উহানের ল্যাবে ছিল ৩টি সক্রিয় করোনা ভাইরাস! বিশ্ব-ত্রাস কোভিড-১৯-র সঙ্গে এর মিল ৮০%, তথ্য দিলেন ল্যাবের ডিরেক্টরই

আমাদের ভারত, ২৪ মে : বারবার অভিযোগ উঠেছে চিনের উহানের ল্যাব থেকেই ছড়িয়ে পড়েছে মারণ ভাইরাস করোনা। এবার উহানের ওই ল্যাবের ডিরেক্টর দিলেন এক চাঞ্চল্যকর তথ্য। ল্যাবের ডিরেক্টর ওয়াং ইয়েনি বলেন, তাদের ঐ ল্যাবে বাদুরের শরীর থেকে সংগৃহীত তিনটি সক্রিয় করোনা ভাইরাস ছিল। তবে তার সাথে কোভিডের মিল রয়েছে ৮০ শতাংশ।

চিনের সংবাদমাধ্যম সিজেটিএনের এক সাক্ষাৎকারে ল্যাবের ডিরেক্টর একথা জানিয়ে বলেন বাদুড়ের শরীর থেকে সংগৃহীত তিনটি সক্রিয় করোনাভাইরাস ল্যাবে সংরক্ষণ করা হয়েছিল পরীক্ষার জন্য। সার্স কোভিড -২ আটকাতে এই গবেষণা তারা ২০০৪ থেকে চালাচ্ছেন।
তার দাবি এই ভাইরাসের সঙ্গে বিশ্বে মহামারি সৃষ্টিকারী কোভিড-১৯ এর বড়সড় ফারাক রয়েছে। ওয়াং ইয়েনের দাবি কোভিড-১৯ এর সঙ্গে তাদের ল্যাবের করোনাভাইরাস এর ৭৯.৮ শতাংশ মিল রয়েছে।

ল্যাবের আরেক অধ্যাপক ঝা়ংলি জানিয়েছেন সার্স ভাইরাস মহামারি আকার নেওয়ার পর থেকে তারা করোনাভাইরাস নিয়ে গবেষণা শুরু করেন। তাদের গবেষণা মূলত সার্স ভাইরাসকে আটকাবার জন্য। আর ল্যাবে থাকা ভাইরাসের সঙ্গে সার্স ভাইরাসের মিল রয়েছে।

তবে ল্যাব ডিরেক্টরের দাবি করা কোভিড-১৯ এর সঙ্গে উহানে ল্যাবে থাকা করোনা ভাইরাসের কুড়ি শতাংশের ফারাক থাকার যুক্তি অনেকেই মেনে নিচ্ছেন না।

করোনা সংক্রমণের জন্য আমেরিকা বারবার চিনকে অভিযুক্ত করেছে। চিনের উহানের ল্যাব থেকেই করোনা সংক্রমিত হয়েছে কিনা তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। কারণ মার্কিন ও ব্রিটিশ গুপ্তচর সংস্থার কিছু মোবাইল ফোনের গোপন ডেটাও সেই জল্পনা কে উস্কে দিয়েছিল। ওই গোপন নথিতে জানা গেছে গত ৭ থেকে ২৪ শে অক্টোবর কোন সেলফোন ব্যবহার করা হয়নি উহানের ল্যাবে। সেলফোনে ও স্যাটেলাইট ডেটা থেকে এই তথ্য পেয়েছে মার্কিন ও ব্রিটিশ গুপ্তচর সংস্থা বলে দাবি করা হয়েছে। অন্যদিকে লন্ডনের জেনেটিক ইনস্টিটিউট অফ ইউনিভার্সিটির গবেষকরা দাবি করেছিলেন ২০১৯ এর ডিসেম্বর নয় বরং অক্টোবরের শুরু থেকে এই ভাইরাস চিনে ছড়িয়ে পড়তে শুরু করেছিল।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here