পাঁড়ুইয়ে পুলিশের সামনেই বিজেপির মিছিল লক্ষ্য করে বোমা

আশিস মণ্ডল, সিউড়ি, ৭ অক্টোবর: বিজেপির থানা ঘেরাও কর্মসূচিতে পুলিশের সামনেই বোমা। আতঙ্কে বন্ধ হয়ে যায় এলাকার দোকান পাট। বিজেপির অভিযোগ, তাদের কর্মসূচি বানচাল করতে তৃণমূল বোমা ফাটিয়েছে। যদিও অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূল।

রাজ্যের আইনশৃঙ্খলার অবনতি, বিজেপি কর্মীদের মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো সহ একাধিক দাবিতে বুধবার বীরভূমের ২৪টি থানাতে বিক্ষোভ এবং ডেপুটেশনের কর্মসূচি ছিল বিজেপির। সেই মত সকাল ১০টা থেকে পাঁড়ুই বাজারে জমায়েত হতে শুরু করেন বিজেপি কর্মী সমর্থকরা। বিশৃঙ্খলা এড়াতে প্রচুর পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছিল। সেই পুলিশের সামনেই মুখে গামছা বেঁধে বিজেপির জমায়েত লক্ষ্য করে বোমা ছোঁড়ে দুষ্কৃতীরা। আতঙ্কে বিজেপি কর্মীরা মাইক ঝান্ডা ফেলে পালিয়ে যায়। এরপর বিশাল পুলিশ বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছলে ফের বিজেপির জমায়েত শুরু হয়। তবে আতঙ্কে সমস্ত দোকানপাট ছিল বন্ধ।

বিজেপির সামাদ শেখ বলেন, “আমাদের জমায়েত দেখে ওদের ঘুম হারাম হয়ে গিয়েছে। তাই বোমাবাজি করে আতঙ্কের সৃষ্টি করতে চাইছে। মুস্তাক হোসেনের নেতৃত্বে বোমাবাজি করা হয়েছে”।

অভিযোগ অস্বীকার করে মুস্তাক বলেন, “বোমাবাজি আমাদের কালচার নয়। ওরাই মানুষের সহানুভূতি আদায় করতে এসব করেছে”।

এদিকে সিউড়ি থানায় বিক্ষোভ কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দেন জেলা সভাপতি শ্যামাপদ মণ্ডল। থানার আগেই পুলিশ ব্যারিকেড করে বিজেপি কর্মী সমর্থকদের আটকানোর চেষ্টা করে। কিন্তু পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙ্গে দেয় বিজেপি কর্মী সমর্থকরা। লাভপুর থানায় বিক্ষোভে নেতৃত্ব দেন রাজ্য নেতা রাজু বন্দ্যোপাধ্যায়।

শ্যামলবাবু বলেন, “পুলিশ তৃণমূলের কথায় আমাদের কর্মী সমর্থকদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিচ্ছে। এরই প্রতিবাদে বিভিন্ন থানায় গণ ডেপুটেশন কর্মসূচি পালন করছি। কিন্তু সিউড়ি থানায় পুলিশ অনেক দূরে ব্যারিকেড করে আমাদের আটকানোর চেষ্টা করে। আমরা সেই বাধা টপকে থানার গেটের সামনে শান্তিপূর্ণভাবে কর্মসূচি পালন করলাম”।

আপনাদের মতামত জানান

Please enter your comment!
Please enter your name here