১০০ দিনের কাজের জন্য এ রাজ্যে সবচেয়ে বেশি টাকা এলেও কোনও কাজ হয়নি, অভিযোগ দিলীপ ঘোষের

স্নেহাশীষ মুখার্জি, আমাদের ভারত, নদিয়া, ১৪ জুন:
১০০ দিনের কাজের জন্য সারাদেশের মধ্যে সব থেকে বেশি টাকা এসেছে এ রাজ্যে। একই পুকুর দুবার কাটা
হলেও জল পাবেন না তাতে অভিযোগ দিলীপ ঘোষের। পরিযায়ী শ্রমিকদের তালিকা তৈরি করে ট্রেনিং দেওয়ার ব্যবস্থার কথা তিনি বলেন।

১০০ দিনের কাজে চূড়ান্ত দুর্নীতির অভিযোগ তুললেন দিলীপ ঘোষ। তিনি বলেন, এ রাজ্যে সবচেয়ে বেশি টাকা এলেও কাজ হয়নি। এমনকি একই কাজ দুবার করা হয়েছে বলে তিনি অভিযোগ করেন। আজ কৃষ্ণনগরে সদর হাসপাতালের পাশে এক বেসরকারি লজে সাংবাদিক সম্মেলনে এসেছিলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। সেখানে ১০০ দিনের কাজ এবং পরিযায়ী শ্রমিকদের নিয়ে রাজ্য সরকারের তীব্র সমালোচনা করেন তিনি।

এই রাজ্যে ১০০ দিনের কাজের জন্য সারাদেশের মধ্যে সবচেয়ে বেশি টাকা এসেছে, খরচ হয়েছে কিন্তু কোনও কাজ হয়নি। এখানে এরকম পুকুর আছে যা দুবার কাটানো হয়েছে কিন্তু জল পাবেন না আপনি। এরকম ম্যাজিক টিএমসি করতে পারে, এর পরিবর্তন আমরা করব। পরিযায়ী শ্রমিক প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ জানান, এ রাজ্যের কাছে পরিযায়ী শ্রমিকদের কোনো তালিকা নেই। এ মাসের শেষের দিকে আমরা এদের সবার বায়োডাটা তৈরি করব সবার নাম নথিভুক্ত করব যাতে পরবর্তীতে তাদেরকে ট্রেনিং দেওয়া যায় এবং তাদের কাজ দিয়ে সরকারি সহযোগিতা পৌঁছানো যায়। কেন্দ্রীয় সরকারকে আমরা আবেদন করব পরিযায়ী শ্রমিকদের জন্য যাতে ব্যবস্থা করা যায়। এরপর কে কোথায় যেতে চায় তাঁরা ঠিক করবে। কিন্তু যারা এখানে থাকবে তাদের কাজের চেষ্টাও আমরা করব।

ভারতীয় জনতা পার্টি ১৪টা সিটে জিতেছে যখন করোনা আমফান কিছুই ছিল না। বিজেপি তার আদর্শবান কর্মীদের উপর নির্ভর করে ভোটে জেতে এবং আগামী দিনেও জিতবে। এখনো বিজেপিতে যথেষ্ট পরিমাণে মুসলমানদের আসার মতো পরিস্থিতি হয়নি। মানুষ বিজেপি নেতাকে খুঁজছে বিজেপি নেতাদের কাছে যেতে চাইছে সে কারণে আমি বেছে বেছে কয়েকজন নেতাকে দলে যোগদান করিয়েছি। শুধু লকডাউন উঠে যাক দেখবেন বিজেপিতে আসার যে স্রোত ভয়ঙ্কর ভাবে আছড়ে পড়বে। তৃণমূলের অবস্থা খুবই খারাপ। মানুষ তাদের আসল রূপ জেনে গেছে। তাদের কর্মীরাও আজ আত্মগ্লানিতে ভুগছে।

আপনাদের মতামত জানান

Please enter your comment!
Please enter your name here