খাবার দেওয়া, চিকিৎসা সহ নানাভাবে মানুষের পাশে লিলুয়ার আনন্দনগর চক্রপাণি চ্যারিটেবল ট্রাস্ট

আমাদের ভারত, হাওড়া, ২১ এপ্রিল: সরকারী উদ্যোগেরপাশাপাশি সমান্তরালভাবে অসহায় দুঃস্থদের খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করছে লিলুয়ার আনন্দনগর চক্রপাণি চ্যারিটেবল ট্রাস্ট। প্রত্যন্ত এলাকায় বসবাসকারী দুঃস্থদের হাতে খাদ্য সামগ্রী পৌঁছে দিচ্ছেন তাঁরা। পাশাপাশি বয়স্ক মানুষদের শারীরিক চিকিৎসা থেকে শুরু করে এলাকার স্যানিটেশন এবং মাক্স বিতরণ করছেন। এখানেও থেমে থাকেননি সংস্থার কর্মীরা। রান্না করা খাবার নিয়ে পৌঁছে যাচ্ছেন শহরের বিভিন্ন রেলস্টেশনে। সেখানে আটকে পড়া মানুষদের মুখে খাবার তুলে দিতে। পৌঁছে যাচ্ছেন শহর এবং কলকাতার বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালের সামনে, হাসপাতালে ভর্তি থাকা রোগীর আত্মীয়দের দিচ্ছেন সেই খাবার।

লকডাউনের সময় কর্মহীন, উপার্জন শূন্য মানুষের কাছে খাদ্য সামগ্রী কতটা জরুরী তা গ্রামবাসীর চোখ মুখ দেখলেই বোঝা যায়। সংস্থার কর্ণধার সত্যজিৎ ব্যানার্জি জানান, মহিলা কর্মীর সংখ্যায় বেশি এবং তারা ঘরকন্যা সেরে মানুষের সেবায় নিজেদের নিয়োজিত করেছেন। কিছু অভিজ্ঞ ডাক্তার এই সোসাইটিতে যোগ দিয়েছেন তাঁরাও মানুষের সেবা করে চলেছেন। তিনি জানান, যতদিন লকডাউন চলবে, একইভাবে মানুষের পরিষেবা তারা দিয়ে যাবেন। শুধু খাদ্যসামগ্রীর নয় চিকিৎসা থেকে বাকি সমস্ত ব্যবস্থা করবেন। তবে এই সংগঠন চালাতে বিপুল অর্থ সেটা আসছে কোত্থেকে? তিনি জানান দ্বারে দ্বারে ভিক্ষা করে বা কিছু স্বহৃদয় মানুষের সাহায্য নিয়েই চলছে এই কর্মকাণ্ড। তিনি বলেন দেশের এই বিপদের সময় জাতি ধর্ম নির্বিশেষে প্রতিটা মানুষের পাশে দাঁড়াতে হবে। প্রতিটা মানুষের কাছে ছোট্ট সাহায্যই হয়ে উঠবে বৃহৎ। সরকারি সাহায্যের পাশাপাশি দাঁড়াতে হবে প্রতিটা মানুষের পাশে।

4 মন্তব্যসমূহ

  1. Behind the camera innocent person fighting for his rights in this current situation of Corona he is helpless in front of this fraud organization
    #We Protibadi Somproday #stand for him.
    Requesting all of you to support
    Must read below👇

    আমি সত্যম পোদ্দার, হাওড়া জেলার অন্তর্গত আনন্দনগর গ্রাম পঞ্চায়েতের এক স্থানীয় বাসিন্দা, যে বিগত আট মাস আগে এখানকার একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা (আনন্দনগর চক্রপানী চ্যারিটেবল ট্রাস্ট, গ্রাম – বসুকাটি, পোঃ- আনন্দনগর, থানা – নিশ্চিন্দা-বালী, জেলা – হাওড়া, পশ্চিমবঙ্গ), যার Registration No. – IV-190301588/2018 (Under Govt. Of W. B.) অধীনে আংশিক সময়ের হিসেবে কাজে যোগদান করি। সেখানকার একজন প্রধান ব্যাক্তি সত্যজিৎ ব্যানার্জি মহাশয়ের অনুপ্রেরণাতে। সেই সময় তিনি বলেন এর জন্য মাসিক ৪০০০ টাকা করে পারিশ্রমিক দেবেন। কিন্তু ৫ মাস কাজ করার পরেও তিনি আমাকে যখন কোনো টাকা দেন না, উল্টে ঘোরাতে থাকে, তখন বাধ্য হই ওই সংস্থার কাজ ছেড়ে দিতে। তারপর থেকে বিগত ৩ মাস ধরে তারা আমাকে একের পর এক তারিখ দেন। সেই হিসেবে আজ পুনরায় ওই তারিখ ধরে আজকে তাদের কাছে প্রাপ্য সম্মানিক চাইতে গেলে তারা আমাকে কোনো টাকা না দিয়ে শারীরিক নির্যাতন করে আমার মোবাইল ফোনটি কেড়ে নিয়ে ভেঙে ফেলার চেষ্টা করেন। আপনাদের আরো জানাতে চাই যে আমার মোবাইল ফোনটিতে শুরু থেকে আজ ১৮/০৪/২০২০ পর্যন্ত তাদের সাথে আমার সমস্ত কথোপকথনের অডিও ও ভিডিও রেকর্ড আছে।
    এমতাবস্থায় আপনারা বিচার করুন এখানে আমার ভুল কোথায়? আপনারা দয়া করে আমাকে সাহায্য করুন।
    অনুরোধে –
    https://www.facebook.com/109890753972779/posts/128362158792305/?sfnsn=wiwspmo&extid=E0UUFDNTfzVwhW8T&d=n&vh=e

