যেকোন খবরের জন্য আমাদের সঙ্গে যোগাযোগের মাধ্যম : amaderbharatnews@gmail.com    ফ্রিতে ৫০ লাখ স্মার্টফোন আর জিও সিম।    ফেসবুকে মুখ্যমন্ত্রীর অশালীন ছবি প্রচার,  গ্রেফতার শালবনীর যুবক।    “তৃণমূল বিরোধী শূন্য পঞ্চায়েত গড়তে চাইছে বলেই এত গণ্ডগোল”, বললেন দিলীপ ঘোষ।    আমডাঙা কাণ্ডে রাজস্থান থেকে গ্রেফতার সিপিএম নেতা জাকির।    এবার ভেঙে খসে পড়তে শুরু করল জ্বলন্ত বাগরি মার্কেট।    বীরভূমে আদিবাসী ছাত্রীর ধর্ষণের ঘটনায় ধর্ষকের দ্রুত বিচার চাইলেন লকেট।    তিন সপ্তাহের মধ্যে এসএসসির সম্পূর্ণ মেধাতালিকা প্রকাশের নির্দেশ হাইকোর্টের।    সারদা মামলায় বিধাননগরের প্রাক্তন গোয়েন্দা কর্তা অর্ণব ঘোষকে তলব সিবিআইয়ের।    বাগরি মার্কেটের সিঁড়ি, বাথরুমও ব্যবসায় লিজ, জার্মানি থেকেও ক্ষোভ মুখ্যমন্ত্রীর।    বালুরঘাটে কাজের দিনেও সরকারি অফিসে মদ-মাংসের আসর, আতঙ্কিত দপ্তরের এক মহিলা কর্মী।    হিলিতে ভোগের খিচুড়ির ভাগাভাগি নিয়ে সিভিক ভলান্টিয়ারকে বেধড়ক মার এনভিএফের।    কুলতলিতে রোগী মৃত্যুকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা, প্রহৃত চিকিৎসক।    আজ আপনার কেমন যাবে জেনে নিন।    দেড়বছর পর জামিন পেলেন উদ্বাস্তু আন্দোলনের নেতা সুবোধ বিশ্বাস।    ডিভোর্স না দেওয়ায় স্ত্রীকে খুনের চেষ্টা চিকিৎসক স্বামীর, গ্রেফতার অভিযুক্ত।    গোর্খাল্যান্ডের দাবিতে পাহাড়ে ফের পোস্টার, সিঁদুরে মেঘ দেখছে পাহাড়বাসী।    দিলীপ ঘোষের উপর হামলার প্রতিবাদে রাজ্যজুড়ে পথ অবরোধ কর্মসূচি বিজেপির।    হোয়াটসঅ্যাপে খুব গুরুত্বপূর্ণ তিনটি পরিবর্তন হতে চলেছে।    এবার ভাঁজ করে রাখতে পারবেন আপনার স্মার্টফোন।
BREAKING NEWS:
  • নিম্নচাপের জেরে দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টি
  • বৃষ্টি চলবে শুক্রবার পর্যন্ত বলে
  • আবহাওয়া দপ্তর সূত্রে জানানো হয়েছে।
{"effect":"slide-h","fontstyle":"normal","autoplay":"true","timer":4000}


বাঘ আতঙ্কে ভুগছে বাঁকুড়া, বন্ধ জঙ্গল লাগোয়া অঙ্গনওয়ারী কেন্দ্র, বাঘের প্রভাব স্কুল গুলিতেও

আমাদের ভারত, বাঁকুড়া, ১৩ মার্চ: বাঘ মামার হদিশ নেই। তিনি আছেন কোথায় কেউ জানে না। কিন্তু সেই বাঘমামারই ভয়ে আপাতত বন্ধ হয়ে গেলো অঙ্গনওয়ারী কেন্দ্র। জঙ্গল লাগোয়া গ্রামের প্রাথমিক স্কুলগুলিতেও ছাত্র ছাত্রী আর শিক্ষকের উপস্থিতির সংখ্যাও হাতে গোনা। বাঁকুড়ার সিমলাপালের নেকড়াতাপল গ্রামের এই মূহুর্তের ছবি এটাই।


