বিজ্ঞাপনের জন্য আমাদের সঙ্গে যোগাযোগের মাধ্যম : amaderbharatdesk@gmail.com    “ওদেরকে শাস্তি দেওয়ার সময় এসে গেছে” কংগ্রেসকে তোপ যোগগুরু রামদেব বাবার।    রাত পোহালেই রাজ্যে দ্বিতীয় দফায় নির্বাচন।     দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি ও রায়গঞ্জ লোকসভা কেন্দ্রে হবে ভোটগ্রহণ।    “টাকার থলি নিয়ে রাস্তায় রাস্তায় ঘুরছে আরএসএসের দালালরা” অভিযোগ মমতার।    সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেলে ছয় মাসের মধ্যেই বিধানসভা ভোট করাব বললেন আলুয়ালিয়া।    ঝাঁটা হাতে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে এলাকা ছাড়া করার নিদান রাজ্যের মন্ত্রীর।    কান্দিতে অধীর গড়ে দাঁড়িয়ে কংগ্রেস ও বিজেপিকে তোপ মমতার।    নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য “ইউনিক কালার কোডিং” ব্যবস্থা।    আরও কড়া হল কমিশন, দুবের মাথায় বসল নতুন পর্যবেক্ষক।    অমিত, যোগীর জোড়া ফলায় মমতাকে ঘায়েলের চেষ্টা বিজেপির।    জয়ের প্রচারে আমতায় রাজনাথ সিং।    ঘাটালে একা কুম্ভ ভারতী।    আজ আপনার কেমন যাবে জেনে নিন।    ভোটের দিনগুলোয় কেন্দ্রীয় নেতাদের এনে কিস্তিমাত করতে কৌশল বিজেপির।


টুইটার পক্ষপাতদুষ্ট! দক্ষিণপন্থীদের অভিযোগ খতিয়ে দেখছে অনুরাগ ঠাকুর নেতৃত্বাধীন সংসদীয় কমিটি

আমাদের ভারত ডেস্ক, ৯ ফেব্রুয়ারি:কেন্দ্রীয় সরকারের তথ্য প্রযুক্তি সংক্রান্ত সংসদীয় কমিটির প্রধান অনুরাগ ঠাকুর আগামী ১১ই ফেব্রুয়ারী টুইটার ইন্ডিয়ার আধিকারিকদের আলেচনার জন্য ডেকে পাঠিয়েছেন। এই আলোচনায় ইলেকট্রনিক্স ও তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রকের প্রতিনিধিদের সঙ্গে টুইটার ইন্ডিয়ার সামাজিক মাধ্যম এবং অনলাইন সংবাদ পোর্টালগুলিতে নাগরিকদের অধিকার রক্ষার বিষয়ে মত বিনিময় হবে বলে জানা গেছে।


অনুরাগ ঠাকুরের নেতৃত্বাধীন সংসদীয় কমিটিতে ২১জন লোকসভা ও ১০জন রাজ্যসভার সাংসদ আছেন। অনুরাগ ঠাকুর সামাজিক মাধ্যম বা অনলাইন সংবাদ পোর্টালগুলিতে নাগরিকদের অধিকার রক্ষার বিষয়ে সাধারণ জনগনের মতামত ও পরামর্শ ইমেলে জানতে চেয়েছেন।

বামপন্থী পক্ষপাত ও বিপরীত মতাদর্শকে জোর-পূর্বক আটকানোর ক্ষেত্রে টুইটারের অপচেষ্টার বিরুদ্ধে বহু টুইটার ব্যবহারকারী রবিবার দিল্লীতে নীরব প্রতিবাদ করেন।
সম্প্রতি বাম বা অতি বামপন্থী মতামতে প্রভাবিত হওয়ার কারণে, টুইটার সামাজিক মাধ্যম ব্যবহারকারীদের সেন্সর করছে – বলে অভিযোগ। কংগ্রেস সহ বিরোধী দলগুলির মদতে এক শ্রেণির মানুষ প্রচার মাধ্যমে মিথ্যা প্রচার করে চলছে। দক্ষিনপন্থী টুইটার ব্যবহারকারীরা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন যে, সামাজিক মাধ্যমগুলিতে অসত্য সংবাদে ভরে যাচ্ছে।
টুইটারের বিরুদ্ধে বেশ কিছু দক্ষিণপন্থী হ্যান্ডেল বা অ্যাকাউন্টকে স্যাডো-ব্যান করার অভিযোগ এসেছে অর্থাৎ অ্যাকাউন্টটি ব্লক বা স্থগিত না হলেও, তার পোস্টগুলি অনুসরণকারীদের কাছে পৌঁছাবে না। এতে যতক্ষন না ঐ একাউন্ট-এর পেজে কেউ যাবে, ততক্ষন ঐ স্যাডো-ব্যান অ্যাকাউন্টের টুইটগুলি কেউ দেখতে পাবে না ।
দক্ষীনপন্থী বা সত্যসন্ধানী কোনো টুইটার অ্যাকাউন্ট-এর সঙ্গে বামপন্থী মতানৈক্যের কারণে এক-একটি টুইটার অ্যাকাউন্ট-এর ওপর নিষেধাজ্ঞা বা তদন্ত করা হচ্ছে। তবে এটি প্রথম হচ্ছে না। সাম্প্রতিক অতীতে বিজ্ঞানী আনন্দ রঙ্গনাথন বা চিত্রপরিচালক বিবেক অগ্নিহোত্রির টুইট অজানা আইনি কারণের দোহাই দিয়ে আটকানো হয়েছে।
মতাদর্শগত লড়াইয়ের ক্ষেত্রে টুইটার এমনই একটা প্ল্যাটফর্ম হয়ে উঠছে যেখানে মতপার্থক্য হলেই তাকে আটকানোর হচ্ছে। টুইটারের এই ঘৃণ্য আচরণ, বামপন্থী পক্ষপাতিত্বের সমান। সামাজিক মাধ্যমগুলি রক্ষণশীলদের প্রতি বৈষম্যমূলক ব্যাবহার করছে এই অভিযোগের উত্তরে টুইটার এর সিইও জ্যাক ডর্সী সিএনএন এর একটি সাক্ষাৎকারে স্বীকার করেছেন যে তাদের বেশীরভাগ কর্মচারী বামপন্থী মানসিকতার।
অতি সম্প্রতি টুইটার এর সিইও জ্যাক ডর্সীকে ‘ব্রাহ্মণ্য পিতৃতন্ত্রের ধ্বংস’ লেখা প্ল্যাকার্ড এর সঙ্গে টুইট করতে দেখা গেছিল। অতি বামপন্থী মতাদর্শের প্রভাবে একটি সম্প্রদায়কে ছোটো করার উদ্দেশে এটা করা হয়েছিল। এর ফলে ভারতে জনরোষ সৃষ্টি হয়। পরে টুইটার ইন্ডিয়ার আইনী প্রধান, সংশ্লিষ্ট সকলের কাছে – তাদের ভাবাবেগে আঘাতের জন্য ক্ষমা চাইতে বাধ্য হন। রাজস্থানের যোধপুরে, আদালত ডর্সীর এই “ব্রাহ্মণ্য বিরোধী” – প্ল্যাকার্ড এর বিরুদ্ধে আবেদন গ্রহন করেছে।

Leave a Reply

avatar
  Subscribe  
Notify of