আরএসএসের জয়গান এনসিপি নেতা শারদ পাওয়ারের মুখে, তাহলে কি নতুন সমীকরণের ইঙ্গিত!

আরএসএসের জয়গান এনসিপি নেতা শারদ পাওয়ারের মুখে, তাহলে কি নতুন সমীকরণের ইঙ্গিত!

আমাদের ভারত ডেস্ক,১১ জুন:ন্যাশনালিস্ট কংগ্রেস পার্টির প্রধান শারদ পাওয়ারের মুখে আরএসএস এর জয়গান। হ্যাঁ এই অদ্ভুত ঘটনার পরই রাজনৈতিক মহলে ঘুরতে শুরু করেছে নানা প্রশ্ন। হাওয়া কি তাহলে হঠাতই ঘুরে গেল? হাতকে ছেড়ে দেওয়ার ভাবনাই কি শুরু করল এনসিপি? হ্যাঁ ছএমনই প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে রাজনৈতিক মহলে।

সোমবার এনসিপি’র প্রধান শারদ পাওয়ার বলেছেন, আরএসএস এর কার্যকর্তাদের কাছ থেকে শেখা উচিত কিভাবে মানুষের সঙ্গে জনসংযোগ করতে হয়, কিভাবে মানুষের সঙ্গে মিশে যেতে হয়। তিনি বলেন, নির্বাচনের প্রচারে বেরিয়ে যদি আমাদের দলের কর্মীরা দেখে কোন বাড়ির দরজা বন্ধ তাহলে সেই বন্ধ দরজার সামনে প্রচারপত্র ফেলে চলে আসে। কিন্তু আরএসএসের কর্মীরা সেই জায়গায় থাকলে বাড়ির দরজা খুলে প্রতিটি মানুষের সাথে কথা বলতেন। তিনি আরো বলেন, একজন আরএসএসের কর্মীকে পাঁচটি বাড়ির দায়িত্ব দেওয়া হলে সেই কর্মী প্রতিদিন ওই বাড়ি গুলিতে যাবেন এবং ওই বাড়ির সদস্যদের সঙ্গে কথা বলবেন। সকাল বেলায় কোন বাড়ির দরজা বন্ধ থাকলে বিকেলে গিয়ে সেই বাড়ির সদস্যদের সঙ্গে আলাপচারিতা সেরে আসবেন। কিন্তু এই মনোভাব এনসিপি কর্মীদের মধ্যে নেই। তাই এই মনোভাব আরএসএস কর্মীদের থেকে এনসিপি’র কর্মীদের শেখা উচিত বলে মনে করেন পাওয়ার।

তিনি বলেন এনসিপি সঙ্গে আদর্শগত যথেষ্ট পার্থক্য রয়েছে আরএসএসের। কিন্তু তা সত্বেও দলের প্রতি কর্মীদের আনুগত্য নিষ্ঠা আরএসএসের কাছ থেকে অন্য দলের কর্মীদের শেখা উচিত।বিশেষত এনসিপি কর্মীদের।

এখন আর এস এসের গুনগান করলেও নির্বাচনের সময় স্বভাব সিদ্ধ ভাবেই বিজেপির কড়া সমালোচনায় মত্ত ছিলেন শারদ পাওয়ার। জোর দিয়ে বলেছিলেন বিজেপি বৃহত্তম দল হিসেবে উঠে এলেও প্রধানমন্ত্রীর চেয়ারে মোদীকে নাও দেখা যেতে পারে। তিনি আরো বলেছিলেন যে ,সরকার গড়তে হলে বিজেপিকে অন্য দলের সমর্থন নিতে হবে সেক্ষেত্রে মোদীর প্রধানমন্ত্রী হওয়া আটকে যেতে পারে। কিন্তু বর্ষিয়ান এই নেতার কোনো ভবিষ্যৎ বাণী মেলেনি। বিপুল জনসমর্থন নিয়ে বিজেপি ক্ষমতায় ফিরেছে। আর তার কিছুদিনের মধ্যেই পাওয়ারের মুখে আরএসএসের জয়গান শুনে জল্পনা যে শুরু হবে বৈকি।

যদিও এবারের লোকসভা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন নি পাওয়ার। তবে রাজনৈতিক মহলের মতে নাতিকে জায়গা করে দিতেই নির্বাচনী ময়দান থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন তিনি। মহারাষ্ট্রের প্রাক্তনী মুখ্যমন্ত্রী ১৯৯১ সাল থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত লোকসভার সাংসদ ছিলেন। ইউপি আমলেতিনি খাদ্য ও কৃষি মন্ত্রী ছিলেন। এখন তিনি রাজ্যসভার সাংসদ।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

twenty − six =