জঙ্গলমহল উৎসবের আমন্ত্রণ পত্রে স্থানীয় বিধায়কদের নাম না থাকায় বিতর্ক ঝাড়গ্রামে

জে মাহাতো, আমাদের ভারত, ঝাড়গ্রাম, ১৭ জানুয়ারি: করোনা বিধি মেনে ঝাড়গ্রামের ননীবালা বয়েজ হাই স্কুল মাঠে আজ থেকে জঙ্গলমহল উৎসবের সূচনা হলেও আমন্ত্রণ পত্রে স্থানীয় বিধায়কদের নাম না থাকায় বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। আমন্ত্রণ পত্রে জেলার প্রাক্তন সাংসদ ও বিধায়কদের নাম থাকলেও বর্তমান চারজন বিধায়কের মধ্যে দু’জন বিধায়কের নাম নেই। বাদ পড়া দুই বিধায়ক হলেন গোপীবল্লভপুর কেন্দ্রের খগেন্দ্রনাথ মাহাতো এবং বিনপুর কেন্দ্রের দেবনাথ হাঁসদা। আমন্ত্রণ পত্রে মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়, বিরবাহা হাঁসদা সহ নয়াগ্রামের বিধায়ক দুলাল মুর্মু, প্রাক্তন বিধায়ক চূড়ামণি মাহাতো, প্রাক্তন সাংসদ উমা সরেন এবং জেলা পরিষদের সভাধিপতি মাধবী বিশ্বাসের নাম থাকলেও নাম নেই বিনপুরের বিধায়ক তথা জেলা তৃণমূল সভাপতি দেবনাথ হাঁসদা ও গোপীবল্লভপুরের বিধায়ক খগেন্দ্র নাথ মাহাতোর। যা নিয়ে দলের মধ্যেই গুঞ্জন শুরু হয়েছে।

ঝাড়গ্রাম জেলা প্রশাসন সূত্রে জানাগেছে, মুখ্যমন্ত্রীর দপ্তর থেকে যেরকম নির্দেশ এসেছে সেভাবেই আমন্ত্রণপত্র তৈরি করা হয়েছে। জেলা প্রশাসন এক্ষেত্রে রাজ্যের নির্দেশই পালন করেছে।

জেলার বিধায়ক হওয়া সত্ত্বেও আমন্ত্রণপত্রে তাদের নাম না থাকা প্রসঙ্গে সূত্র মারফত জানা গেছে, বিভিন্ন সময় ওই দুই বিধায়ক বিতর্কে জড়িয়েছেন। কিছুদিন আগে সাঁকরাইল ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সম্মেলনে বিধায়ক খগেন্দ্র নাথ মাহাতো জেলা তৃণমূলের কো-অর্ডিনেটর অজিত মাইতিকে পিছনের সারিতে বসতে বলায় দলের কর্মীরা বিধায়কের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়ে সম্মেলন মঞ্চেই গন্ডগোল বাধায়। এছাড়াও জেলার এক স্বাস্থ্য আধিকারিকের সঙ্গেও তার সংঘাত বাধে। একইভাবে বিতর্কে জড়িয়েছেন বিনপুরের বিধায়ক তথা জেলা তৃণমূল সভাপতি দেবনাথ হাঁসদাও। তার বিরুদ্ধে জেলা কমিটির বৈঠকে কাউকে নিজে না ডেকে অন্যদেরকে দিয়ে ফোন করানোর এবং জেলা কমিটির বৈঠকগুলিতে উপস্থিতির সংখ্যাও উল্লেখযোগ্য না থাকার অভিযোগ রয়েছে। জেলা

তৃণমূলের একটি সূত্র থেকে জানাগেছে, জেলার মন্ত্রী বিধায়ক থেকে শুরু করে নেতা-নেত্রীরা কি করছেন, এসমস্ত খবর দলনেত্রীর কাছে রয়েছে এবং জেলার জঙ্গলমহল উৎসবের আমন্ত্রণপত্রে কার কার নাম থাকবে কিংবা কাকে কাকে বাদ দেওয়া হবে সবই তার নির্দেশ মতোই হয়েছে l

আপনাদের মতামত জানান

Please enter your comment!
Please enter your name here