হরিরামপুরে দলীয় কার্যালয় ভাঙ্গচুর ও অগ্নিসংযোগে তৃণমূল নেতা সোনা পালের বিরুদ্ধে এফআইআর বিজেপির, আক্রান্তের বাড়ি গিয়ে খোঁজ নিলেন সাংসদ

আমাদের ভারত , বালুরঘাট, ১৬ ডিসেম্বর: নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন নিয়ে প্রতিবাদ মিছিল থেকে বিজেপির দলীয় কার্যালয়ে ভাঙ্গচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা তৃণমূলের কার্যকরী সভাপতির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের বিজেপির। অভিযোগ হয়েছে আরও ৬ জন তৃণমূল নেতা কর্মীর নামেও। অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ ঘটনার তদন্তে নেমেছে। রবিবার সন্ধ্যায় হরিরামপুরে তৃণমূল নেতা শুভাশিষ ওরফে সোনা পালের নেতৃত্বে হামলা চালানো হয়েছে বলে অভিযোগ বিজেপির। সোমবার আক্রান্ত কর্মীকে দেখতে এলাকায় পৌঁছান বালুরঘাটের সাংসদ সুকান্ত মজুমদার। একই সাথে এলাকার পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন তিনি।

জানাগেছে, রবিবার হরিরামপুরে তৃণমূল নেতা শুভাশিস পাল ওরফে সোনার নেতৃত্বে চলছিল বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ মিছিল। যেখান থেকেই তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা বিজেপির দলীয় কার্যালয় ভেঙ্গে তছনছ করে আগুন ধরিয়ে দেয় বলে অভিযোগ। একই সাথে বিজেপির যুব মোর্চার জেলা কমিটির সদস্য বিধান রায়ের বাড়িতেও চলে হামলা ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা। যা নিয়ে পুলিশ প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ তুলে সরব হন সাংসদ সুকান্ত মজুমদার। আজ ওই ঘটনায় মূল অভিযুক্ত শুভাশিস পাল সহ সাত জনের নামে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন আক্রান্ত বিজেপি নেতা। একইসাথে বিজেপির দলীয় কার্যালয় ভাঙ্গচুর করার ঘটনায়ও দায়ের হয়েছে লিখিত অভিযোগ।

সাংসদ সুকান্ত মজুমদার জানিয়েছেন, রাজ্য জুড়ে সন্ত্রাসের পরিবেশ তৈরি করেছে তৃণমূল বাহিনী। হরিরামপুরে তাঁদের দলীয় কার্যালয়ে ভাঙ্গচুর করে আগুন ধরানো হয়েছে। হামলা চালানো হয় তাঁদের এক নেতার বাড়িতেও। সমগ্র ঘটনায় পুলিশ প্রশাসন নিষ্ক্রিয়। থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়েছে। অতিদ্রুত পুলিশ সঠিক পদক্ষেপ না নিলে রাস্তায় নামবে বিজেপি।


ছবি: তৃণমূল নেতা সোনা পাল

তৃণমূলের জেলা সভাপতি অর্পিতা ঘোষ জানিয়েছেন, নিজেদের গোষ্ঠী কোন্দলের ফলে এমন ঘটনা ঘটেছে। বিজেপি সেই দোষ তৃণমূলের ঘাড়ে চাপাতে চাইছে। থানায় অভিযোগ হয়েছে, পুলিশ নিরপেক্ষ তদন্ত করলেই প্রকৃত ঘটনা সামনে আসবে বলে তিনি মনে করেন।

গঙ্গারামপুর মহকুমা পুলিশ আধিকারিক দীপ কুমার দাস জানিয়েছেন, পুলিশ লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনার তদন্তে নেমেছে।

আপনাদের মতামত জানান

Please enter your comment!
Please enter your name here