বিজ্ঞাপনের জন্য আমাদের সঙ্গে যোগাযোগের মাধ্যম : amaderbharatdesk@gmail.com    ১৯শেই সাফ তৃণমূল : মোদী।    চিটফান্ড কেলেঙ্কারিতে জেলে যাবেন পার্থ : কৈলাশ বিজয়বর্গীয়    আমি বিজেপির ভয়ানক বিরোধী, কিন্তু এটা উকিলের চোখে ধরা পড়ছে মূর্তি টিএমসিপি ভেঙেছে : অরুণাভ ঘোষ।    মুখ্যমন্ত্রীর প্ররোচনায় নরসংহার শুরু করতে পারে তৃণমূল, রাজ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের দাবি বিজেপির।    তৃণমূল বিদ্যাসাগরের মূর্তি যে ভেঙ্গেছে সেখানে পঞ্চ ধাতুর মূর্তি বানিয়ে দেব : ঘোষণা মোদীর।    সারদা নরদা নিয়ে বড় বড় কথা আর চিটফান্ডের মালিকের মাঠে সভা করছে প্রধানমন্ত্রী : মমতা।    কমিশনের নির্দেশ অমান্য ! স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকে গরহাজির রাজীব কুমার।    এবার লালবাজারে ডাকা হতে পারেন অমিত শাহকে!    ক্ষুব্ধ ঝাড়গ্রামের নীরব অপেক্ষা ফলাফলের জন্য।    “নারী শিক্ষার দিশারীকে ভূ-লুন্ঠিত হতে হল বাঙালীদের হাতে, এর থেকে লজ্জা কি আছে?”: ক্ষোভ বীরসিংহবাসীর।    রানাঘাটের মত নিশ্চিত আসনেও সিঁদুরে মেঘ দেখছে তৃণমূল।    মহামিছিল করে ভাটপাড়ায় প্রচার শেষ করতে চান মদন।    আজ আপনার কেমন যাবে জেনে নিন।    নির্বাচনের আগে ভোট পরিস্থিতি খতিয়ে দেখলেন বিশেষ পুলিশ পর্যবেক্ষক বিবেক দুবে।


ফুটবলটার জোরেই ফণীর সঠিক ভবিষ্যদ্বাণী করল আবহাওয়া দপ্তর

চিন্ময় ভট্টাচার্য

আমাদের ভারত, ৪ মে: আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর আশঙ্কা করেছিল ফণীর জন্য কলকাতায় ঘণ্টায় ৮০ কিলোমিটার বেগে ঝড় বইবে। তার মাত্র ৩০ কিলোমিটার হেরফেরে ঘণ্টায় ৫০ কিলোমিটার গতিতে কলকাতায় ঝড় বয়ে গিয়েছে। এতে ‘ফণী’কে নিয়ে তাদের ভবিষ্যদ্বাণী কার্যত মিলেছে বলেই মনে করছে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর। এর কৃতিত্ব আবহাওয়াবিদরা দিচ্ছেন কলকাতার নিউ সেক্রেটারিয়েট বিল্ডিংয়ের ছাদে রাখা বড় সিগনেচার ফুটবলটিকে।

আবহাওয়া দপ্তর সূত্রে খবর, এই বলটির নাম ‘রেডোম’। এটি আসলে একটি সুরক্ষার আবরণ। যার মধ্যে রয়েছে একটি ২৪ ফুট ব্যাসের ‘প্যারাবলিক ডিশ অ্যান্টেনা’। সেই অ্যান্টেনাকে রোদ-বৃষ্টি-ঝড় থেকে রক্ষা করে ফুটবলটি। এই ডিশ অ্যান্টেনা আবার সরাসরি আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের ‘ডপলার রাডার’-এর সঙ্গে যুক্ত। অ্যান্টেনাটি সর্বদা ৩৬০ ডিগ্রি অ্যাঙ্গেলে ঘুরে চলেছে। মেঘের ঘনত্ব, গতি, উচ্চতার হদিশ করে ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক তরঙ্গের মাধ্যমে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরে ওই অ্যান্টনা নিয়মিত বার্তা পাঠিয়ে চলেছে।

২০০২ সালে জার্মানি থেকে কুড়ি কোটি টাকায় এই যন্ত্রটি কেনা হয়েছে। কলকাতা এবং তার আশপাশের এলাকায় কখন, কতক্ষণ বৃষ্টি হবে তার নির্ভুল তথ্য জানায় অ্যান্টেনাটি। মেঘ ঘনীভূত হয়ে কতটা বৃদ্ধি পাচ্ছে, তার গতিবেগ কত কিলোমিটার, সেই মেঘের কতটুকু অংশ থেকে বৃষ্টিপাত হবে, কোন অঞ্চলে মাঝারি, কোথায় ভারী বৃষ্টিপাত হবে, তা নিখুঁত বলে দিতে পারে ওই অ্যান্টেনা। ফণীর ক্ষেত্রেও তার অন্যথা করেনি এই যন্ত্র।

Leave a Reply

avatar
  Subscribe  
Notify of