বিজ্ঞাপনের জন্য আমাদের সঙ্গে যোগাযোগের মাধ্যম : amaderbharatdesk@gmail.com    ১৯শেই সাফ তৃণমূল : মোদী।    চিটফান্ড কেলেঙ্কারিতে জেলে যাবেন পার্থ : কৈলাশ বিজয়বর্গীয়    আমি বিজেপির ভয়ানক বিরোধী, কিন্তু এটা উকিলের চোখে ধরা পড়ছে মূর্তি টিএমসিপি ভেঙেছে : অরুণাভ ঘোষ।    মুখ্যমন্ত্রীর প্ররোচনায় নরসংহার শুরু করতে পারে তৃণমূল, রাজ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের দাবি বিজেপির।    তৃণমূল বিদ্যাসাগরের মূর্তি যে ভেঙ্গেছে সেখানে পঞ্চ ধাতুর মূর্তি বানিয়ে দেব : ঘোষণা মোদীর।    সারদা নরদা নিয়ে বড় বড় কথা আর চিটফান্ডের মালিকের মাঠে সভা করছে প্রধানমন্ত্রী : মমতা।    কমিশনের নির্দেশ অমান্য ! স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকে গরহাজির রাজীব কুমার।    এবার লালবাজারে ডাকা হতে পারেন অমিত শাহকে!    ক্ষুব্ধ ঝাড়গ্রামের নীরব অপেক্ষা ফলাফলের জন্য।    “নারী শিক্ষার দিশারীকে ভূ-লুন্ঠিত হতে হল বাঙালীদের হাতে, এর থেকে লজ্জা কি আছে?”: ক্ষোভ বীরসিংহবাসীর।    রানাঘাটের মত নিশ্চিত আসনেও সিঁদুরে মেঘ দেখছে তৃণমূল।    মহামিছিল করে ভাটপাড়ায় প্রচার শেষ করতে চান মদন।    আজ আপনার কেমন যাবে জেনে নিন।    নির্বাচনের আগে ভোট পরিস্থিতি খতিয়ে দেখলেন বিশেষ পুলিশ পর্যবেক্ষক বিবেক দুবে।


গরম থেকে বাঁচতে কী করতে বলছেন বিশেষজ্ঞরা

চিন্ময় ভট্টাচার্য

আমাদের ভারত, ১০ মে: চল্লিশ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় পুড়ছে গোটা রাজ্য৷ এই সময় ঘরে-বাইরে প্রত্যেকে গরমে নাজেহাল হচ্ছেন। এসি থাকলে না-হয় ঘর ঠান্ডা রেখে আরামে কাটানো যায়৷ কিন্তু, যার বাড়িতে এসি নেই, তাঁরা কী করে সময় কাটাবেন? তার ওপর অনেকের ঘরেই হাওয়া খুব বেশি চলাচল করে না। ফলে বাতাস চলাচলে ঘর ঠাণ্ডা হয় না। অনেকের বাড়ি আবার ছাদের ঠিক নীচে বা অ্যাসবেসটসের বলে গরমটা অনেক বেশি লাগে। দিনের শেষে ঘরটা হয়ে যায় উনুনের মতো গরম।

এই পরিস্থিতিতে লাগবে-একটি টেবিল ফ্যান এবং একবাটি বরফ। প্রথমেই ঘরের জানালা খুলে দিতে হবে। এর পর এই জানালার দিকে পিছনের অংশটা দিয়ে টেবিল ফ্যান ছেড়ে দিতে হবে। এমনভাবে দিতে হবে, যেন জানালার খোলা অংশের ঠিক সামনেই ফ্যানটা ঘুরতে থাকে। এই টেবিল ফ্যান বাইরের ঠাণ্ডা বাতাস ঘরে টেনে আনবে। তার পর টেবিল ফ্যানের ঠিক সামনে একটি বড় বাটিভর্তি বরফ রাখতে হবে। এমন ভাবে রাখতে হবে, যেন বাতাস এই বরফের গায়েও লাগে। আর তার পর কিছুক্ষণের মধ্যেই ঘর থেকে গরম দূর হয়ে যাবে। শুধু গরম দূরই হবে না, ঘরটা হয়ে উঠবে শীতল। যতক্ষণ বরফ থাকবে, শীতল ভাবটাও বজায় থাকবে। শুধু তাই নয়, বরফ গলে গেলেও ঘরটা গরম হবে না।

চিকিৎসক ও সমাজসেবীরা বলছেন, তাপমাত্রা ৪০ ছাড়ালেই প্রভাব পড়ে শরীরে৷ জলের অভাব মেটাতে প্রত্যেকের অন্তত তিন লিটার করে জল পান করা উচিত৷ শরীরে জলের অভাব হচ্ছে কি না তার জন্য ঠোঁট ও চোখের মণির দিকে নজর রাখুন৷ নিয়মিত ব্লাড প্রেশার চেক করুন। দিনে তিন-চারবার ঠান্ডা জলে স্নান করুন৷ শরীর ঠান্ডা রাখতে সবজি এবং ফল খান বেশি করে৷ এই সময়ে মাংস কম খাওয়া উচিত৷ এসি ছাড়াই ঘরের তাপমাত্রা কমাতে ঘরের কোণায় এক বা দু-বালতি জল রেখে দিতে পারেন৷ এই গরমে পশুদের বাইরে রাখবেন না৷ বিশেষত দুপুর ১২টা থেকে তিনটের মধ্যে৷ শুধু বাড়ির পোষ্যদেরই নয়, রাস্তার পশুদেরও এই অসহ্য গরমের দিনে আপনার বাড়ির ছায়ায় আশ্রয় নিতে দিন৷

Leave a Reply

avatar
  Subscribe  
Notify of