মুরারইয়ে গড়ে উঠতে চলেছে কৃষি বিজ্ঞান কেন্দ্র

আমাদের ভারত, রামপুরহাট, ১৯ নভেম্বর: মুরারইয়ে গড়ে উঠতে চলেছে কৃষি বিজ্ঞান কেন্দ্র। মঙ্গলবার সেই জায়গা পরিদর্শন করলেন মৎস্যমন্ত্রী চন্দ্রনাথ সিনহা, রাজ্য প্রাণী ও মৎস্য বিজ্ঞান বিশ্ব বিদ্যালয়ের উপাচার্য পূর্ণেন্দু বিশ্বাস। সঙ্গে ছিলেন ভূমি ও ভূমি সংস্কার আধিকারিকরা। ২৫ একর জায়গার উপর গড়ে উঠবে ওই গবেষণা কেন্দ্র। পূর্ত দফতরের কাছ থেকে ওই জায়গা হস্তান্তর করার জন্য আবেদন করা হবে।

মুরারই ১ নম্বর ব্লকের পলসা থেকে রূপরামপুর যাওয়ার পথে পূর্তদফতরের বেশ কিছু জায়গা রয়েছে। সেই জায়গাতেই কৃষি বিজ্ঞান কেন্দ্র খোলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার সেই জায়গা পরিদর্শন করেন মৎস্যমন্ত্রী চন্দ্রনাথ সিনহা, রাজ্য প্রাণী ও মৎস্য বিজ্ঞান বিশ্ব বিদ্যালয়ের উপাচার্য পূর্ণেন্দু বিশ্বাস। সঙ্গে ছিলেন মুরারই ১ নম্বর পঞ্চায়েত সমিতিরি সদস্য বিনয় ঘোষ, ভূমি ও ভূমি সংস্কার আধিকারিক এবং পূর্ত দফতরের আধিকারিকরা।

জমি পরিদর্শনের পর চন্দ্রনাথ সিনহা বলেন, “এখানে জমি পরিদর্শন করলাম। সব ঠিকঠাক থাকলে এখানে কৃষি বিজ্ঞান কেন্দ্র গড়ে তোলা হবে। জমি দেখা হল। তবে কিছু জায়গা দখল হয়ে রয়েছে। তবে আমরা কাউকে উচ্ছেদ করবো না। সবাইকে নিয়েই পরিকল্পনা করা হবে। অযথা ভয় পাওয়ার কোনও কারণ নেই। প্রথমে পূর্ত দফতরের কাছ থেকে জমি হস্তান্তর করতে হবে। তারপর জমির চরিত্র বদল করতে হবে। তারপর বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের হাতে সেই জমি তুলে দেব। ২৫ একর জমি প্রয়োজন। কিছু জমি দখল হয়ে রয়েছে। আমরা অন্য কোনও ভাবে জমি নিয়ে সেই জায়গা পূরণ করে দেব”।

পূর্ণেন্দুবাবু বলেন, “বীরভূম জেলার শান্তিনিকেতনে একটি কৃষি বিজ্ঞান কেন্দ্র রয়েছে। রাজ্যের জেলা গুলি কৃষিভিত্তিক। তাই কৃষিবিজ্ঞান কেন্দ্রের খুব প্রয়োজন। শান্তিনিকেতন তো এখন আর গ্রাম নেই। তাই আমরা চাইছিলাম একদম গ্রামের মধ্যে কৃষি বিজ্ঞান কেন্দ্র গড়তে। এর জন্য সরকারকে ২৫ একর জায়গা দিতে হবে। আর কোনও খরচ রাজ্য সরকারকে দিতে হয় না। ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অফ এগ্রিকালচার এন্ড রিসার্চ তারা বহন করবে। এখানে জেলার মৎস্য, কৃষি, প্রাণী সম্পদ বিশেষজ্ঞরা কাজ পাবেন। স্বাভাবিক ভাবেই এখানেই কৃষি বিজ্ঞান কেন্দ্র গড়ে উঠলে জেলার কৃষি, মৎস্য, প্রাণী সম্পদের প্রভূত উন্নতি হবে”।

আপনাদের মতামত জানান

Please enter your comment!
Please enter your name here