বিজ্ঞাপনের জন্য আমাদের সঙ্গে যোগাযোগের মাধ্যম : amaderbharatdesk@gmail.com    ১৯শেই সাফ তৃণমূল : মোদী।    চিটফান্ড কেলেঙ্কারিতে জেলে যাবেন পার্থ : কৈলাশ বিজয়বর্গীয়    আমি বিজেপির ভয়ানক বিরোধী, কিন্তু এটা উকিলের চোখে ধরা পড়ছে মূর্তি টিএমসিপি ভেঙেছে : অরুণাভ ঘোষ।    মুখ্যমন্ত্রীর প্ররোচনায় নরসংহার শুরু করতে পারে তৃণমূল, রাজ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের দাবি বিজেপির।    তৃণমূল বিদ্যাসাগরের মূর্তি যে ভেঙ্গেছে সেখানে পঞ্চ ধাতুর মূর্তি বানিয়ে দেব : ঘোষণা মোদীর।    সারদা নরদা নিয়ে বড় বড় কথা আর চিটফান্ডের মালিকের মাঠে সভা করছে প্রধানমন্ত্রী : মমতা।    কমিশনের নির্দেশ অমান্য ! স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকে গরহাজির রাজীব কুমার।    এবার লালবাজারে ডাকা হতে পারেন অমিত শাহকে!    ক্ষুব্ধ ঝাড়গ্রামের নীরব অপেক্ষা ফলাফলের জন্য।    “নারী শিক্ষার দিশারীকে ভূ-লুন্ঠিত হতে হল বাঙালীদের হাতে, এর থেকে লজ্জা কি আছে?”: ক্ষোভ বীরসিংহবাসীর।    রানাঘাটের মত নিশ্চিত আসনেও সিঁদুরে মেঘ দেখছে তৃণমূল।    মহামিছিল করে ভাটপাড়ায় প্রচার শেষ করতে চান মদন।    আজ আপনার কেমন যাবে জেনে নিন।    নির্বাচনের আগে ভোট পরিস্থিতি খতিয়ে দেখলেন বিশেষ পুলিশ পর্যবেক্ষক বিবেক দুবে।


কংগ্রেসের ‘ন্যায় প্রকল্প’ কি আদৌ সম্ভব হবে?

মধুকল্পিতা চৌধুরী দাস :
লোকসভা ভোটের আগেই কংগ্রেসের তরফে প্রকাশ করা হয়েছে নির্বাচনী ইস্তেহার। ২০১৯-এ যদি ফের ক্ষমতায় আসে তাহলে কংগ্রেসের তরফে কি কি পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে তা প্রকাশ করে হয়েছে এই নির্বাচনী ইস্তেহারে। আর কংগ্রেসের এই নির্বাচনী ইস্তেহারে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য প্রকল্প ‘ন্যায় প্রকল্প’। যা সম্প্রতি শিরোনামে উঠে এসেছে। প্রথমেই বলে রাখি এই ‘ন্যায় প্রকল্পে’ কি রয়েছে? ২০১৯-এ যদি দিল্লির মসনদে কংগ্রেস সরকার গঠন করে তাহলে দেশের সমস্ত গরিব পরিবারকে মাসে ৬ হাজার টাকা করে দেওয়া হবে। অর্থ্যাৎ বছরে ৭২হাজার টাকা করে তাঁরা পাবেন। সমাজে রোজগারের ভারসাম্য বজায় রাখতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানানো হয় কংগ্রেসের তরফে। আর এই প্রকল্পকে বাস্তবায়িত করতে খরচ হবে ৩লক্ষ ৬০ হাজার কোটি টাকা!
এখানেই উঠে আসছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। ‘ন্যায় প্রকল্প’-কে বাস্তবায়িত করতে যে টাকা খরচ হবে তা আসবে কোথা থেকে? সাধারণ মানুষের ওপর ‘কর’-এর বোঝা কিআরও বাড়ানো হবে? নাকি আরও বেশি করে রিজার্ভ ব্যাঙ্কে নোট ছাপানো হবে?
এই দুটি প্রশ্নই এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। এবিষয়ে বিশিষ্ট সাংবাদিক সুজিত রায় জানান, ‘সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হল এই গরীব মানুষদের কিভাবে চিহ্নিত করা হবে? কেউ যদি বলে থাকেন যে সে মাসে ২হাজার টাকা রোজগার করেন, তার প্রমাণপত্র তো দেবেন গ্রাম পঞ্চায়েত। আর প্রতিটা ভারতবাসী অভিঙ্গতা এটাই বলে যে প্রতিটা গ্রাম পঞ্চায়েতই দুর্নীতির জায়গা।’
এই প্রসঙ্গে রাজনৈতিক বিশ্লেষণ রাজ মিত্র, ‘কংগ্রেস ইস্তেহারে বলেছে ঠিকই কিন্তু কি কি মাধ্যমে এই টাকা যোগাড় হবে তার কোনও উল্লেখ করা নেই নি।’
এই বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা জানতে ক্লিক করুন ভিডিওতে

Leave a Reply

avatar
  Subscribe  
Notify of