যেকোন রকম বিজ্ঞাপনের জন্য আমাদের সঙ্গে যোগাযোগের মাধ্যম : amaderbharatdesk@gmail.com    ৩ হাজারের বেশি অ্যান্টি ট্যাংক মিসাইল কিনতে পারে ভারত ফ্রান্স থেকে।     কংগ্রেসের ইস্তেহারে রামমন্দির যুক্ত হলে আমরা তাদের সমর্থনের কথা ভাবতে পারি : ভিএইচপি।    বিজেপির বিরুদ্ধে কংগ্রেসের প্রার্থী হতে পারেন করিনা কাপুর।    মমতা নয় রাহুলকেই নেতা দেখতে চান তারা, ব্রিগেডের পরেই জানালেন তেজস্বী, স্টালিনরা।     একসময় কাগজ কুড়াতেন আজ চণ্ডীগড়ের মেয়র এই বিজেপি নেতা।    ব্রিগেডে খরচের উসুল তুলতে ব্যর্থ তৃণমূল, সোশ্যাল মিডিয়ায় মোদিকে হারিয়েই সন্তুষ্ট।    মালদায় অমিত শাহ-যোগীর সভা সফল করার জন্য বিজেপির তিন প্ল্যান।    ব্রিগেডের সভার বদলে আসানসোলে সভা করবে প্রধানমন্ত্রী, জানালেন দিলীপ ঘোষ।    জম্মু-কাশ্মীরে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাবে বিজেপি , দাবি রাম মাধবের।    জয়নগরে অমিত শাহের সভার আগেই রাস্তাঘাট তৃণমূলের দখলে।    লোকসভা নির্বাচনকে মাথায় রেখে সফরে জিটিএর প্রতি মুক্তহস্ত মমতা।    ডুয়ার্সে চিতাবাঘের চামড়া সহ আটক পাঁচ চোরাচালানকারী।    আজ আপনার কেমন যাবে জেনে নিন।    বিজেপি নেতার মাতৃবিয়োগে সমবেদনা জানাতে দুর্গাপুরে রাজ্যপাল।


ভোটের লাইনে দাঁড়ানোকে কেন্দ্র করে বচসার জের, বাড়ি ভাংচুর করে অস্ত্রের কোপ

আমাদের ভারত, পুরুলিয়া, ১৫ মে: ভোট পরবর্তী হিংসা অব্যহত পুরুলিয়ায়। সোমবার বিকেলে ভোটের লাইনে দাঁড়ানো নিয়ে বচসার জের মঙ্গলবার বার গড়াল। ভোটের দিনের বচসার জেরে বুধবার বাড়ি ঢুকে অস্ত্র সস্ত্র নিয়ে হামলা চালানোর অভিযোগ উঠলো তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। হামলায় তিন জন গ্রামবাসী গুরুতর জখম হন। ঘটনাটি ঘটে পুরুলিয়া মফস্বল থানার চেপড়া গ্রামে। স্থানীয়ভাবে জানা গিয়েছে, গত কাল ভোটের সময় গ্রামের প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভোট গ্রহণ কেন্দ্রে তৃণমূল নেতাদের সঙ্গে বচসা হয় এলাকার সিপিএম কর্মী সেক মোহাম্মদ হুসেন, সেক হাফিজউদ্দিন ও সেক সালিম সহ কংগ্রেস ও অন্যান্য সিপিএম কর্মীদের সঙ্গে। ওই দিন রাত্রে সিপিএম ওই কর্মীদের বাড়িতে গিয়ে এক প্রস্থ হামলা চালায় দুষ্কৃতীরা। রাত্রের পর এদিন সকাল ন’টা নাগাদ তৃণমূল আশ্রিত ওই দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে চেপড়া গ্রামে সিপিএম কর্মীদের বাড়িতে ঢুকে হামলা চালানো অভিযোগ ওঠে। হামলার প্রতিহত করতে গিয়ে তিন জন সিপিএম কর্মী আহত হন। তাঁদের মাথায়, মুখে ও শরীরের অংশে টাঙ্গি ও লাঠি দিয়ে মারা হয়। হামলার ঘটনায় গ্রামের অধিকাংশ ছুটে আসতেই দুষ্কৃতীরা পালিয়ে যায়। রক্তাক্ত অবস্থায় তিন জন সিপিএম কর্মীকে পুরুলিয়া দেবেন মাহাতো সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনার অন্যতম প্রত্যক্ষদর্শী হাফিজ নাজিউদ্দিন বলেন, ‘এদিন সকালে গ্রামে ৪০-৫০ জনের একটি সশস্ত্র দুষ্কৃতীর দল এসে বাড়িতে ঢুকে ভাংচুর চালায়। বাড়ি থেকে টেনে এনে টাঙ্গি দিয়ে কোপ মারে সেক মোহাম্মদ হুসেন, সেক সালিমের মাথায়। বাদ দেয় নি বৃদ্ধ সেক হাফিজউদ্দিনকেউ। তাঁকে প্রাণে মারার চেষ্টা চালায় তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা।’ এই ঘটনার সঙ্গে দলের কেউ যুক্ত নয় বলে তৃণমূলের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে।

Leave a Reply

avatar
  Subscribe  
Notify of