কুমারস্বামী রাজনীতির মিলিন্দ সুমন।    পাকসেনার গুলিতে সাতদিনে নিহত ৪২ ভারতীয়।    বিশ্বভারতীর সমাবর্তন অনুষ্ঠানে মোদী হাসিনার দ্বিপাক্ষিক বৈঠকই গুরুত্বপূর্ণ।    কর্নাটকে আবার আস্থা ভোট বৃহস্পতিবার, টিকবে তো জোট সরকার।    প্রয়োজন মিটে গেলে ছুড়ে ফেলে দেন মমতা : মুকুল রায়।    বিরাটির খোলা রাস্তায় তৃণমূল পুরপ্রধান-উপ পুরপ্রধানের লড়াই, থামাতে গিয়ে রীতিমতো হেনস্থা সাংসদ সৌগত রায়ের।    হৃদযন্ত্র প্রতিস্থাপনের পর ভালোই আছেন দিলচাঁদ, খুশি চিকিৎসকরা।    তারাপীঠে পুজো দিতে এসে হাতাহাতিতে জড়ালেন ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রীর উপদেষ্টা।    শাসক দলের অত্যাচারে ভিটেমাটি ছাড়লেন রাজগঞ্জের কয়েকটি পরিবার।    শতাব্দী এক্সপ্রেসের খাবার খেয়ে অসুস্থ ২০ জন যাত্রী।    আরামবাগে বিভিন্ন হোটেলে মধুচক্রের রমরমা, আটক বাংলাদেশি তরুণী।    আপনার এ সপ্তাহ কেমন যাবে জেনে নিন আমাদের সাপ্তাহিক রাশিফল থেকে।
BREAKING NEWS:
  • রাজ্য জয়েন্ট এনট্রান্সের ফল প্রকাশ।
  • জয়েন্টে প্রথম অভিনন্দন বোস।
{"effect":"slide-h","fontstyle":"normal","autoplay":"true","timer":4000}


ভোটের লাইনে দাঁড়ানোকে কেন্দ্র করে বচসার জের, বাড়ি ভাংচুর করে অস্ত্রের কোপ

আমাদের ভারত, পুরুলিয়া, ১৫ মে: ভোট পরবর্তী হিংসা অব্যহত পুরুলিয়ায়। সোমবার বিকেলে ভোটের লাইনে দাঁড়ানো নিয়ে বচসার জের মঙ্গলবার বার গড়াল। ভোটের দিনের বচসার জেরে বুধবার বাড়ি ঢুকে অস্ত্র সস্ত্র নিয়ে হামলা চালানোর অভিযোগ উঠলো তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। হামলায় তিন জন গ্রামবাসী গুরুতর জখম হন। ঘটনাটি ঘটে পুরুলিয়া মফস্বল থানার চেপড়া গ্রামে। স্থানীয়ভাবে জানা গিয়েছে, গত কাল ভোটের সময় গ্রামের প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভোট গ্রহণ কেন্দ্রে তৃণমূল নেতাদের সঙ্গে বচসা হয় এলাকার সিপিএম কর্মী সেক মোহাম্মদ হুসেন, সেক হাফিজউদ্দিন ও সেক সালিম সহ কংগ্রেস ও অন্যান্য সিপিএম কর্মীদের সঙ্গে। ওই দিন রাত্রে সিপিএম ওই কর্মীদের বাড়িতে গিয়ে এক প্রস্থ হামলা চালায় দুষ্কৃতীরা। রাত্রের পর এদিন সকাল ন’টা নাগাদ তৃণমূল আশ্রিত ওই দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে চেপড়া গ্রামে সিপিএম কর্মীদের বাড়িতে ঢুকে হামলা চালানো অভিযোগ ওঠে। হামলার প্রতিহত করতে গিয়ে তিন জন সিপিএম কর্মী আহত হন। তাঁদের মাথায়, মুখে ও শরীরের অংশে টাঙ্গি ও লাঠি দিয়ে মারা হয়। হামলার ঘটনায় গ্রামের অধিকাংশ ছুটে আসতেই দুষ্কৃতীরা পালিয়ে যায়। রক্তাক্ত অবস্থায় তিন জন সিপিএম কর্মীকে পুরুলিয়া দেবেন মাহাতো সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনার অন্যতম প্রত্যক্ষদর্শী হাফিজ নাজিউদ্দিন বলেন, ‘এদিন সকালে গ্রামে ৪০-৫০ জনের একটি সশস্ত্র দুষ্কৃতীর দল এসে বাড়িতে ঢুকে ভাংচুর চালায়। বাড়ি থেকে টেনে এনে টাঙ্গি দিয়ে কোপ মারে সেক মোহাম্মদ হুসেন, সেক সালিমের মাথায়। বাদ দেয় নি বৃদ্ধ সেক হাফিজউদ্দিনকেউ। তাঁকে প্রাণে মারার চেষ্টা চালায় তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা।’ এই ঘটনার সঙ্গে দলের কেউ যুক্ত নয় বলে তৃণমূলের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে।

loading...

Leave a Reply

Be the First to Comment!

avatar
  Subscribe  
Notify of