রামমন্দির মামলা নিষ্পত্তির পথে, এবার লক্ষ্য নব্বইয়ের দশকে কাশ্মীরে ভাঙা শতাধিক মন্দিরের পুনর্গঠন

রামমন্দির মামলা নিষ্পত্তির পথে, এবার লক্ষ্য নব্বইয়ের দশকে কাশ্মীরে ভাঙা শতাধিক মন্দিরের পুনর্গঠন

আমাদের ভারত,৯ আগস্ট: ৩৭০ ধারা উঠেছে, অন্যদিকে এবার অযোধ্যার রামমন্দির মামলাও নিষ্পত্তির পথে। তাই, নব্বইয়ের দশকে কাশ্মীরে ভেঙ্গে ফেলা মন্দির পুনর্গঠন করাই পরবর্তী লক্ষ্য গেরুয়া শিবিরের। বৃহস্পতিবার দিল্লিতে বিশ্ব হিন্দু পরিষদ ও অখিল ভারতীয় সন্ত সমিতির যৌথ সাংবাদিক বৈঠকে তারা জানান এবার তাদের লক্ষ্য সেই মন্দির গুলির পুর্নগঠন করা।

অযোধ্যা রাম মন্দিরের সমস্যা সমাধান খুব তাড়াতাড়ি হয়ে যাবে বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। ফলে, এবার বিশ্ব হিন্দু পরিষদ ও অখিল ভারতীয় সন্ত সমিতি নব্বইয়ের দশকে যে মন্দিরগুলি কাশ্মীরে ভাঙ্গা হয়েছিল বলে অভিযোগ ওঠে, সেগুলি নতুন করে নির্মাণ করবে। বিশ্ব হিন্দু পরিষদ ও সন্ত সমিতি দিল্লিতে এক যৌথ সাংবাদিক বৈঠকে জানায় সপ্তাহে তিন দিনের বদলে সপ্তাহে পাঁচ দিন করে শুনানি হবে অযোধ্যা মামলার। ফলে অযোধ্যার ফায়সালা খুব তাড়াতাড়ি হয়ে যাবে। তাই, এবার শুধু স্থির করতে হবে মন্দির হবে কীভাবে? তাঁরা আরও বলেন, সারা দেশের চার লাখেরও বেশি মন্দিরের অবস্থান মূল্যায়ন করবেন তারা। সন্ত সমিতির পক্ষে স্বামী জিতেন্দ্রনন্দ সরস্বতী বলেন, “জম্মু কাশ্মীরের ৩৭০ ধারা বিলোপ করে সাহসী পদক্ষেপ নিয়েছে নরেন্দ্র মোদী ও অমিত শাহ। এই পদক্ষেপের জন্য তাঁদের আমরা অভিনন্দন জানাই। আমাদের আশা বেড়েছে। জম্মু-কাশ্মীরের ৯০-এর দশকের ভাঙ্গা মন্দিরগুলি নতুন করে তৈরি হবে। আইন-শৃঙ্খলা এখন কেন্দ্র সরকারের দায়িত্ব। তাই মন্দির তৈরীর জন্য সরকার আইনি সাহায্য করবে বলে আমরা আশাবাদী।”

তিনি আরো বলেন, “আগামী তিন থেকে চার মাসের মধ্যে বিশ্ব হিন্দু পরিষদকে সঙ্গে নিয়ে দেশের সব মঠ মন্দিরে পৌঁছাব আমরা। “অন্যদিকে, ওই সাংবাদিক বৈঠকে উপস্থিত বিশ্ব হিন্দু পরিষদের কার্য নির্বাহী সভাপতি অলক কুমার বলেন, “সরকারি সাহায্য পেলে সমাজকে নিয়ে বিশ্ব হিন্দু পরিষদ মন্দির তৈরি করবে।”

৩৭০ ধারা রদ হতেই উপত্যাকায় মন্দির নির্মাণের তোড়জোড় শুরু করে দিলো বিশ্ব হিন্দু পরিষদ ও সন্ত সমিতি। যদিও তারা জানিয়েছেন তাদের এই দাবি এবং কর্মসূচি দীর্ঘদিনের। স্বামী জিতেন্দ্রনন্দ সরস্বতী বলেন, গোটা দেশে চার লক্ষেরও বেশি মন্দির রয়েছে রাজ্য সরকারের অধীনে। সেগুলিকে যোগ্য হিন্দুদের হাতে তুলে দেওয়া উচিত বলে তিনি জানান।

৩ দিনের বদলে এখন সপ্তাহে ৫দিন সুপ্রিম কোর্টে শুনানি হবে অযোধ্যা মামলা। ফলে রাম মন্দির সংক্রান্ত যেকোন বিবাদ খুব দ্রুত নিষ্পত্তির আশা করছে গেরুয়া শিবির। আর সেই কারণেই আন্দোলনের ব্যাপ্তিকে বাড়িয়ে বিশ্ব হিন্দু পরিষদ এবং সন্ত সমিতির পরবর্তী লক্ষ্য কাশ্মীরের ভেঙে ফেলা শতাধিক মন্দির।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

5 + 8 =