যেকোন রকম বিজ্ঞাপনের জন্য আমাদের সঙ্গে যোগাযোগের মাধ্যম : amaderbharatdesk@gmail.com    তেলেঙ্গানায় ক্ষমতায় আসতে চন্দ্রশেখরকে সমর্থনের প্রস্তাব বিজেপির, শর্ত একটাই ত্যাগ করতে হবে ওয়াইসিকে।    অধ্যাদেশ জারি করে রাম মন্দির নির্মাণের দাবিতে গেরুয়া স্রোত রাজধানীতে।    “সংখ্যালঘু ভোটের জন্য হিন্দু বিদ্বেষী বাংলাদেশি ধর্মগুরুকে সভা করার অনুমতি দিয়েছে রাজ্য”: দিলীপ।    প্রাক্তন কেএলও লিঙ্কম্যানদের তৃণমূলে যোগদান।    কেন চোলাই নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না? মন্ত্রিসভার বৈঠকে ক্ষুব্ধ মমতা।    লোকসভার আগে রাজ্যে ৭ হাজার নতুন শিক্ষক পদে নিয়োগ সরকারের।    “বিজেপির রাজ্য গুজরাট, বিহারে মদ নিষিদ্ধ তবে এই বাংলায় কেন তা হচ্ছে না “: মুকুল।    ভুয়ো কল সেন্টার খুলে বিদেশে কোটি টাকার প্রতারণা, পাকড়াও ৪ যুবক।    “শাসক দলের রক্তক্ষয়ী রাজনীতি”: নদিয়ায় বিজেপির রক্তদান শিবির।    আইনজীবী খুনের ঘটনাতেও উঠে আসছে পরকীয়া তত্ত্ব, আটক স্ত্রী।    রোগীমৃত্যুর জেরে বাঙুর হাসপাতালে ভাঙচুর, মারধর চিকিৎসকদের, আটক ৮।    বাড়ি থেকে সংগ্রহশালা, পরিবর্তন হতে চলেছে রাজ কাপুরের জন্মভিটে।    আজ আপনার কেমন যাবে জেনে নিন।    বিয়ের পর প্রথম দীপিকা প্রসঙ্গে মুখ খুললেল রণবীর।


ইউকো জালিয়াতিতে কলকাতার গোর্কি টেরেসের অফিসে তদন্ত শুরু সিবিআইয়ের

আমাদের ভারত, কলকাতা, ১৬ এপ্রিল: ইউকো ব্যাঙ্কের আর্থিক প্রতারণার জালে জড়িয়ে গেল কলকাতার নামও। কলকাতার ৫, গোর্কি টেরেস ঠিকানার একটি অফিসের বিরুদ্ধেও সিবিআই তদন্ত শুরু হয়েছে। ইউকো ব্যাঙ্কের প্রাক্তন সিএমডি অরুণ কল এবং এইচএস ভারানার বিরুদ্ধে শুরু হয়েছে তদন্ত।
এখনও পর্যন্ত ৭৩৭ কোটি ৮৮ লক্ষ টাকা দুর্নীতির খোঁজ মিলেছে। দুর্নীতিতে জড়িয়েছেন দুই চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট এবং একটি সংস্থার ডিরেক্টররা। সিবিআই চিঠি দিয়েছে কলকাতার ইউকো ব্যাঙ্কের চিফ ভিজিল্যান্স অফিসারকেও।
সিবিআইয়ের অর্থনৈতিক দুর্নীতি দমন শাখা তদন্ত শুরু করেছে এরা ইনফ্রা ইঞ্জিনিয়ারিং লিমিটেডের সিএমডি হেম সিং ভারানা এবং ডিরেক্টর জওহরলাল খুসু, এ কে মেহতা, অরবিন্দ পান্ডে, এসডি শর্মা, এসডি কাপুর, অনিল রাজদানের বিরুদ্ধে। ব্যাঙ্কের দুই সিএমডি অনিল কল, পবন বনশল এবং দুই চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট পঙ্কজ জৈন, বন্দনা সারদার বিরুদ্ধেও তদন্ত শুরু হয়েছে।
চলতি মাসে ইউকো ব্যাঙ্কের মুম্বই অফিসের জোনাল ম্যানেজার রাজেন্দ্রকুমার শাহ সিবিআইকে চিঠি লিখে প্রতারণার বিষয়টি জানান। গত কয়েক বছর ওই পরিমাণ টাকা ঋণ দেওয়ার পর খোঁজ নিতে গিয়ে ব্যাঙ্ক জানতে পারে, ঋণের টাকা বা সুদ কোনওটাই ফিরে আসেনি। বস্তুত, ইনফ্রা ইঞ্জিনিয়ারিং লিমিটেড (‌২০০৭ সালে নতুন নামকরণ হয়েছে) প্রথমে কনস্ট্রাকশন ইন্ডিয়া লিমিটেড নামে ব্যবসা শুরু করেছিল। গত ১৫ বছরে ৫০টি বড় প্রকল্পে তারা লগ্নি করেছিল। দিল্লি, কলকাতা, হরিয়ানা এবং মুম্বই তাদের কর্মক্ষেত্র। ২০১০ সালে ইউকো ব্যাঙ্ক থেকে ২০০ কোটি টাকা ‘টার্ম লোন’ নেওয়া হয়। কিন্তু দেখা যায়, যে প্রকল্পে ঋণ নেওয়া হয়েছিল, সেখানে সেই অর্থ ব্যবহার করা হয়নি। টাকা চলে গিয়েছে অন্য অ্যাকাউন্টে। এর পর ধাপে ধাপে বিভিন্ন সংস্থার অ্যাকাউন্টে বেশ কয়েক কোটি টাকা করে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।
চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টদের দিয়ে ভুয়ো নথি তৈরি করিয়ে সহযোগী সংস্থা দেখিয়ে তাদের অ্যাকাউন্টে টাকা জমা দেওয়া হয়েছে। অভিযোগ, ব্যাঙ্কের তৎকালীন চিফ ম্যানেজিং ডিরেক্টর নিজেই ঋণের গুরুত্বপূর্ণ ফাইলে সই করেছিলেন। সিবিআইয়ের সন্দেহ, কোনও সত্যতা যাচাই না করেই ঋণ দেওয়া হয়েছিল। তাদের বক্তব্য, ঋণের টাকা বিভিন্ন ক্ষেত্রে কমিশনের মাধ্যমে নানা ব্যক্তির অ্যাকাউন্টে চলে গিয়েছে।

Leave a Reply

avatar
  Subscribe  
Notify of