    • -: ন্যায় বিচার চাই :-

      (১) প্রথমত:- সত্যম পোদ্দার আবেদনের সহিত অন্য ব্যক্তির অনুপ্রেরণায় আসেন।
      দ্বিতীয়ত:-পার্ট টাইম ৪ ঘন্টা হিসাবে উনি যোগদান করেন।
      উল্লেখিত বিষয়ে ওনার দেওয়া অবেদন পত্র প্রমান স্বরুপ দেওয়া হল-

      (২) এরপর এই আনন্দনগর চক্রপাণি চ্যারিটেবল ট্রাস্ট এর স্থাপন কর্তা মহাশয়
      তাকে দায়িত্ব নিয়ে সদস্য পদ গ্রহণ করালেন,সত্যম পোদ্দার কে বিশ্বস্ত ভেবে।
      তারও প্রমাণ পত্র দেওয়া হল-

      (৩) সত্যম পোদ্দার আপনাদের জানিয়েছেন উনি নাকি ৫ মাস কাজ করেছেন কিন্তু
      আমাদের এই ট্রাস্টের হাজিরা খাতার উপর ভিত্তি করে প্রমান আছে উনি
      ১১৮ দিন কাজ করেছেন তারও প্রমান পত্র দেওয়া হল-

      (৪) এরপর সত্যম পোদ্দার এর কাছ থেকে ১১৮ দিনের কাজের বিবরণ চাওয়া
      হয়,তার জন্য উনি লিখিত ভাবে বিবরণ জমা করেন,তারও প্রমান পত্র দেওয়া
      হল-

      -: আপনারাই বলুন এটাকি ১১৮ দিনের কাজের মধ্যে পরে?:-

      (৫) যেহেতু সত্যম পোদ্দার ছাত্র সেহেতু তার উপর ভিত্তি করে ট্রাস্টে কোনোরকম
      সরকারি অনুদান এবং স্পন্সার অনুদান না থাকার সত্বেও স্বেচ্ছায় জনগণের
      অনুদানের উপর ভিত্তি করে প্রকল্প ও অফিস পরিচালনা করার পর উদ্বৃত্ত অংশ
      থেকে তাকে মাসিক ৩,০০০/-টাকার উপর ভিত্তি করে ১১৮ দিনের কাজের
      হিসাব দাঁড়ায় ১১,৮০০/-টাকা। তাকে বলা হয়ে ছিলো টাকা দেওয়া হবে তিন
      দফায়।তার মধ্যে উনি দুই দফায় টাকা বুঝে পেয়েছেন এই ট্রাস্টের তরফ
      থেকে।প্রথম দফা :-১৩/০১/২০২০ তারিখ-৩,০০০/- টাকা,দ্বিতীয় দফা
      :-১৮/০৩/২০২০ তারিখ-৪,৪০০/-টাকা(তার ২দফায় টাকা ফেরত পাওয়ার
      প্রমান পত্র দেওয়া হল)এবং তৃতীয় দফার তারিখ দেওয়া হয়েছিল
      ১৮/০৪/২০২০ তারিখ কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতি করোনা ভাইরাস সংক্রমণ
      রুখতে লকডাউন চলছে,আপনারাই বলুন লকডাউনে যেখানে প্রত্যেকটি
      কর্মক্ষেত্র এবং প্রতিষ্ঠান বন্ধ সেখানে উনি একজন ছাত্র হয়ে অবুঝের মতো
      পাওনা টাকা ফেরতের আশা করেন কি করে।যেখানে সমস্ত সাধারণ মানুষ
      আজ ভয়াবহ পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে জীবন কাটাচ্ছে,এর পরেও উনি টাকার
      বিষয় নিয়ে অফিস বন্ধ থাকায় সরাসরি ট্রাস্টের স্থাপন কর্তা মহাশয়ের
      বাড়িতে গিয়ে চড়াও হন,সত্যজিৎ ব্যানার্জী মহাশয় একজন ৬০ বছরের এক
      বৃদ্ধ মানুষ উনি কি ২৩ বছর বয়সী ছাত্রটিকে জনগণের মাঝে শারীরিক
      নির্যাতন করতে পারে?এটা কি সম্ভব?শুরু থেকে সমস্ত রকম অত্যাচারের
      প্রমান ভিডিও এবং সি সি টিভি ক্যামেরার রিপোর্ট ১৮/০৪/২০২০ তারিখ
      পর্যন্ত রাখা আছে।আর একটি কথা,সত্যম পোদ্দার কেন আইনের দ্বারস্থ হলেন
      না?যেহেতু এই ট্রাস্ট সরকার দ্বারা অনুমোদিত সেহেতু পরবর্তী সময় সোশ্যাল
      মিডিয়া সাইডে বা জনগণকে উত্তপ্ত করার চেষ্টা করা হলে সত্যজিৎ ব্যানার্জী
      মহাশয়(আনন্দনগর চক্রপাণি চ্যারিটেবল ট্রাস্ট)আইনের দ্বারস্থ হতে বাধ্য
      থাকবে।

