বিজ্ঞাপনের জন্য আমাদের সঙ্গে যোগাযোগের মাধ্যম : amaderbharatdesk@gmail.com    পাকিস্তানকে জবাব দিতে আরব সাগরে নামানো হলো আইএনএস বিক্রমাদিত্য ও নিউক্লিয়ার সাবমেরিন।    মুম্বই স্টেশনে ফুটব্রিজ ভেঙে হত ৫, আহত ৩০।    তৃণমূলে বড় ধাক্কা, বিজেপিতে যোগ দিলেন অর্জুন সিং।    বিজেপিই রাজ্যের ভবিষ্যৎ, তাই অনেকেই বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন : দিলীপ ঘোষ।    লড়বেন কী, ঘরেই বিড়ম্বনায় বিজেপির নতুন কৃষ্ণ-অর্জুন।    অর্জুন সিং দু’লক্ষের বেশি ভোটে হারবে দীনেশ ত্রিবেদির কাছে: অভিষেক।    বাংলার মানুষ উন্নয়ন দেখে ৪২ এ ৪২ উপহার দেবে : অপরূপা পোদ্দার।    প্রয়াত বিধায়ককে শ্রদ্ধা জানিয়ে রাজনীতির আঙিনায় সত্যজিত জায়া।     মুকুলের পথ ধরেই কি বিজেপিতে এবার ছেলে শুভ্রাংশু!    সমঝোতা না হলে রাজ্যে একাই লড়বে কংগ্রেস, সাফ জানালেন সোমেন মিত্র।    লোকসভা ভোটে বিপ্লব নয়, বালুরঘাটে অর্পিতার সেনাপতি হচ্ছে বাচ্চু ও শঙ্কর।    জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের বৈঠক এড়ালেন অর্জুন ঘনিষ্ঠ ২২ জন কাউন্সিলার।    আজ আপনার কেমন যাবে জেনে নিন।    বিদেশে বর্ণবিবাদের শিকার হলেন বলিউডের এই অভিনেত্রী!


ফের ধাক্কা বিরোধীদের, নয়া সমীকরণেই রাজ‍্যসভায় কেল্লা ফতে মোদী- শাহের

শ্রীরূপা চক্রবর্তী, আমাদের ভারত,৯ আগস্ট: দেশের আঞ্চলিক দলগুলি একত্রিত হয়ে বিজেপিকে ক্ষমতাচ্যুত করার স্বপ্ন দেখছেন। অথচ দ-ুদুটি আঞ্চলিক দলের মদতেই কেল্লা ফতে করল বিজেপি। ডেপুটি চেয়ারম্যান নির্বাচনে জয় অবশ্যই মোদী-অমিতকে বাড়তি অক্সিজেন সরবরাহ করল লোকসভা নির্বাচনের আগে। আর এই জয় এর টি এস আর ও বিজেডির মত আঞ্চলিক দলগুলির হাত ধরে।

আজকের সংসদে ডেপুটি চেয়ারম্যানের নির্বাচনে
এনডিএ প্রার্থী হরিবংশ নারায়ণ জয়লাভ করেছেন। আস্থা ভোটের পর বিরোধীদের আর একবার ধাক্কা দিল বিজেপি। সংসদের উচ্চকক্ষে শরিক নিয়ে বিজেপির সংখ্যা ছিল ৮৯ অথচ ম‍্যাজিক ফিগার ১১৮। অন‍্যদিকে ইউপিএর ছিল ৬৬। সেখানে আঞ্চলিক দলগুলির হাতে ছিল ৮৩। ফলে তারাই ফ‍্যাক্টর ছিল এই নির্বাচনে। কিন্তু ফলাফলে দেখা গেল এনডিএ প্রার্থী পেল ১২৫ ও বিরোধী প্রার্থী পেল ১০৫। অর্থাৎ এনডিএ প্রার্থীকে সমর্থন করেছেন একটা ভালো অংশের আঞ্চলিক দল।

কেন্দ্রে অবিজেপি সরকার গঠনের লক্ষ্যে মমতা, মায়াবতী,অখিলেশ‌,স্টলিন,চন্দ্র বাবু নাইডুর আঞ্চলিক দল একজোট হয়ে ময়দানে নামার চেষ্টা করেছেন। সেখানে বেশ কয়েকবার বিজেপিকে নিজের শরিক দলের হুঁশিয়ারির মুখে পড়তে হয়েছে। কিন্তু যতই হুঁশিয়ারি দিক তারা যে বিজেপির সঙ্গ ত্যাগ করেনি তা আস্থা ভোটেই প্রমাণিত। শিবসেনা সেদিন ভোটদানে বিরত ছিল। রাজনীতিতে নিরপেক্ষতাকে শাসকদলের প্রতি সম্মতির লক্ষণ হিসেবেই দেখা হয়। আর ডেপুটি চেয়ারম্যান নির্বাচনে তো বিজেপি একপ্রকার বাজিমাত করে দিল। টিএস আর ও বিজেডির মত আঞ্চলিক দলগুলির সমর্থনে এই জয় ছিনিয়ে নিল বিজেপি। ধাক্কা খেল ফেডারেল ফ্রন্ট।

নবান্নে গিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে টিএসআর প্রধান কথা বলে এসেছিলেন। ধারণা হয়েছিল টিএসআর ফেডারেল ফ্রন্টে যোগ দিতে চলেছেন। কিন্তু না সেই আশায় জল পড়ে যায় যখন মোদীর সঙ্গে টিএসআর প্রধানের বৈঠক হয়। বৈঠকের নির্যাস লোকসভা নির্বাচনের পর টিএসআর বিজেপিকে সমর্থন দেবে। আর এভাবেই ফেডারেল ফ্রন্টের একটা সৈনিককে মোদী ছিনিয়ে নিতে সক্ষম হলেন। আর মোদীর এই সফলতা প্রমাণ হয়ে গেল সংসদে ডেপুটি চেয়ারম্যান নির্বাচনেই।

লোকসভা নির্বাচনে দামামা বাজলেও সময় এখনো বাকি। তারমধ্যে উল্টে পাল্টে যেতে পারে আপাত দৃষ্টিতে দেখা রাজনীতির হিসেব নিকেষ। ইতিমধ্যেই দুটি অবিজেপি আঞ্চলিক দল বিরোধীদের ফ্রন্টে ঢুকব ঢুকব করে চলে এলেন এনডিএতে। এতে অবশ্যই মোদী ম‍্যাজিকটাই যে কাজ করেছে তারা বলার অপেক্ষা রাখে না।

মোদীর সঙ্গে বৈঠকের পরেই টিএসআরের বিজেপিকে নির্বাচনের পর সমর্থনের আশ্বাস। আর ডেপুটি চেয়ারম্যান নির্বাচনের জন‍্য বিজেডি অধিনায়ক নবীন পটনায়েককে মোদীর করা ফোনের পরেই তাদের এনডিএ প্রার্থীকে সমর্থন।

রাজনৈতিক মহলের মতে,সমীকরণ বদলাচ্ছে। অন‍্যদিকে
আঞ্চলিক দলগুলোর চরিত্র পরিবর্তন সময় সুযোগে উপর নির্ভরশীল। আর সেটাকে বিজেপি কাজে লাগাতে ইতিমধ্যেই আসরে নেমে পড়েছে। আজকের নির্বাচনের ফলাফল বলেছে এনডিএর জন‍্য বিজেপির নতুন শরিক খোঁজার কাজ ঠিক পথেই এগোচ্ছে।

Leave a Reply

avatar
  Subscribe  
Notify of