একাধিক দাবিতে তমলুকে বঙ্গীয় প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির বিক্ষোভ ও ডেপুটেশন

আমাদের ভারত, পূর্ব মেদিনীপুর, ২২ জুন: উপযুক্ত মানের মডেল এক্টিভিটি টাস্ক প্রস্তুত করে ছাত্র-ছাত্রীদের সরবরাহ। ভয়াবহ করোনা এবং আমফান পরিস্থিতিতে ছাত্র-ছাত্রীদের দু’বেলার খাওয়ার হিসাবে পুষ্টিকর খাদ্য সামগ্রী সরবরাহ। মিড ডে মিল কর্মীদের খাদ্য সামগ্রী এবং বিশেষ ভাতা প্রদান সহ কয়েক দফা দাবিতে বঙ্গীয় প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির পূর্ব মেদিনীপুর জেলা কমিটির পক্ষ থেকে জেলাশাসক, প্রাথমিক বিদ্যালয় সংসদের চেয়ারম্যান এবং ডিআই এর নিকট বিক্ষোভ ও গণ ডেপুটেশন দেওয়া হয়।

উপস্থিত ছিলেন সমিতির সাধারণ সম্পাদক আনন্দ হান্ডা, সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য মেঘনাথ খামরুই, জেলা সম্পাদক সতীশ সাউ সহ বিভিন্ন চক্র থেকে আগত শিক্ষক-শিক্ষিকা প্রতিনিধিগণ।

আনন্দ হান্ডা জানান, ১৫ মার্চ থেকে করোনা সংক্রমণের বিশেষ পরিস্থিতিতে পঠন পাঠন বন্ধ। এই সময়ে ছাত্র-ছাত্রীদের বাড়িতে বসে ধারাবাহিক চর্চার জন্য বিষয়ভিত্তিক পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে প্রশ্নের ভিত্তিতে হোম অ্যাসাইনমেন্টের ধাঁচে মডেল এক্টিভিটি টাস্ক প্রস্তুত করা জরুরি। কাজটি শিক্ষাদপ্তর অত্যন্ত দায়সারাভাবে করেছে। তাও সেগুলো অনলাইনে থেকে গেছে। ছাত্রছাত্রীদের কাছে পৌঁছায়নি। অবিলম্বে তা ছাত্র-ছাত্রীদের কাছে পৌঁছানোর ব্যবস্থা করতে হবে। জেলা সম্পাদক সতীশ সাউ দাবি করেন, করোনাজনিত লকডাউনে কর্মহীন মানুষের পরিবার থেকে আসা ছাত্র-ছাত্রীদের পুষ্টিকর খাদ্যের পরিবর্তে চালের সঙ্গে শুধুমাত্র আলু দেওয়া চুড়ান্ত অবমাননা ও বঞ্চনা। দীর্ঘ প্রতিবাদের ফলে ডাল দেওয়ার নির্দেশিকা এসেছে। দাবি করছি দু’বেলার হিসেবে পুষ্টিকর খাদ্য সামগ্রী দিতে হবে। নচেৎ ভবিষ্যতে প্রতিরোধ আন্দোলন গড়ে উঠবে। এছাড়া মিড ডে মিল কর্মীদের খাদ্য সামগ্রী এবং বিশেষ ভাতা প্রদানের দাবি তোলা হয়। সপ্তাহব্যাপী জেলাস্তরের পাশাপাশি চক্র স্তরে ডেপুটেশন আন্দোলন ও সংগঠিত হবে। সর্বস্তরের শিক্ষক সমাজকে এই আন্দোলনে শামিল হওয়ার আহ্বান জানানো হয়।

আপনাদের মতামত জানান

Please enter your comment!
Please enter your name here