বিজ্ঞাপনের জন্য আমাদের সঙ্গে যোগাযোগের মাধ্যম : amaderbharatdesk@gmail.com    ১৯শেই সাফ তৃণমূল : মোদী।    চিটফান্ড কেলেঙ্কারিতে জেলে যাবেন পার্থ : কৈলাশ বিজয়বর্গীয়    আমি বিজেপির ভয়ানক বিরোধী, কিন্তু এটা উকিলের চোখে ধরা পড়ছে মূর্তি টিএমসিপি ভেঙেছে : অরুণাভ ঘোষ।    মুখ্যমন্ত্রীর প্ররোচনায় নরসংহার শুরু করতে পারে তৃণমূল, রাজ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের দাবি বিজেপির।    তৃণমূল বিদ্যাসাগরের মূর্তি যে ভেঙ্গেছে সেখানে পঞ্চ ধাতুর মূর্তি বানিয়ে দেব : ঘোষণা মোদীর।    সারদা নরদা নিয়ে বড় বড় কথা আর চিটফান্ডের মালিকের মাঠে সভা করছে প্রধানমন্ত্রী : মমতা।    কমিশনের নির্দেশ অমান্য ! স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকে গরহাজির রাজীব কুমার।    এবার লালবাজারে ডাকা হতে পারেন অমিত শাহকে!    ক্ষুব্ধ ঝাড়গ্রামের নীরব অপেক্ষা ফলাফলের জন্য।    “নারী শিক্ষার দিশারীকে ভূ-লুন্ঠিত হতে হল বাঙালীদের হাতে, এর থেকে লজ্জা কি আছে?”: ক্ষোভ বীরসিংহবাসীর।    রানাঘাটের মত নিশ্চিত আসনেও সিঁদুরে মেঘ দেখছে তৃণমূল।    মহামিছিল করে ভাটপাড়ায় প্রচার শেষ করতে চান মদন।    আজ আপনার কেমন যাবে জেনে নিন।    নির্বাচনের আগে ভোট পরিস্থিতি খতিয়ে দেখলেন বিশেষ পুলিশ পর্যবেক্ষক বিবেক দুবে।


গভীর রাতে মুখবাঁধা অবস্থায় নার্সদের কোয়ার্টারে কে?

কুমারেশ রায়, অামাদের ভারত, মেদিনীপুর, ১১ মে: গভীর রাতে মুখবাঁধা অবস্থায় গ্রামীণ স্বাস্থ্য কেন্দ্রের স্টাফ কোয়ার্টারে ঢুকে পড়ল এক ব্যক্তি। আকার ঘরে তাকে দেখে আঁতকে উঠলেন নার্স মণিদীপা। চিৎকার করতেই সে পালিয়ে যায়। তিনি কি খুন হয়ে যেতে পারতেন? এই আতঙ্ক তাঁকে তাড়া করে ফিরছে। নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন নার্সিং স্টাফরা। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় চন্দ্রকোনা থানার পুলিশ। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে তারা।

জানা যায়, চন্দ্রকোনা থানার ছত্রগঞ্জ প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নার্সিং স্টাফদের কোয়ার্টারে শুক্রবার রাতে এই চুরির ঘটনা ঘটে। নার্সিং স্টাফ মণিদীপা দাস। রাত্রি দুটো নাগাদ ঘরের মধ্যে একাই ছিলেন, বাকি দুইজন বান্ধবী নির্বাচনের জন্য অন্যত্র ছিলেন। মণিদীপা জানান, ঘুমন্ত অবস্থায় রাতের অন্ধকারে দেখতে পান ঘরের মধ্যে কিছু একটা আওয়াজ হলো। তারপরে দেকেন মুখে কাপড় বাঁধা অবস্থায় এক যুবক ঘরের মধ্যে, তার হাতে কিছু একটা রয়েছে। মণিদীপা চিৎকার করলে সে দ্রুত বাইরে বেরিয়ে পড়ে।

চিৎকার শুনে রাতেই ছুটে আসেন ডাক্তাররা। পরে পুলিশ আসে। এসে দেখে লণ্ডভণ্ড ঘর। নেই মোবাইল, মানিব্যাগে থাকা টাকা, সমস্ত কিছু খোয়া গেছে।

আশ্চর্যের বিষয় একটাই দরজায় তালা দেওয়া ছিল। সেই তালা কী ভাবে খুলে ওই দুষ্কৃতি ভিতরে ঢুকল? এই ঘটনায় মণিদীপা আতঙ্কে ভেঙে পড়েছেন। তাঁর একটাই কথা, আমাকে যদি কেউ খুন করত তার দায়ভার কে নিত? হাসপাতালের নিরাপত্তার বিষয়ে ক্ষোভ উগরে দিয়ে মণিদীপা বলেন, “এই স্বাস্থ্য কেন্দ্রে আমি মাস তিনেক এসেছি, কিন্তু এখানে দেখছি সেই মতো নিরাপত্তা নেই, নেই কোনও প্রাচীর। অামি চাই প্রশাসনের তরফ থেকে অবিলম্বে নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হোক। গোটা ঘটনার তদন্তে নেমেছে পুলিশ।

Leave a Reply

avatar
  Subscribe  
Notify of