই ধারা অব্যহত রয়েছে। সমাজ সেবায় নিজেকে নিয়জ্জিত করার পাশাপাশি উপার্জনের অর্থ দিয়ে গ্রামের রাস্তা, পুকুরের ঘাট নির্মাণ করেছেন। অসুস্থ, দুস্থ ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িছেন নিজের সাধ্যের মধ্যে থেকে। সোমবার গভীর রাত্রে সেই ধারা বজায় রাখলেন তিনি। পুরুলিয়ার পথবাসী এবং অসহায় দুস্থ মানুষের কাছে গিয়ে শীতের হাত থেকে রক্ষা পেতে কম্বল নিজের হাতে জড়িয়ে দেন। পুরুলিয়া জেলা সদর বাস স্ট্যান্ড, হাসপাতাল, স্টেশনে রাত্রে গিয়ে সাধ্যমতো প্রায় ৫০ জন মানুষের গায়ে কম্বল জড়িয়ে দিয়ে তাঁদের কাছ থেকে খুশির বার্তা নিয়ে পরিতৃপ্ত হলেন এই প্রাক্তন শিক্ষক। এর আগে সরকারিভাবে পুরুলিয়ায় কম্বল বিতরণ করা হলেও প্রকৃত প্রাপকদের কাছে পৌঁছায়নি সেই সাহায্য। এদিন সেই আক্ষেপ জানিয়ে প্রবীণ শিক্ষককে ধন্যবাদ দিলেন পথবাসীরা।
তাঁর পরামর্শ এবং বক্তব্য শুনতে নারাজ বর্তমান সমাজের একাংশ। এই নিয়ে বৃদ্ধ শিক্ষকের আক্ষেপ নেই, শুধু ইচ্ছে পূরণ আর স্বপ্ন বাস্তবে করার লক্ষ্যে এগিয়ে চলেছেন মনের জোরকে সম্বল করে। দুই ছেলে প্রতিষ্ঠিত। এই অবস্থায় থেকে নিজের উপার্জিত এবং পেনশন ইচ্ছে পূরণে মশগুল অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক অনাদি।

Leave a Reply

avatar
  Subscribe  
Notify of