গত কয়েকদিন ধরে বাঘের আতঙ্কে দিন কাটছে বাঁকুড়ার জঙ্গল মহলের সিমলাপাল-সারেঙ্গা ব্লক এলাকার বাসিন্দাদের। বাঘের খোঁজ না মিললেও সিমলাপাল ও সারেঙ্গার জঙ্গল লাগোয়া এলাকার মাঠে মাঠে ও গ্রামের পথে দেখতে পাওয়া যাচ্ছে বাঘের পায়ের ছাপ। বাড়ির পাশেই এই ঘটনায় যথেষ্ট আতঙ্কে জঙ্গল মহলবাসী। আর এই আতঙ্ক নিয়েই সোমবার থেকে শুরু হয়েছে মাধ্যমিক পরীক্ষা। পরীক্ষাকেন্দ্রে গিয়ে পরীক্ষা শেষে নিরাপদে বাড়ি ফেরা নিয়েই এখন চরম আতঙ্কে পরীক্ষার্থী থেকে অভিভাবক সকলেই।

যে এলাকায় বাঘের পায়ের ছাপ দেখতে পাওয়া গিয়েছিল সেই সিমলাপালের পিঠাবাঁকড়া গ্রাম থেকে ঢিল ছোঁড়া দূরত্বে নেকড়াতাপল গ্রাম। সোমবার থেকেই গ্রামের একমাত্র অঙ্গনওয়ারী কেন্দ্রটি বাঘের ভয়ে তালা দেওয়া বলেই দাবী গ্রামবাসীদের। এমনকি গ্রামের প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রায় আশি জন ছাত্র ছাত্রীর মধ্যে উপস্থিতির হার মাত্র ছয়। শিক্ষকদের উপস্থিতিও নগন্য। শুধুমাত্র একজন শিক্ষক হাজির হয়েছেন বিদ্যালয়ে। শিক্ষক ছাত্রের উপস্থিতি না হওয়া নিয়ে মুখ খুলতে অনীহা স্কুলে একমাত্র উপস্থিত শিক্ষক পূর্ণচন্দ্র সোরেণের।
তবে ছাত্র ছাত্রী প্রত্যেকের চোখেমুখেই আতঙ্কের ছাপ। ছাত্রছাত্রীদের দাবি বাঘ মামার ভয়েই অনেকে স্কুলে আসেনি। অভিভাবকরাই পাঠাতে চাননি তাদের শিশু সন্তানদের। ঐ স্কুলে হাজির হওয়া ছাত্র সুগত হাঁসদা, সোমনাথ সোরেণ বলেন, বাঘের ভয় তো একটা আছেই । তবুও স্কুলে এসেছি। বাবা মায়েরাই পৌঁছে দিয়ে গেছে বলেও তারা জানায়।
সিমলাপালের দুবরাজপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের পিঠাবাঁকড়া, নেকড়াতাপল, জামবনি, বালিঝুরঝুরি, পুঁটিয়াদহ, চাঁদপুর জঙ্গলঘেরা গ্রাম গুলির ছাত্র ছাত্রীদের অবস্থা আরো করুণ।

প্রত্যেককেই প্রায় দু’কিলোমিটার জঙ্গল পথ পেরিয়ে টিউশান বা স্কুল-কলেজে যাতায়াত করতে হয়। বাঘের আতঙ্ক দেখা দেওয়ায় চরম সমস্যায় পড়েছেন তারা। এই জঙ্গলঘেরা পথে অভিভাবকদের সঙ্গে নিয়ে টিউশান যাওয়ার সময়ই দেখা এলাকার বাসিন্দা কলেজ পড়ুয়া অর্চনা দত্ত, রেশমী নন্দীদের সাথে। তারা বলেন, বাঘের ভয়ে একা একা যেতে তো ভয় করছেই। কিন্তু সামনেই পরীক্ষা। স্কুল কলেজ, টিউশন তো এই মূহুর্তে কামাই করাই চলবেনা। তাই অভিভাবকরাই এখন ভরসা। একই কথা শোনালেন স্থানীয় জামবনি গ্রামের অভিভাবক বলরাম দত্তও। তিনি বলেন, এলাকায় যেখানে বাড়ির পাশেই জঙ্গলে বাঘের পায়ের ছাপ দেখতে পাওয়া গেছে। সেখানে আতঙ্কমুক্ত থাকি কি করেবলুন তো ? স্কুল, কলেজ বাড়ির ছেলেমেয়েদের বাইরে পাঠাতে ভয় পাচ্ছি। এই আতঙ্ক থেকে মুক্তি দিতে এলাকার পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণের আর্জি জানিয়েছেন তিনি। এখন দেখার বনদপ্তর ও পুলিশ প্রশাসন কতটা সজাগ থেকে এলাকার আপামর মানুষকে কবে নিরাপত্তা দিতে পারে। প্রশ্ন থেকেই গেছে।

Leave a Reply

avatar
  Subscribe  
Notify of