      স্থাপন কর্তা মহাশয় যে ভাবে ভিক্ষুক জীবনের মধ্য দিয়ে অসহায় মানুষদের সেবা
      প্রদান করে চলেছেন,সেই বিষয়ে সকল সাধারণ মানুষ তার পাশে আছেন,তারও
      প্রমাণ আমাদের কাছে আছে,যদি দেখতে চান তার জন্য স্থাপন কর্তা
      মহাশয়(আনন্দনগর চক্রপাণি চ্যারিটেবল ট্রাস্ট) স্বাগতম জানালেন।

      ->সত্যজিৎ ব্যানার্জী মহাশয় অত্যন্ত দুঃখের সহিত উনি জানাচ্ছেন অসহায়
      মানুষের সেবা করা কি অন্যায়?<-

      -: উল্লেখিত ৫টি বিষয়ে প্রমানাদি চিত্রের মাধ্যমে দেওয়া হল:-
      https://www.facebook.com/100027284899518/posts/554825665436925/

  2. এতদ্বারা আপনাদের সকলকে আমি সত্যম পোদ্দার স্বাগত জানাচ্ছি। মাননীয় ট্রাস্টের স্থাপন কর্তা সত্যজিৎ ব্যানার্জি মহাশয় সম্পর্কে কিছু তথ্য তুলে ধরতে চেষ্টা করলাম ওনার এই পোষ্টটি তে, আশা করি যা দেখার পর আপনাদের কাছে বিষয়টি পরিষ্কার হয়ে যাবে এবং উনি আমার এই ফেসবুক প্রোফাইল টি ব্লক করে দেবেন, যাতে পরবর্তী সময়ে ওনার এই অন্যায় কাজের আমি বিরোধিতা করতে না পারি:
    ১) উনি বলেছেন ওনার বয়স ৬০ বছর এবং উনি একজন বৃদ্ধ মানুষ। দয়াকরে আপনারা ওনার এই প্রোফাইলটি লক্ষ্য করুন যেখানে উল্লেখ আছে ওনার জন্ম তারিখ ১৭ ই সেপ্টেম্বর ১৯৬২, তাহলে ওনার বয়স ৬০ কি করে সম্ভব!
    ২) উনি বলছেন আমি ৫ মাস নয়, ১১৮ দিন কাজ করেছি, ওনার দেওয়া প্রমানের ২ নম্বর ছবিটা ভালো করে খেয়াল করলে দেখবেন আমার জয়েনিং তারিখ ২০১৯ সালের ২১ শে জুন এবং ওনার দেওয়া ৪ নম্বর প্রমানটি খেয়াল করলে দেখবেন আমি ৩১শে ডিসেম্বর ২০১৯ পর্যন্ত কাজ করেছি, তাহলে কত মাস কাজ করেছি আপনারাই বিচার করুন। এখানে উল্লেখ করা ভালো যে উনি আমাকে দিয়ে যখন জোর করে ওনার দেওয়া ৩ নম্বর ও ৫ নম্বর কপি দুটি লেখান তখন বলেন রবিবার বাদ দিয়ে হিসেব হবে। আপনারা বিচার করুন এটা কোন নিয়ম?
    ৩) আপনারা সকলেই জানেন প্রতি মাসের মাসিক সান্মানিক তার পরবর্তী মাসে মিটিয়ে দিতে হয়, কিন্তু উনি প্রথম সান্মানিক আমার কাজ ছেড়ে দেওয়ার পরের মাসে অর্থাৎ ১৩ই জানুয়ারি ২০২০ তে প্রথম দেন এবং তারপর আবার ১৮ই মার্চ ২০২০ দেন, এই বিষয়টা আপনারা কি সমর্থন করেন?
    ৪) উনি আমার জয়েনিং এর সময় আমাকে দৈনিক সাকাল ১০টা থেকে দুপুর ২টো পর্যন্ত মাসিক কাজের ভিত্তিতে ৪০০০ টাকা করে দেবেন বলেছিলেন কিন্তু ২৯ শে ফেব্রুয়ারি ২০২০, ওনার ট্রাস্টের অফিসে প্রাপ্য টাকার বিষয়ে কথা বলতে গেলে উনি এবং ওনার ছেলে অভিষেক ব্যানার্জি জোর করে ৩০০০ টাকা করে লিখিয়ে নেন, এই বিষয়টি কোথাকার মানবিকতা! এখানে বলে রাখা ভালো যে উনি আমাকে দিয়ে ট্রাস্টের কাজ ছাড়াও নির্দিষ্ট সময়ের বাইরে ওনার কিছু ব্যাক্তিগত কাজও করিয়ে নিতেন, যার জন্যে আমার ছাত্র জীবনে পড়াশোনার ক্ষেত্রে বিঘ্ন ঘটে।
    ৫) উনি লিখেছেন উনি এবং ওনার পরিবার ভিক্ষুক জীবন অতিবাহিত করেন। এখানে আপনাদের কাছে প্রশ্ন যিনি ভিক্ষুক জীবন অতিবাহিত করেন তার ছেলের নামে বিগত ১৮ মাসের মধ্যে একটা প্রাইভেট কার সমেত ৪টি চার চাকার গাড়ি ও ২টি মোটরবাইক হয় কি করে? যার একটি সামান্য কাপড়ের দোকান (প্রায় সময় বন্ধ থাকে) আছে। এছাড়া অন্য কোনও প্রকার আয়ের উৎস নেই।
    আপনাদের সন্তুষ্টির জন্য আমার ও সত্যজিৎ ব্যানার্জি মহাশয়ের মধ্যে হওয়া কথোপকথনের রেকর্ডিং ও গত ১৮ই এপ্রিল ২০২০ র ভিডিও ফুটেজ দেওয়া হল। উল্লেখ থাকে যে আমি একজন ছাত্র এবং নিম্নমধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান, বর্তমান করোনা পরিস্থিতিতে আমার পড়াশোনা চালানোর যে খরচ, তা আমি বহন করতে অক্ষম। যেহেতু মূখ্যমন্ত্রী নির্দেশ দিয়েছেন সকল সংস্থাকে তাদের কর্মীদের বকেয়া টাকা দিয়ে দেবার জন্য সেহেতু আমি ভরসা রেখে ছিলাম আমার পুরনো বকেয়া টাকা হয়ত পেয়ে যাব যা দিয়ে আমার পড়াশোনার খরচের পাশাপাশি আমার পরিবারের প্রয়োজনও কিছুটা মেটাতে পারব।
    এবার আপনারাই বলুন এখানে আমার অন্যায় কোথায়? উনি আমাকে একের পর এক মিথ্যে প্রলোভন দেখিয়ে দিনের পর দিন ঘরাচ্ছেন আর ওনাকে বিশ্বাস করে আমি প্রতিদিন খালি হাতে ফিরে আসি, খুব জোর করায় উনি ওই দুটি কিস্তিতে আমাকে কিছু টাকা দেন, যার রসিদ উনি এই পোষ্টটিতে দেখিয়েছেন।
    অতএব আপনাদের কাছে বিশেষ অনুরোধ আপনারা দয়াকরে নিরপেক্ষ বিচার করে সঠিক পথ দেখিয়ে সহায়তা করুন।
    https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=554825665436925&id=100027284899518?sfnsn=wiwspmo&extid=5DkKBMF77Gs6Vb48

আপনাদের মতামত জানান

Please enter your comment!
Please enter your name here